মহম্মদপুরে মধুমতির নৌকাবাইচে লাখো মানুষের ঢল
Bangladesh

মহম্মদপুরে মধুমতির নৌকাবাইচে লাখো মানুষের ঢল

বৈঠার ছন্দ, কাঁসার ঘণ্টার ধ্বনি আর মাঝি-মাল্লাদের হেঁইও রবে মুখরিত মধুমতি নদী।

Inqilab • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:21 AM
0
• 0 min read
Bangla

আয় নেই, রিটার্ন নেই, তবু টিআইএনধারীর জরিমানা কেন?

টিআইএন নিয়েছিলেন কয়েক বছর আগে। তখন প্রয়োজন ছিল। জমি কিনবেন, ব্যাংক হিসাব খুলবেন, ব্যবসা করবেন কিংবা অনলাইনে আয় করবেন, যে কারণেই হোক টিআইএন নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে আর আয় হলো না। কাজও হলো না। রিটার্নও দেওয়া হলো না। এভাবে বছর কেটে গেল। হঠাৎ একদিন কর কর্তৃপক্ষের নোটিশ। তখনই প্রশ্ন, আয় যখন নেই, করই যখন দিতে হবে না, তাহলে জরিমানা কেন? এখানেই রয়েছে অনেক করদাতার বড় ভুল বোঝাবুঝি।কারণ রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আর কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা এক বিষয় নয়। একজন ব্যক্তির করযোগ্য আয় শূন্য হতে পারে, কিন্তু আইন অনুযায়ী তার রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে। আর নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল না করলে, কর না থাকলেও জরিমানার মুখে পড়ার সুযোগ রয়েছে।বাংলাদেশে টিআইএন নেওয়ার ঘটনা এখন খুবই সাধারণ। চাকরি, ব্যবসা, জমি কেনাবেচা, ব্যাংকিং, সরকারি সেবা কিংবা বিভিন্ন আর্থিক কর্মকাণ্ডের প্রয়োজনে মানুষ টিআইএন নিচ্ছেন। কেউ আবার ফেসবুক, ইউটিউব বা অন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আয় করবেন ভেবে আগেই টিআইএন নিয়েছেন। কিন্তু প্রয়োজন শেষ হওয়ার পর অনেকেই ধরে নেন, টিআইএন তো শুধু নিয়েছিলাম, আয়ই তো হয়নি, রিটার্ন দেওয়ারও দরকার নেই। এই একটি ধারণাই পরে বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৬-এ নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যক্তির রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর রিটার্ন দাখিলে বাধ্য হলে ধারা ১৭০ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল করতে হয়। অর্থাৎ আয় নেই, এই কথাটিই সবসময় রিটার্ন না দেওয়ার বৈধ কারণ নয়। প্রথমে দেখতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলে বাধ্য কি না। যদি বাধ্য হন, তাহলে নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।এখানেই আসে জরিমানার বিষয়টি। অনেকেই মনে করেন, করযোগ্য আয় নেই এবং কর পরিশোধযোগ্যও নেই, তাই রিটার্ন দিতে দেরি হলেও কোনো জরিমানা হবে না। কিন্তু রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল না করলে কর পরিশোধযোগ্য না থাকলেও জরিমানা প্রযোজ্য হতে পারে।ধরা যাক, একজন করদাতার করযোগ্য আয় নেই। হিসাব করে তার পরিশোধযোগ্য কর দাঁড়াল শূন্য টাকা। তিনি ভাবলেন, করই যখন নেই, রিটার্ন না দিলেও কিছু হবে না। কিন্তু যদি তিনি আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলে বাধ্য হন এবং নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন না দেন, তাহলে শুধু কর শূন্য হওয়ার কারণে জরিমানা থেকে মুক্তি নিশ্চিত নয়।কর কর্তৃপক্ষের নোটিশ পাওয়ার আগে বিলম্বিত রিটার্ন দাখিল করা হলে এবং কর পরিশোধযোগ্য না থাকলে ন্যূনতম জরিমানা ৫ হাজার টাকা হতে পারে। অন্যদিকে, নোটিশ পাওয়ার পর রিটার্ন দাখিল করলে প্রযোজ্য ন্যূনতম জরিমানা ১০ হাজার টাকা হতে পারে। অর্থাৎ নোটিশ আসার আগেই বিলম্বিত রিটার্ন দাখিল করলে জরিমানার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।বিষয়টি একটি উদাহরণ দিয়ে আরও পরিষ্কার করা যায়। ধরা যাক, একজন করদাতার পরিশোধযোগ্য কর ৫০ হাজার টাকা। তিনি যদি কর কর্তৃপক্ষের নোটিশ পাওয়ার আগে নিজ উদ্যোগে বিলম্বিত রিটার্ন দাখিল করেন, তাহলে ধারা ১৭৪(২) অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকার ১০ শতাংশ হয় ৫ হাজার টাকা। প্রযোজ্য ন্যূনতম জরিমানার বিধান বিবেচনায় তার জরিমানা হবে ৫ হাজার টাকা।অন্যদিকে একই করদাতা যদি কর কর্তৃপক্ষের নোটিশ পাওয়ার পর রিটার্ন দাখিল করেন, তাহলে ধারা ১৭৪(৩) অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকার ১৫ শতাংশ হয় ৭ হাজার ৫০০ টাকা। তবে প্রযোজ্য ন্যূনতম জরিমানার কারণে তার জরিমানা হবে ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ একই করদাতা, একই করের পরিমাণ, কিন্তু সময়ের ব্যবধানেই জরিমানার অঙ্ক বদলে যেতে পারে।