আলোর পথে ৭০ চরমপন্থি
Bangladesh

আলোর পথে ৭০ চরমপন্থি

একসময় সর্বহারা ও চরমপন্থিদের অবাধ বিচরণে আতঙ্কের জনপদে পরিণত হওয়া সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলা থেকে আরও ৭০ জন সদস্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে যাচ্ছেন।রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১২-এর প্রধান কার্যালয়ে এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে এসআরবি-১২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আতিকুর রহমান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৭০ জন চরমপন্থি সদস্য অপরাধের পথ ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করবেন। আইনগত প্রক্রিয়ার পাশাপাশি আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এসআরবি মিডিয়া সেল জানায়, রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সমাজকল্যাণবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এসআরবি মহাপরিচালক আহসান হাবিব পলাশ। অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও এসআরবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে মার্কস-লেলিন ও মাওবাদী আদর্শের নামে বিভিন্ন সময় ১৪টি চরমপন্থি সংগঠন সক্রিয় ছিল। এর মধ্যে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল-লাল পতাকা), পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টি (এমবিআরএম) ও পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টি (জনযুদ্ধ) অন্যতম।১৯৬৮ সাল থেকে এসব সংগঠনের তৎপরতা শুরু হয় এবং আশি ও নব্বইয়ের দশকে তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। সে সময় চাদাবাজি, ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখে তারা। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে দলগুলো উপদলে বিভক্ত হয়ে পারস্পরিক সংঘাত বাড়ায়।তবে সময়ের ব্যবধানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান ও ধারাবাহিক পুনর্বাসন উদ্যোগে চরমপন্থিরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করে। এর আগে ১৯৯৮ সালে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের কাছে শতাধিক চরমপন্থি সদস্য অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল পাবনায় ৫৯৬ জন এবং ২০২৩ সালের ২১ মে সিরাজগঞ্জে র‌্যাবের (তৎকালীন) কাছে ৩২৩ জন চরমপন্থি আত্মসমর্পণ করেন।সেই ধারাবাহিকতায় এবার সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর মাধ্যমে আরও ৭০ জন চরমপন্থি অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন।

Sangbad • 4 Days, Oct 31, 2026 9:03 PM
0
• 0 min read
World

রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ফের হামলা ইউক্রেনের, ক্ষোভ প্রকাশ ট্রাম্পের

সাময়িক বিরতির পর রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে আবারও ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইউক্রেন। শুক্রবার ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই হামলায় রাশিয়ার তিনটি তেল শোধনাগার এবং একটি গ্যাস রাসায়নিক কমপ্লেক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।

Inqilab • 4 Days, Oct 31, 2026 9:02 PM
0
• 0 min read
Bangla

বরিশাল বোর্ডে সেরা পিরোজপুর জেলা

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ৬ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশী পাশ করেছে পিরোজপুরে। জেলায় পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৫। এ হিসেবে বোর্ডের পাসের হারে শীর্ষ পিরোজপুর জেলা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে বরিশাল ও বরগুনা জেলা।

Samakal • 4 Days, Oct 31, 2026 9:01 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

খুলনার ৬ কলেজে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করেননি। যার মধ্যে খুলনায় রয়েছে ৬টি কলেজ। যশোর বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার খুলনার শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মডেল মহিলা কলেজ (৩), ইনডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ (১১), খুলনার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির (৩), কয়রা শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২৭), কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস কলেজ (১) ও খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১২)। এর মধ্যে খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির কলেজটি থেকে ২০২৫ সালে ৫ জন পরীক্ষা দিয়েও কেউ পাস করেনি। এ বিষয়ে বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন বলেন, ২০২৫ সালে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:01 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

নেত্রকোণায় পাসের চেয়ে ফেল বেশি

নেত্রকোণায় এইচএসসি ২০২৬ সালের পরীক্ষার ফলাফলে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের চারটি কলেজ এবং একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর সব পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসের ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, নেত্রকোণা জেলার ১০টি উপজেলায় এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩৭২৪ জন। যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৮৪৮ জন ও অকৃতকার্য হয়েছে ৭৮৭৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭০ জন শিক্ষার্থী। জেলায় সর্বোচ্চ পাসের হার ধরে রেখেছে নেত্রকোণা সদর উপজেলা। এখানে পাসের হার ৫১ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বাগাতিপাড়ায় ৩ কলেজে পাস করেননি কেউ

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান ৩টিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ জন। তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার চিথলিয়া হাইস্কুল অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ জন। তাদের মধ্যে কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অন্যদিকে বাগাতিপাড়া পৌর মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে একজন এবং তমালতলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে দু’জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এই দুই প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। এ নিয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলার ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামসুল ইসলাম বলেন, ‘ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Bangla

ইনানীতে জ্বলছে গ্যাস : সম্ভাব্য ক্ষেত্রে অনুসন্ধান নেই

বাংলাদেশ ধুঁকছে গ্যাস সঙ্কটে। সরবরাহ বিঘ্ন ঘটায় প্রতিনিয়ত ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে গৃহস্থালি কর্মে। কল-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসাবাণিজ্যের বিস্তার, শিল্প উৎপাদন অনেকাংশে গ্যাসের অভাবে থমকে আছে। বাইরে থেকে আমদানির রাস্তা সহজ করে সময়মতো সরবরাহ লাইন প্রতিষ্ঠা করাও হয়নি। দেশের অভ্যন্তরে থাকা সম্ভাব্য গ্যাসক্ষেত্রও অনুসন্ধান করা হয়নি। একই সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলো সীমান্তের পাশে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে। সেসব ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশেও রফতানি করছে দেশগুলো। আমাদের দেশে ঘটছে এর সম্পূর্ণ বিপরীত। সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোতে অবলীলায় গ্যাস নিঃসরণ হচ্ছে। আদৌ সেগুলোতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস আছে কি না সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত অনুসন্ধান চালানো হয়নি। কক্সবাজারের উখিয়ায় এমন একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ২৭ অক্টোবর থেকে টানা আগুন জ্বলছে। উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানীতে একটি নলকূপ খননের সময় আগুনের সূত্রপাত। এক হাজার ফুট গভীরে খননের পর গ্যাস বের হতে শুরু করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞরা। গ্যাস নির্গমনের ধরন, অগ্নিশিখার বৈশিষ্ট্য ও আশপাশের ভূতাত্ত্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন তারা। অগ্নিশিখা দেখে তারা অনুমান করছেন, এতে তেলের উপস্থিতিও থাকতে পারে।ইনানীর আগুনের ঘটনাটি এ এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এর পাশে মিয়ানমার বেশ কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে। এগুলোতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুদ আছে ছয় ট্রিলিয়ন ঘনফুট। বাংলাদেশে গ্যাসের বার্ষিক চাহিদা এক ট্রিলিয়ন ঘনফুট। সেই হিসাবে পাশেই মিয়ানমারের গ্যাসক্ষেত্রের মজুদ গ্যাস দিয়ে বাংলাদেশ ছয় বছর চলতে পারে। অথচ একই ধরনের সম্ভাবনা থাকার পরও একই অঞ্চলে বাংলাদেশ কোনো কার্যকর অনুসন্ধান চালায়নি। মিয়ানমার এ গ্যাস পাইপলাইনে চীনে রফতানি করছে। অন্য দিকে গ্যাসের অভাবে আমাদের অর্থনীতি বড় আকারে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।যদিও ইনানীতে টানা ভূগর্ভের গ্যাস নিঃসরণে এটি প্রমাণিত নয় যে, সেখানে নিশ্চিত ব্যবহারযোগ্য গ্যাস ও তেল আছে। কিন্তু বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের সামনে জোরালো প্রশ্ন ছুড়ে মারছে যে, কেন সম্ভাব্য জায়গায় সময়মতো অনুসন্ধান চালানো হয়নি। মিয়ানমার সেখানে ২০০৪ সালে অনুসন্ধান শুরু করে। ২০১৩ সালে ক্ষেত্রগুলো থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন সম্ভব হয়। অথচ এ সময়ে আমরা গ্যাস আমদানির রাস্তা প্রশস্ত করেছি। এমনকি আমদানির পেছনে অন্যতম লক্ষ্য ছিল দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ হাতিয়ে নেয়া। সে কারণে দেশ এখন জ্বালানির বড় বিপর্যয়ে পড়েছে। দেশীয় পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি বাপেক্স অনেকটা অকার্যকর করে রাখা হয়েছে। পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা রেজিমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়নি।বঙ্গোপসাগর ও এর উপকূলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে মিয়ানমার ও ভারতের থেকে আমরা ইতোমধ্যে দুই দশক পিছিয়ে পড়েছি। এখন যত দ্রুত সম্ভব পুরো অঞ্চলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশী কোম্পানির মাধ্যমে অনুসন্ধান চালাতে হবে। ধারাবাহিক ভূতাত্ত্বিক জরিপ চালাতে হবে। ত্রিমাত্রিক সিসমিক জরিপ এবং অনুসন্ধানী কূপ খনন করে তেল-গ্যাসের মজুদ আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। বিলম্ব হলেও আর বসে থাকার সময় নেই। জ্বালানির উচ্চ চাহিদার জোগান মেটাতে নিজস্ব তেল-গ্যাস সর্বোত্তম হতে পারে।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Bangla

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে আইইইই’র আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

Bd-Pratidin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বরিশালে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নিজ হাতে ঘাস কাটলেন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক

জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার অংশ হিসেবে বরিশাল নগরীর ৩০ গোডাউন এলাকার ‘সেলফি রোড’-এ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ ও জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার।

AmarDesh • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Bangla

কালীগঞ্জে আমলকী চাষে নতুন সম্ভাবনা

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) সংবাদদাতা ভেষজ ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ দেশীয় ফল আমলকী চাষে গাজীপুরের কালীগঞ্জে নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ বছর ফলন ভালো হওয়ায় খুশি কৃষকরা। বাজারে চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় আমলকী চাষে এবার চাষিদের আগ্রহও বাড়ছে। কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার উত্তরাঞ্চলে প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে আমলকীর চাষ হয়েছে। সংরক্ষণ ও বিপণনব্যবস্থার উন্নয়ন হলে এ ফল চাষে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আরো বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে কাঁচা আমলকির পাশাপাশি শুকনো আমলকী, আচার, মোরব্বা ও গুঁড়া বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা আমলকী ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শুকনো আমলকীর দাম আরো বেশি। ভেষজ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও গ্রামাঞ্চল থেকে পাইকারি দামে আমলকী কিনে নিয়ে যাচ্ছে।সরেজমিন উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের দেওতলা গ্রামের এক আমলকী বাগানে গিয়ে দেখা যায়, গাছগুলোতে প্রচুর ফল ধরেছে। বাগানের মালিক সেবক পাল জানান, প্রায় পাঁচবিঘা জমিতে তার ছোটবড় ২৫০টি আমলকী গাছ রয়েছে। এ বছর ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় ইতোমধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টাকার আমলকী বিক্রি করেছেন। বাগানে থাকা অবশিষ্ট ফল আরো প্রায় পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।সেবক পাল বলেন, আমলকী গাছের তেমন বেশি পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। সামান্য যতেœই ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। তবে সরকার সংরক্ষণ ও বিপণনে সহায়তা করলে কৃষকরা আরো লাভবান হবে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের গাজীপুর সদরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: সাইদুর রহমান বলেন, এ অঞ্চলে আমলকী চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে। রোগবালাইয়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম হওয়ায় গাছের পরিচর্যাও কম লাগে। উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। সংরক্ষণ ও বিপণনব্যবস্থার উন্নয়ন হলে আমলকী রফতানিযোগ্য সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য হয়ে উঠতে পারে।টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক চিকিৎসক মোছা: আলেয়া খাতুন বলেন, আমলকীতে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। এটি হজমে সহায়তা করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। ত্বক ও চুলের যতেœও ফলটি উপকারী।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 8:59 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীর্ষে সদর, তলানিতে কসবা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে উপজেলাভিত্তিক পাসের হারে বড়ো ব্যবধান ও চরম বিপর্যয় দেখা গেছে। জেলায় গড় পাসের হার অর্ধেকেরও কম

ShomoyerAlo • 4 Days, Oct 31, 2026 8:59 PM
0
• 0 min read
Bangla

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ শিশুর দাফন সম্পন্ন

পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নে বজ্রপাতে নিহত ছয় শিশু ও কিশোরের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মালিগাছার বাসুদেবপুর গোরস্থান মাঠে নিহতদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।নিহতরা হলেন-মালিগাছা ইউনিয়নের মমতাকুঞ্জু এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে শাওন (২৪), নলগিয়ার এলাকার ইসমাইল মোল্লার ছেলে রবিউল মোল্লা (২০), শাহজাহান প্রামাণিকের ছেলে মিজানুর রহমান (১০), নাজির উদ্দিনের ছেলে সাজিদ (১৪), শাহনাজুল ইসলামের ছেলে আবদুল্লাহ (১৮) এবং এবাদুলের ছেলে ইমদাদুল হক ইমন (১৪)। নিহত ছয়জনই পরস্পরের আত্মীয়।এর আগে গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে মালিগাছা ইউনিয়নের সোনাপাতি বিলের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শৌখিন মৎস্য শিকারিরা বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করতে যান। বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে আটজন বিলের একটি টিনের ছাউনির ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন গুরুতর আহত হন, যাদের মধ্যে দুটোর অবস্থা আশঙ্কাজনক।পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামান্না তাসমিন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে বজ্রপাতে নিহত ও আহতদের আর্থিক সহায়তা নীতিমালা অনুযায়ী নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা এবং আহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

Sangbad • 4 Days, Oct 31, 2026 8:59 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

উন্নত দেশগুলো শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারই করছে না, বরং নিজেরাই নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও তৈরি করছে। বাংলাদেশকেও সেই সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এ জন্য শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।শনিবার রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘বিএনএমপিসি ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভাল-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বিজ্ঞান কার্নিভালের বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত প্রকল্প পরিদর্শন করেন। পরে কার্নিভালের বিভিন্ন ইভেন্

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 8:58 PM
0
• 0 min read
Bangla

ছাগলনাইয়ায় এইচএসসির ফল বিপর্যয়: শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ, জবাবদিহি করবে কে?—মিরাজ হোসাইন

এম.এ. কাজী আজিম -ফেনী জেলা প্রতিনিধি:

SorejominBarta • 4 Days, Oct 31, 2026 8:58 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

এইচএসসি ফলাফলে ঝালকাঠির হতাশাজনক চিত্র, পাসের হার ৩৭ শতাংশ

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে ছয় জেলার মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে ঝালকাঠি। এ জেলায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাস করেছেন মাত্র ৩৭ দশমিক ০৯ শতাংশ

Inqilab • 4 Days, Oct 31, 2026 8:58 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

মাগুরায় এইচএসসিতে ফেল করা দুই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর মাগুরায় দুই শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরা সদর উপজেলার আমুড়িয়া ও নতুনগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পৃথক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা হলেন- বাপ্পি হোসাইন ও অনন্যা শিকদার। নিহত বাপ্পি...

Ittefaq • 4 Days, Oct 31, 2026 8:57 PM
0
• 0 min read
World

ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত ২৯০,০০০ মানুষ, চরম ঝুঁকিতে গর্ভবতী নারীরা: জাতিসংঘ

ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া তীব্র সংঘাতের ফলে দেশটির প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। যুদ্ধ এবং সহিংসতার এই নতুন ঢেউয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশেষ করে গর্ভবতী নারীরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকি ও মানবিক সংকটের মুখে পড়েছেন।

Inqilab • 4 Days, Oct 31, 2026 8:57 PM
0
• 0 min read
Bangla

রায়পুর উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের অসুস্থ শিক্ষকের পাশে দোয়া করেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বিএনপি নেতা বিল্লাল মুন্সি

নুর আহাম্মদ মিলন লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি

SorejominBarta • 4 Days, Oct 31, 2026 8:57 PM
0
• 0 min read
Bangla

চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স : জনবল ও শয্যা সঙ্কট দূর করুন

স্বাস্থ্যসেবা সঙ্কট মানুষকে অনেকটা অসহায় করে তোলে। বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়ে যখন কেউ চিকিৎসক ও শয্যা না পান তখন দুর্ভোগের অন্ত থাকে না। জীবন বাঁচানোর জন্য অনেক রোগী বাধ্য হয়ে হাসপাতালের মেঝেতে কিংবা বারান্দায় থেকে চিকিৎসা নেন। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও একই সমস্যা। প্রয়োজনীয় সংখ্যক শয্যা নেই। সীমিত শয্যা দিয়ে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। রোগীরা ভুগছেন চরমভাবে। তার ওপর আছে চিকিৎসক সঙ্কট। ফলে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। একটি সহযোগী দৈনিকের খবরে বলা হয়েছে, চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের ৩২টি অনুমোদিত পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১২ জন। এর মধ্যে দু’জন প্রশিক্ষণে এবং একজন ছুটিতে থাকায় মাত্র ৯ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে সেবা কার্যক্রম। বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৫০০-৬০০ রোগী সেবা নিতে আসেন। এর মধ্যে ৩০-৪০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এ ছাড়া জরুরি বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক রোগী আসেন। ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন ধারণক্ষমতার তিন গুণের বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছেন। শয্যা না পেয়ে বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে মেঝে ও বারান্দায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।গত বুধবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে দেশের প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ আর্থিক চাপে পড়ছে। শুধু ২০২২ সালেই এই ব্যয়ের কারণে ৭২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ সবচেয়ে বেশি পড়ছে দরিদ্র মানুষের ওপর। দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা নিয়ে এ অবস্থা সৃষ্টির অন্যতম কারণ সরকার তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পারছে না। ফলে বাধ্য হয়ে তারা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তাদের চিকিৎসা চালিয়ে নিচ্ছেন। চুনারুঘাট অন্য অনেক উপজেলার মতো সাধারণ কোনো উপজেলা নয়। এটি একটি পর্যটনবান্ধব উপজেলা। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি অনেকসময় পর্যটকদেরও এখানে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। এমন একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সবসময়ই পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও শয্যা থাকা দরকার। চিকিৎসাসেবার অপর্যাপ্ততা দূর করে সরকারকে প্রতিটি মানুষের চিকিৎসার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। শহরাঞ্চল বিশেষ করে জেলা শহরের হাসপাতালগুলোতেও চিকিৎসকের অভাব প্রকট নয়। যত সঙ্কট ইউনিয়ন কিংবা উপজেলা পর্যায়ে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে বছরের পর বছর ধরে চিকিৎসকের অভাব থেকেই যায়। নতুন নিয়োগ দেয়া হয় না। স্বাস্থ্য অধিদফতরের কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। ফলে সাধারণ জনগণকে বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালে বিপুল অর্থ ব্যয়ে চিকিৎসা নিতে হয়। এই অবস্থা কোনো সুস্থতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসার মতো গুরুতর বিষয়ে অবহেলার সুযোগ নেই। চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া এবং শয্যা সংখ্যা বাড়ানো দরকার, যাতে এলাকাবাসীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যায়। আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 8:57 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

জনগণের অধিকার ও ভাগ্যোন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে চাই: ইশরাক

জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, ভাগ্যোন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে আন্তরিকভাবে...

Ittefaq • 4 Days, Oct 31, 2026 8:57 PM
0
• 0 min read
Fri ☀️ 31°
Sat ⛅ 30°
Sun 🌧️ 28°
Mon ⛅ 29°
Tue ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper