Bangla
Top Stories
Bangla
‘পাসের হার কম, এটা নিয়ে কিছু বলার নেই’
গ্রামে চাঁদা তুলে খেলার মাঠ ক্রয়, আরও জমি দিচ্ছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
গ্রামের শিশু-কিশোরদের খেলার মাঠের জন্য ৬০ শতাংশ জমি কিনেছেন বাসিন্দারা। এবার তাঁদের সেই উদ্যোগের পাশে দাঁড়াচ্ছে সরকার। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাবুপুর গ্রামে কেনা মাঠের পাশের আরও ৬০ শতাংশ জমি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কিনে গ্রামবাসীকে উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল
বরিশালে চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল কর্মী গ্রেফতার
বরিশালের গৌরনদীতে চাঁদাবাজির মামলায় জামান শরীফ (৩৫) নামের এক যুবদল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে গৌরনদী
এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা!
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ আগামী ২ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন সাপেক্ষে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং আগামী ৩১ ডিসেম্বর ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।\r\n\r\nশনিবার (৩১ অক্টোবর)
সউদী আরবের ওপর হামলায় কি রুশ স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে হুতিরা?
ইরানের সাথে আমেরিকার চলমান যুদ্ধের আবহে তৈরি করা একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উন্মোচিত হয়েছে যে, সউদী আরবের সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালাতে ইরানের মিত্র হুতিদের সহায়তা করছে রাশিয়ার
‘ইংরেজি ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ফেলের হার সবচেয়ে বেশি’
জেনে নিন এইচএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের বিস্তারিত নিয়ম
১ নভেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন শুরুপ্রতিটি পত্রের জন্য ফি নির্ধারণ ১৫০ টাকাফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষার বড় সুযোগপ্রকাশিত হয়েছে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল। এতে প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন এবং পাশাপাশি অসংখ্য শিক্ষার্থীর প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল অর্জন সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট বা সংক্ষুব্ধ, তারা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন।বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির দেওয়া তথ্যমতে, পরীক্ষার্থীরা রবিবার (১ নভেম্বর) থেকে অনলাইনে এ আবেদন করতে পারবেন এবং আবেদনপ্রক্রিয়া আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে এবার ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।অনলাইনে আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি বিস্তারিত নিয়ম ঘোষণা করেছে। পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট ঘরে পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে ড্রপডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করে একটি সচল মোবাইল নম্বর প্রদান করতে হবে, যেখানে পরবর্তীতে পুনর্নিরীক্ষণের চূড়ান্ত ফলাফল এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল প্রদর্শিত হবে। যে যে বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। প্রতিটি পত্রের জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা এবং দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রেরই আবেদন নিশ্চিত করতে হবে। ফির পরিমাণ নিশ্চিত হওয়ার পর বিকাশ, নগদ, ডিবিবিএল রকেট, উপায় কিংবা সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নির্দেশনার জন্য পোর্টালে ‘হেল্প’ অপশন রাখা হয়েছে। পরিশেষে ফি পরিশোধ করে পুনরায় আবেদন পোর্টালে ফিরে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করলেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।বিজ্ঞপ্তিতে বিষয় যুক্ত করা ও পরিমার্জনের কড়া নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। ফি পরিশোধ করে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরও নতুন কোনো বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একই পদ্ধতিতে তা করা যাবে, তবে এক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। ফি পরিশোধের পূর্বে আবেদন পরিবর্তন বা ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয় বাতিল করা গেলেও ফি জমা হওয়ার পর আর তা সংশোধনের সুযোগ থাকবে না এবং পরিশোধিত ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরত দেওয়া হবে না।চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন।এ বিষয়ে আশার কথা শুনিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, ফেল করা পরীক্ষার্থীদের আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।তিনি বলেন, যে শিক্ষার্থী যে কয়টি বিষয়ে ফেল করেছেন, তাদের ফেল করা বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
পুঁজিবাজারে মূলধনি মুনাফায় কর অব্যাহতি চায় ডিবিএ
তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতি চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে জোরালো দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।দেশে দিন দিন পড়তে থাকা পুঁজিবাজারে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা, বাজারে কাঙ্ক্ষিত লেনদেন ও তারল্য বৃদ্ধি করা এবং সর্বোপরি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ব্যক্তি ও প্রবাসী কিংবা বিদেশি বিনিয়োগকারীদে...
নটর ডেম কলেজে নেই সেই চিরচেনা উৎসব, পাসের হার ৯৮.৮৩%
প্রতিবছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকে উৎসবমুখর পরিবেশ। চিৎকার-চেঁচামেচি, উচ্ছ্বাস, একে অন্যকে জড়িয়ে ধরা, ছবি তোলা আর সেলফিতে ব্যস্ত সময় কাটান শিক্ষার্থীরা।
ফুলবাড়ীতে চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গরু চোর সন্দেহে রুহুল আমিন (৩৫) নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন
কারিগরির ভোকেশনাল ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর
সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনপত্র বিতরণ ও গ্রহণ আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া চলবে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ ৬ ঘণ্টা পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিক বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষের ৬ ঘণ্টা পর ঢাৃকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।\r\n\r\nশনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর থেকে জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর, পল্লীবিদ্যুৎ ও হরিণহাটিসহ আশপাশের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা ন্যূনতম ৩০
মধুমতীর তীব্র ভাঙন, ঝুঁকিতে ৩০০ পরিবার
শরিফুজ্জামান লোহাগড়া (নড়াইল)নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আমডাঙ্গা এলাকায় মধুমতী নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নদীভাঙনে দীর্ঘ হচ্ছে, সর্বস্বান্ত হচ্ছে নদীপাড়ের মানুষ। চলতি বছরে নদীতে বিলীন হয়েছে শতাধিক বসতবাড়ি, একটি মসজিদ, কয়েক শ’ একর ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরো অন্তত ৩০০ পরিবার ও আমডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গ্রামের পাকা সড়ক। নদীভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে অস্থায়ীভাবে প্রতিরোধের চেষ্টা চালালেও তাতে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ভাঙন থেকে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রায় দ্রুত স্থায়ী তীররা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। গতকাল সোমবার সরেজমিন দেখা যায়, লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের আমডাঙ্গা এলাকায় মধুমতী নদীর উত্তর পাড়জুড়ে ভাঙনের চিহ্ন। নদীর পাড় থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ গজ দূর পর্যন্ত নদীর মধ্যে বিভিন্ন স্থানে নারকেল, সুপারি ও কলাগাছের আগা দেখা যাচ্ছে। তীব্র স্রোতে দুলছে এসব গাছের ডালপালা। একসময় যেখানে ছিল মানুষের বসতভিটা, উঠান ও গাছপালা, সেখানে এখন নদীর পানি। ভিটেমাটি হারানো মানুষের বসতির শেষ চিহ্ন হয়ে আছে বিচ্ছিন্ন কিছু গাছপালা ও উঠানের অবশিষ্টাংশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনের কারণে আমডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গ্রামের পাকা সড়কও হুমকির মুখে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। তবে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙনের ভয়াবহতার তুলনায় এ উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে নদীতে স্রোত বাড়ার সাথে সাথে ভাঙনও তীব্র হয়ে ওঠে। গত এক দশকে অব্যাহত ভাঙনে শত শত একর ফসলি জমি, অসংখ্য বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। এতে এলাকার অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চলতি মৌসুমেও প্রায় দুই মাস ধরে অব্যাহতভাবে ভাঙছে নদী। আমডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা বাপ্পি শেখ বলেন, প্রতি বছরই আমাদের নদীভাঙনের কবলে পড়তে হয়। চলতি মৌসুমেও দুই মাসের বেশি সময় ধরে ভাঙন চলছে। একই গ্রামের অহিদ মুন্সি বলেন, এ বছর নদী আমার ভিটেমাটি গিলে খেয়েছে। তিন বছরে আমার বাড়ি দুইবার ভেঙেছে। এ বছর আমার মতো এলাকার অন্তত ১০০ পরিবারের বসতভিটা নদীতে চলে গেছে। ইনসান মোল্লা নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, নদীভাঙনে বসতবাড়ি ও ফসলি জমির পাশাপাশি ধর্মীয় স্থাপনাও হারিয়েছে। মুনছুর মোল্লা বলেন, গত সপ্তাহে এলাকার বড় একতলা মসজিদটি চোখের সামনে নদীতে চলে গেল। আমরা কিছুই করতে পারলাম না। চলতি মৌসুমে আমডাঙ্গা গ্রামের হাবিবুর মোল্লা, মুরাদ মোল্লা, সামচুন্নাহার বেগম, রেখা খানম, ইলু ভেন্ডার ও শহিদুল মোল্লাসহ অন্তত ১০০ পরিবারের বসতভিটা, গাছপালা এবং অসংখ্য ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অভিজিৎ সাহা বলেন, বালু উত্তোলনের ফলে নদীভাঙন বাড়ছে। আমডাঙ্গা এলাকায় ভাঙন প্রতিরোধে এক হাজার ৭০০ মিটার স্থায়ী তীররক্ষা প্রকল্প প্রণয়ন করে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেলে এলাকায় স্থায়ী তীররক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে।
উত্তীর্ণ সবাই ভর্তি হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাঁকা থাকবে ৭ লাখ আসন: শিক্ষামন্ত্রী
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব শিক্ষার্থী দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হলেও প্রায় ৭ লাখ আসন খালি পড়ে থাকবে।
অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপ তিনদিনের মধ্যে জানানো হবে
চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী। ফেল করা...
রফতানি আয়ে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রেমিট্যান্স ৫ মাসে ৩ বিলিয়নের নিচে
দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) পণ্য রফতানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ বেড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এ প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি তৈরী পোশাক খাত। অন্য দিকে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে প্রবৃদ্ধি থাকলেও টানা পাঁচ মাস ধরে মাসিক রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে। এতে বাড়তি আমদানি ব্যয়ের বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রার জোগান নিয়ে নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির অর্থ পরিশোধের চাহিদা বাড়ায় ডলারের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-অক্টোবর সময়ে দেশের মোট পণ্য রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ১৭ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল এর চেয়ে প্রায় ৬ শতাংশ কম। রফতানি আয়ের বড় অংশ এসেছে তৈরী পোশাক খাত থেকে। এ সময়ে নিটওয়্যার রফতানি ৭ শতাংশ বেড়ে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার এবং ওভেন পোশাক রফতানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।দুই খাত মিলিয়ে রফতানি আয় হয়েছে ১৩ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার, যা দেশের মোট পণ্য রফতানির প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ। সামগ্রিক রফতানি প্রবৃদ্ধিতে এ দুই খাতের অবদান প্রায় ৮১ শতাংশ। অর্থাৎ রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও তা এখনো মূলত তৈরী পোশাকশিল্পনির্ভর।পোশাকের বাইরে কয়েকটি খাতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৩৮৩ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ; আয় দাঁড়িয়েছে ৪৬৪ মিলিয়ন ডলার। রাসায়নিক পণ্যের রফতানি বেড়েছে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ, যার পরিমাণ ১৫৭ মিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া হোম টেক্সটাইল ও জুতা রফতানি যথাক্রমে ৭ দশমিক ৪ ও ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।তবে সব খাতের চিত্র ইতিবাচক নয়। কৃষিপণ্য রফতানি ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ ১০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং তুলা ও তুলাজাত পণ্যের রফতানি ১০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। ফলে রফতানি বহুমুখীকরণে অগ্রগতি থাকলেও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের দুর্বলতা স্পষ্ট।অন্য দিকে রেমিট্যান্সের প্রবাহেও প্রবৃদ্ধি রয়েছে, তবে প্রত্যাশিত মাত্রায় বৈদেশিক মুদ্রার জোগান বাড়ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই মাসের তুলনায় এটি ১২ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। কিন্তু চলতি বছরের জুন থেকে টানা পাঁচ মাস মাসিক রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে।চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-৩১ অক্টোবর) দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১ দশমিক ৪৬৫ বিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১০ দশমিক ১৪৯ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এ সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩১৬ বিলিয়ন ডলার বা ১৩ শতাংশ।রেমিট্যান্সের প্রবাহে প্রত্যাশিত গতি না থাকার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবের কথা বলছেন সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যক্তিরা। তাদের মতে, এ সঙ্ঘাতের কারণে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয় ও দেশে অর্থ পাঠানোর সক্ষমতা প্রভাবিত হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর হওয়ায় এ অঞ্চলের অস্থিরতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।এ দিকে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ডলারের চাহিদা বাড়ছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির অর্থ পরিশোধে বাড়তি বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দরও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের ভারিত গড় বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২৪ টাকা ৩০ পয়সা। আগের দিন এ হার ছিল ১২৩ টাকা ৯৯ পয়সা।অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের দৃষ্টিতে, রফতানি ও রেমিট্যান্স- দুই প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের উৎসে প্রবৃদ্ধি থাকাটা স্বস্তির বিষয়। তবে আমদানি ব্যয়, বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির চাপ বাড়লে এ প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।সামগ্রিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সঙ্কেত দিলেও এর বড় অংশ তৈরী পোশাক খাতের ওপর নির্ভরশীল। পাশাপাশি রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়লেও টানা পাঁচ মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করতে না পারা এবং আমদানি ব্যয়ের চাপ বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য নিয়ে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। এ অবস্থায় রফতানি বহুমুখীকরণ, নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, প্রবাসী আয় পাঠানোর আনুষ্ঠানিক চ্যানেল আকর্ষণীয় করা এবং জ্বালানি আমদানির ব্যয় ব্যবস্থাপনা- সব কটিই বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ফল নিয়ে উদ্বিগ্ন, খাতা মূল্যায়নের প্রক্রিয়া পর্যালোচনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ত্রুটি বা অসংগতি হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি তিনি। তবে পুনর্নিরীক্ষণের পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়া নতুন করে পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। মূল্যায়নে বড় ধরনের গরমিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের শাস্তির আওতায় আনা হবে বলেও জানান।
মার্কিন নাগরিকত্ব ছাড়ার হিড়িক, রেকর্ড ছুঁইছুঁই সংখ্যা
চলতি বছরের প্রথম নয় মাসেই রেকর্ড স্পর্শ করার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগের ঘটনা। এ সময়ে হাজার হাজার মার্কিন নাগরিক স্বেচ্ছায় নিজেদের নাগরিকত্ব কিংবা স্থায়ী বাসিন্দার অধিকার বর্জন করেছেন।
আমাদের দাবি আদায়ে একদফার ডাক আসতে পারে: জামায়াত আমির
গণভোটের গণ রায় বিএনপিকে বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির। ১১ দলের লংমার্চে হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষ একাত্মতা প্রকাশ করছে জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের গণ রায়ের সঙ্গে গাদ্দারি চলবে না। কোনো ধানাইপানাই চলবে না।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.