এখন প্রশ্ন, টিআইএন নেওয়ার যে প্রয়োজন ছিল, সেটি যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে কি রিটার্নের দায়িত্বও শেষ হয়ে যাবে? ধরা যাক, একজন ব্যক্তি জমি কেনার জন্য টিআইএন নিয়েছিলেন। পরে জমি কেনা হয়নি। আবার কেউ ব্যাংকিংয়ের প্রয়োজনে টিআইএন নিয়েছিলেন, কিন্তু সেই প্রয়োজন আর নেই। কেউ অনলাইন ব্যবসা বা ইউটিউব থেকে আয় করার পরিকল্পনায় টিআইএন নিয়েছিলেন, কিন্তু বাস্তবে কোনো আয় হয়নি। এ অবস্থায় টিআইএন নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য শেষ হয়ে গেলেই রিটার্ন দাখিলের আইনগত দায়িত্বও শেষ হয়ে যাবে, এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।প্রথমে দেখতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আয়কর আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলে বাধ্য কি না। বাধ্য হলে নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। অর্থাৎ টিআইএন কেন নেওয়া হয়েছিল, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও রিটার্নের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণের একমাত্র বিষয় নয়।অনেক করদাতার প্রশ্ন, আমার তো কোনো করই নেই, তাহলে রিটার্ন দেব কেন? রিটার্নকে শুধু কর পরিশোধের কাগজ হিসেবে দেখলে বিষয়টি পুরোপুরি বোঝা যায় না। একজন করদাতার আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় এবং অর্থের উৎসসহ বিভিন্ন আর্থিক তথ্য রিটার্নের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়।একজন ব্যক্তির নিজের উপার্জন না থাকলেও তার সম্পদ থাকতে পারে, পরিবারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন কিংবা নিজের নামে বিভিন্ন ব্যয় হতে পারে। তাই আমার আয় নেই এবং আমার রিটার্ন দেওয়ার প্রয়োজন নেই, এই দুটি বক্তব্য সবসময় একই অর্থ বহন করে না। করযোগ্য আয় না থাকলে প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী করের পরিমাণ শূন্য হতে পারে। কিন্তু আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।এখন আসা যাক তাদের কথায়, যাদের টিআইএন কয়েক বছর আগে নেওয়া হলেও আজ পর্যন্ত কোনো রিটার্ন দাখিল করা হয়নি। একসঙ্গে কী করতে হবে, এর উত্তর সবার ক্ষেত্রে একই নয়। টিআইএন গ্রহণের তারিখ, কোন করবর্ষ থেকে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হয়েছে, আগে কোনো রিটার্ন দাখিল করা হয়েছিল কি না এবং বর্তমানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কর অবস্থা, এসব বিষয় বিবেচনা করতে হবে।বিশেষ করে ১ জুলাই ২০২৫-এর পর টিআইএন নিয়েছেন কিন্তু এখনো রিটার্ন দেননি, এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বর্তমান করবর্ষ থেকে নিয়মিত রিটার্ন দাখিল শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে আগের কোনো করবর্ষের রিটার্ন দিতে হবে কি না বা জরিমানা হবে কি না, তা ব্যক্তির পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য আইন দেখে নিশ্চিত হতে হবে। আর আগে থেকেই টিআইএন থাকলে কিন্তু কয়েক বছর রিটার্ন না দিয়ে থাকলে, কোন কোন বছরের রিটার্ন দেওয়া প্রয়োজন এবং কোনো জরিমানা প্রযোজ্য হবে কি না, তা আলাদাভাবে যাচাই করা উচিত।বিলম্বে রিটার্ন দাখিলের কারণে জরিমানা আরোপ হলে অনেকে ব্যক্তিগত অনুরোধের মাধ্যমে জরিমানা কমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শুধু ব্যক্তিগত অনুরোধের ভিত্তিতে আইন নির্ধারিত জরিমানা কমে যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই জরিমানা আরোপের আগে বা পরে প্রথমেই দেখতে হবে, কোন করবর্ষের জন্য জরিমানা হয়েছে, কেন হয়েছে এবং কোন আইনি বিধানের অধীনে হয়েছে।তবে সবচেয়ে নিরাপদ পথ হলো জরিমানা হওয়ার অপেক্ষা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা। টিআইএন নেওয়ার পর সেটিকে অপ্রয়োজনীয় ভেবে ফেলে রাখা যেমন ঠিক নয়, তেমনি শুধু আয় নেই বলেও রিটার্নের বিষয়টি উপেক্ষা করা উচিত নয়।প্রথমে নিজের কর অবস্থা যাচাই করতে হবে। আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে কি না, তা দেখতে হবে। থাকলে সময়মতো রিটার্ন দাখিল করতে হবে। আর দীর্ঘদিন রিটার্ন দাখিল না করে থাকলে পূর্ববর্তী করবর্ষগুলোর অবস্থাও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।কর ব্যবস্থায় দায়িত্ব শুধু কর পরিশোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সঠিক তথ্য দিয়ে সময়মতো রিটার্ন দাখিল করাও একজন করদাতার গুরুত্বপূর্ণ আইনগত দায়িত্ব। তাই টিআইএন আছে অথচ রিটার্ন দাখিল করছেন না, এমন হলে বিষয়টি অবহেলা না করে নিজের কর অবস্থা যাচাই করা জরুরি। কারণ আজকের ছোট্ট অবহেলাই ভবিষ্যতে জরিমানা, নোটিশ এবং বাড়তি জটিলতার কারণ হতে পারে।মনে রাখতে হবে, করযোগ্য আয় নেই মানেই সব ক্ষেত্রে রিটার্নের প্রয়োজন নেই, এমন নয়। আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। আর সময়মতো রিটার্ন দাখিল করাই জরিমানা ও অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানোর সবচেয়ে নিরাপদ পথ।[লেখক: আয়কর আইনজীবী]

Sangbad • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:21 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

জামালপুরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, মামলায় কৃষক লীগ নেত্রী কারাগারে

জামালপুরের ইসলামপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় পুতুল রানী (২৮) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কৃষক লীগের এক নেত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে

ShomoyerAlo • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:20 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

মিষ্টির শূন্য আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান

মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান

DainikBangla • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:20 AM
0
• 0 min read
Business

ট্রামবিরোধী সিনেটর প্রার্থী আল-সাইয়েদকে সমর্থন জানাল ইহুদি সংগঠন

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ইহুদি সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘মিশিগান জুস ফর ডেমোক্রেসি’ ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। একই সঙ্গে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে সমর্থন দেওয়ায় ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেন্সের সমালোচনা করেছে সংগঠনট

AmarDesh • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:19 AM
0
• 0 min read
Entertainment

সিনেমা পরিচালনা করবেন হিমেশ, হতে চান সুপারস্টার অভিনেতাও

বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক ও সংগীত পরিচালক হিমেশ রেশমিয়া এবার চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন। তবে তিনি একজন সুপারস্টার অভিনেতা হওয়ার স্বপ্নও দেখছেন। সম্প্রতি কমল নাহতার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন হিমেশ। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন...

Ittefaq • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:19 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়

শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়া ঝড়টি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ

ShomoyerAlo • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:19 AM
0
• 0 min read
Bangla

৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে তিনদিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

এ কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ দৈনিক ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যাবে। এ সময়ে সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।

Ajkerpatrika • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:19 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

তাহিরপুরে ইউপি সদস্যের প্রতারণা

ManabZamin • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:18 AM
0
• 0 min read
Bangla

গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, দায়িত্বে ২১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি ও অন্যান্য দাবিকে কেন্দ্র করে চলমান শ্রম অসন্তোষ নিরসনে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসন

Samakal • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:18 AM
0
• 0 min read
Bangla

দিনের ছবি (২ নভেম্বর , ২০২৬)

সবুজ পাতার বুকজুড়ে বেগুনি শিমফুলের সমারোহ। গ্রামবাংলার মাঠজুড়ে প্রকৃতি যেন ছড়িয়ে দিয়েছে মায়াবী রঙের ছোঁয়া। ছবিটি সোমবার সকালে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার উত্তর বাখরনগর এলাকা থেকে তোলা। ছবি: হারুনূর রশিদ

Ajkerpatrika • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:18 AM
0
• 0 min read
Bangla

উচ্চশিক্ষা, আত্মপ্রবঞ্চনার এক মহাকাব্য

আমরা যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিংবা প্রাক্তন শিক্ষার্থী, আমাদের কখনো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একটি প্রশ্ন করা উচিত—আমাদের শিক্ষার মূল্য কে পরিশোধ করেছে, আর আমরা তার বিনিময়ে দেশকে কী ফিরিয়ে দিয়েছি? আমাদের মেধার পেছনে ব্যয় হওয়া অর্থ কোনো রাজকীয় কোষাগারের উত্তরাধিকার নয়। এর প্রতিটি টাকার সঙ্গে মিশে আছে একজন রিকশাচালকের ঘাম, একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের ওভারটাইম, একজন প্রবাসীর নির্বাসিত যৌবন এবং কোটি মানুষের না-পাওয়ার দীর্ঘশ্বাস।বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পেছনে রাষ্ট্রের যে বিনিয়োগ, তার অর্থ এসেছে এই খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকেই। যে রিকশাচালক নিজের সন্তানকে ভালো স্কুলে পড়াতে হিমশিম খান, তার উপার্জনের অংশ দিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে বসেছি। যে প্রবাসী বছরের পর বছর পরিবারের মুখ দেখতে পান না, তার পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রায় আমাদের শিক্ষার অবকাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। অথচ প্রশ্ন হলো, আমরা তাদের কতটুকু প্রতিদান দিতে পেরেছি? নাকি জনগণের অর্থে উচ্চশিক্ষিত হয়ে জনগণের কাছ থেকেই দূরে সরে যাওয়ার সামাজিক লাইসেন্স অর্জন করেছি?একটি স্বনামধন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর—উভয় পরীক্ষায় ৩.৮৬ সিজিপিএ অর্জন করেছেন একজন শিক্ষার্থী। ৪৪তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে। অথচ বিষয়সংশ্লিষ্ট চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে লন্ডনে গিয়ে নিয়োগকর্তার কাছ থেকে যা শুনতে হয়েছে তা অপ্রত্যাশিত । এটি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, কোনো আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক শিক্ষাগত সমতুল্যতার সিদ্ধান্ত নয়। তবু অভিজ্ঞতাটি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সামনে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন রেখে যায়—পরীক্ষার ফলাফল আর বাস্তব দক্ষতার মধ্যে এত দূরত্ব কেন?এই সংকট যে নিছক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়, পরিসংখ্যানও তার সাক্ষ্য দিচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারী বেকারের সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ৮৫ হাজার এবং উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর বেকারত্বের হার ১৩.৫৪ শতাংশ। আরও উদ্বেগজনক হলো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ২০২৬ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের (১৫ু২৯ বছর) বেকারত্বের হার প্রায় ২৫ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ আমরা একদিকে ডিগ্রির সংখ্যা বাড়াচ্ছি, অন্যদিকে সেই ডিগ্রিকে কর্মক্ষেত্রের কার্যকর দক্ষতায় রূপান্তর করতে হিমশিম খাচ্ছি। প্রশ্ন জাগে, আমরা কি মানবসম্পদ তৈরি করছি, নাকি শিক্ষিত বেকারত্বের এক বিশাল প্রদর্শনী সাজাচ্ছি?কেউ যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তুলনা করেন, তখন অপমান লাগে, ক্ষোভ হয়। কিন্তু শুধু ক্ষোভের উত্তাপে আয়নাটি ভেঙে ফেললে নিজের মুখ দেখা যায় না। বরং প্রশ্ন করা প্রয়োজন—আমরা কি আমাদের প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যের সমান যোগ্যতা অর্জন করছি? নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামটিকে ব্যক্তিগত দক্ষতার বিকল্প পরিচয়পত্র বানিয়ে ফেলেছি?আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি চিন্তাশীল মানুষ, গবেষক, উদ্ভাবক ও সমস্যা সমাধানকারী তৈরি করছে, নাকি জিপিএর কারিগরি দক্ষতায় পারদর্শী কিছু সনদধারী নাগরিক তৈরি করছে? পরীক্ষার খাতায় নির্ভুল উত্তর লিখতে পারলেই যদি মেধার চূড়ান্ত স্বীকৃতি মেলে, তবে বাস্তব পৃথিবীর অজানা সমস্যার সমাধান করবে কে?অবশ্য দায় শুধু শিক্ষার্থীর নয়। দায় সেই শিক্ষকেরও, যিনি পাঠ্যবইয়ের বাইরে জ্ঞানের জানালা খুলতে ভুলে গেছেন; সেই প্রশাসকেরও, যিনি গবেষণার চেয়ে আনুষ্ঠানিকতাকে বেশি গুরুত্ব দেন; সেই নীতিনির্ধারকেরও, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ান, কিন্তু শিক্ষার মান ও কর্মমুখী দক্ষতার প্রশ্নে নীরব থাকেন। দায় আমাদেরও—আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় নিয়ে গর্ব করি, অথচ নিজেদের দুর্বলতা নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পাই।সবচেয়ে বড় বিদ্রূপ হলো, যে শ্রমিকের ঘামে আমাদের শিক্ষার প্রদীপ জ্বলে, তাকেই আমরা অশিক্ষিত বলে অবজ্ঞা করি। অথচ তার জীবনবোধ, শ্রমের শৃঙ্খলা, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই এবং দায়িত্ববোধের কাছে আমাদের অনেক তথাকথিত শিক্ষিত মানুষের শেখার আছে। তিনি হয়তো ইংরেজিতে জীবনবৃত্তান্ত লিখতে পারেন না, কিন্তু জীবনের যে কঠিন পরীক্ষায় প্রতিদিন উত্তীর্ণ হন, তার কোনো জিপিএ আমাদের সনদে লেখা নেই।পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য শুধু সমাবর্তনের ছবি, পদকের ঝলক কিংবা বিসিএসের সুপারিশের সংখ্যায় মাপা যায় না। মাপতে হবে গবেষণার মানে, উদ্ভাবনে, কর্মক্ষেত্রে দক্ষতায়, নাগরিক দায়িত্ববোধে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে এর অবদানে।আমাদের আত্মসমালোচনা আত্মঅপমান নয়; এটি দায়বদ্ধতার প্রথম পাঠ। ডিগ্রি অর্জন ব্যক্তিগত সাফল্য, কিন্তু সেই ডিগ্রির পেছনে জনগণের বিনিয়োগ একটি সামাজিক আমানত। সেই আমানতের প্রতিদান দিতে না পারলে আমাদের অহংকারের মুকুট আসলে দায়মুক্তির মুখোশ ছাড়া কিছুই নয়।রাষ্ট্র আমাদের শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছিল, আমরা কি মানুষ হওয়ার দায়িত্ব পালন করেছি? জনগণ আমাদের পেছনে অর্থ বিনিয়োগ করেছিল মানুষ তৈরির আশায়; আমরা যদি কেবল সার্টিফিকেট তৈরি করি, তবে সমাবর্তনের আলোকসজ্জা যতই ঝলমলে হোক, তার আড়ালে যোগ্যতার জানাজাই অনুষ্ঠিত হবে।রাষ্ট্র মানুষ চেয়েছিল, আমরা সার্টিফিকেট হয়ে ফিরেছি—এই আত্মজিজ্ঞাসার উত্তর খুঁজে পাওয়ার দিনই হবে আমাদের প্রকৃত সমাবর্তন।(লেখকের নিজস্ব মত)[লেখক: গণমাধ্যমকর্মী]

Sangbad • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:18 AM
0
• 0 min read
Sports

সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট এল-সাইয়েদকে নয়, রিপাবলিকান রজার্সকে সমর্থন স্টিভেনসের

মিশিগান সিনেট নির্বাচনের দুই দিন আগে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেনস নিজ দলের প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদকে বাদ দিয়ে রিপাবলিকান মাইক রজার্সকে সমর্থন দিয়েছেন।

Inqilab • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:17 AM
0
• 0 min read
Bangla

শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে চাই কার্যকর উদ্যোগ

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গতকাল গাজীপুরের সফিপুর ও রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেছেন শ্রমিকেরা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও হয়েছে শ্রমিকদের। ভাঙচুর ও যান চলাচল বন্ধের কারণে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কোনো কোনো কারখানায় শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।মজুরি বাড়ানোর দাবিতে বেশ কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন। শ্রমিকরা বলছেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, বাড়িভাড়া, খাবারসহ প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সেই তুলনায় তাদের আয় বাড়েনি। ফলে স্বল্প আয়ের শ্রমিকদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের ন্যায্য মজুরির দাবি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।সংশোধিত শ্রম আইনে শিল্প খাতের শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণের সময় পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি ইতিবাচক উদ্যোগ।তবে শুধু বোর্ড গঠন করলেই দায়িত্ব শেষ হবে না। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আস্থায় নিয়ে বোর্ডকে কাজ করতে হবে। মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিতে হবে। মজুরি নির্ধারণে দীর্ঘসূত্রতা করা যাবে না। দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান এই শিল্পে এমন অস্থিরতা কারও জন্যই ভালো নয়।সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর কিংবা কারখানায় হামলা কোনো সমস্যার সমাধান নয়। এতে শ্রমিকদেরই কর্মসংস্থান ও আয় ঝুঁকিতে পড়ে। উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হলে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন প্রয়োজনের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ না করে সেটা নিশ্চিত করতে হবে।শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি এবং শিল্পের স্থিতিশীলতা পরস্পরের বিরোধী নয়। বরং একটির সঙ্গে অন্যটি জড়িত। মালিক, শ্রমিক ও সরকারকে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানে পৌঁছাতে হবে। শ্রমিকের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত না করে শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

Sangbad • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:17 AM
0
• 0 min read
Bangla

রক্তদাতা মিলছিল না, মুমুর্ষ রোগীর জীবন বাঁচাতে নিজেই রক্ত দিলেন চিকিৎসক

রোগীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন হলেও স্বজনদের চেষ্টায় মিলছিল না কোনো রক্তদাতা। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে এসে নিজেই রক্ত দিয়ে রোগীর জীবন রক্ষায় সহায়তা করেন এক চিকিৎসক। মানবিক এ উদ্যোগ নিয়েছেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)

AmarSangbad • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:16 AM
0
• 0 min read
Bangla

এইচএসসির ফলে ধস, শিখনব্যবস্থার দুর্বলতা দূর করতে হবে

এবারের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার ফল দেশের শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলো নতুন করে সামনে এনেছে। পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত ২২ বছরের মধ্যে এ হার সর্বনিম্ন। গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে প্রায় ২৯ হাজার। এমন ফল অবশ্যই উদ্বেগের। কেন এতসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলো, তা খুঁজে বের করা জরুরি।

Sangbad • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:16 AM
0
• 0 min read
Bangla

মোটরসাইকেল ভেদে পরিবর্তন করা যাবে সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা, বিধি মালা সংশোধন

২০২২-এর ৩৬ নম্বর বিধি সংশোধন করে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নিবন্ধন নম্বর প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি একটি অনুভূমিক রেখায় লেখার অনুমতি দিতে পারবে বিআরটিএ। মোটরসাইকেলের নকশা অনুযায়ী একাধিক মাপের বিপরীতমুখী আলো প্রতিফলক নম্বরপ্লেট ব্যবহারের অনুমতিও দিতে পারবে সংস্থাটি।

Ajkerpatrika • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:14 AM
0
• 0 min read
Bangla

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, উপকূলে আঘাতের শঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের জন্য উদ্বেগ তৈরি করেছে। রোববার (১ নভেম্বর) নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।

KholaKagoj • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:13 AM
0
• 0 min read
Entertainment

ডেমরায় মাদ্রাসা আবু হুরায়রা রা. এর ৭০ জন হাফেজে কোরআনের পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান

রাজধানীর ডেমরার ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় নৈতিক শিক্ষার স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা আবু হুরায়রা রা. এর প্লে-পঞ্চম শ্রেণীতে জেনারেল সহ ৭০ জন হাফেজে কোরআন সেলিব্রেশন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ৩১ অক্টোবর সকাল ১০ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত জমকালো

GonoKantho • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:11 AM
0
• 0 min read
Bangla

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শেষ ধাপের কার্যক্রম শুরু আজ

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির তৃতীয় ও শেষ ধাপের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ সোমবার (২ নভেম্বর)। এ প্রক্রিয়া চলবে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পর্যন্ত।

Bd-Pratidin • 21 Hours, Nov 2, 2026 9:11 AM
0
• 0 min read
Wed ☀️ 31°
Thu ⛅ 30°
Fri 🌧️ 28°
Sat ⛅ 29°
Sun ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper