চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রদলনেতার ছেলের এইচএসসি পাসের খবরে কমিটি বিলুপ্ত
Bangladesh

চুয়াডাঙ্গায় ছাত্রদলনেতার ছেলের এইচএসসি পাসের খবরে কমিটি বিলুপ্ত

স্থানীয় নেতা-কর্মীদের অভিমত, যদিও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণ দেখিয়ে কমিটি বিলুপ্তির কথা বলা হয়েছে, তবে বাস্তবতা হলো, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের খবরে তৈরি হওয়া বিতর্ক সামাল দিতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এছাড়া, জেলা কমিটি পুনর্গঠনে পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাদের দীর্ঘদিনের দাবিও এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব পেয়েছে।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:09 PM
0
• 0 min read
Bangla

ঢাকা-পঞ্চগড় রেল সঙ্কট ও সমাধান

বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলপথ হলো ঢাকা থেকে পঞ্চগড়। দূরত্ব প্রায় ৫৯৩ কিলোমিটার। এ পথে বর্তমানে তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে— একতা, দ্রুতযান ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস। পথ দীর্ঘ হওয়ায় বাসের তুলনায় মানুষ ট্রেনকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। কিন্তু এই ট্রেনযাত্রায় রয়েছে বেশ কিছু সমস্যা, যার অধিকাংশ তৈরি হয় কৃত্রিমভাবে। সদিচ্ছা থাকলে এসব সমস্যা সমাধান করে ট্রেনযাত্রা সম্পূর্ণ ভোগান্তিহীন ও আনন্দদায়ক করা সম্ভব।ট্রেনযাত্রা শুরু হয় টিকিট কাটার মাধ্যমে। কিন্তু ঈদ বা পূজার মতো বড় ছুটির সময়ে টিকিট কালোবাজারিরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ টিকিট কাটতে পারে না। অসাধু চক্র আগেই টিকিট কেটে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে এবং পরবর্তীতে চড়া দামে তা বিক্রি করে। এই সমস্যা সমাধানে এনআইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের ব্যবস্থা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে— যার নামে টিকিট, তিনি ছাড়া অন্য কেউ যেন যাতায়াত করতে না পারেন।ঢাকা-পঞ্চগড় যেহেতু দেশের দীর্ঘতম দূরত্বের ট্রেনযাত্রা, তাই ঘন ঘন ট্রেনের বিরতি দেয়া ঠিক নয়। ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ক্রসিং বাদে একতা এক্সপ্রেস ২২ বার, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ২৪ বার এবং পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ৯ বার বিরতি দেয়। এসব ট্রেনের বিরতি বা স্টপেজের সংখ্যা কমালে যাত্রার সময় অনেকটাই কমে আসবে, যা দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ের মানুষের ভোগান্তি অনেকাংশেই কমাবে।অনেক সময় দীর্ঘ বিলম্বের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায় এক লাইনের রেলপথ। একক রেলপথের কারণে ক্রসিংয়ের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটি স্টেশনে ট্রেন থামিয়ে রাখতে হয়। পুরো রেলপথকে ডাবল লাইনে (দ্বিমুখী) রূপান্তর করলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে এবং নতুন ট্রেন চালু করাও সম্ভব হবে।এ রুটের ট্রেনের কোচ বা বগিগুলোর অবস্থা বেশ নাজুক। একটি কোচে যত আসন থাকা উচিত, তার চেয়ে বেশি আসন বসানো হয়েছে। ফলে জানালার সাথে আসনের বিন্যাস অসঙ্গতিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অনেক আসনে বসে যাত্রীরা জানালার সুবিধা নিতে পারেন না। এ লাইনের প্রতিটি ট্রেনের পুরনো কোচ পরিবর্তন করে আধুনিক কোচ সংযোজন করা দরকার। সাধারণত প্রতিটি কোচে ১০৫টি আসন থাকে এবং অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি করা হয়। কিন্তু বাস্তবে নির্দিষ্ট সীমার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ কোচে চলাচল করে, যা ট্রেনের আরামদায়ক সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করে ফেলে। টিকিট ছাড়া ওঠা যাত্রীদের কাছ থেকে টিটিই বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা জরিমানা ছাড়া বা জরিমানাসহ টাকা আদায় করেন। যেকোনো উপায়ে ট্রেনে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ওঠা বন্ধ করতে পারলে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।ট্রেনে চলাচল করার সময় আরেকটি সমস্যায় পড়তে হয়। বর্তমানে ট্রেনটি ঠিক কোন জায়গায় অবস্থান করছে তা বোঝা যায় না। কিছু ট্রেনে পরবর্তী স্টেশন মাইকে ঘোষণা করা হলেও সব ট্রেনে তা নেই। মেট্রোরেলের মতো আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতেও যদি এলইডি স্ক্রিনে বর্তমান স্টেশন ও পরবর্তী স্টেশনের নাম প্রদর্শন করা হতো, তবে যাত্রীদের জন্য অনেক সুবিধা হতো।রেলযাত্রার আরেকটি বড় সমস্যা হলো হকার, ভিক্ষুক ও হিজড়াদের উৎপাত। এমনিতেই ট্রেনে আসন ও চলাচলের জায়গা থাকে না, তার ওপর এদের অবাধ বিচরণের কারণে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। অনেক সময় হিজড়ারা যাত্রীদের হেনস্তা করে টাকা আদায় করে। ট্রেনে অননুমোদিত ব্যক্তি বা হিজড়াদের চলাচল ও চাঁদাবাজি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা গেলে ভ্রমণ আরো স্বস্তিদায়ক হতো।দীর্ঘ দূরত্বের এই ট্রেনগুলোর প্রতিটি কোচের সামনে-পেছনে মিলিয়ে মোট চারটি শৌচাগার বা ওয়াশরুম থাকার কথা। কিন্তু প্রায় সব কোচেই দু’টি ওয়াশরুম সবসময় বন্ধ থাকে, আর বাকি দু’টি থাকে নানা সমস্যায় জর্জরিত। কোনোটিতে পানি নেই, কোনোটিতে লাইট নেই, আবার কোনোটির দরজা বন্ধ হয় না। এত দীর্ঘ ভ্রমণে ওয়াশরুম ব্যবহার করা অপরিহার্য। তাই বাংলাদেশ রেলওয়ের উচিত দ্রুততম সময়ে শৌচাগারগুলো পরিচ্ছন্ন ও ব্যবহার উপযোগী করা।রেলওয়ের ওয়েবসাইটে লেখা থাকে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় যেতে একতা এক্সপ্রেসের সময় লাগে ১০ ঘণ্টা ১০ মিনিট, দ্রুতযান এক্সপ্রেসের ১১ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট এবং পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের সময় লাগে ১০ ঘণ্টা। কিন্তু বাস্তবে লাগে তার চেয়ে অনেক বেশি। কোনো দিন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দুই থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত দেরি হয়। সময়মতো পৌঁছাতে না পারায় অনেক যাত্রীর জরুরি কাজ ভেস্তে যায়। বাংলাদেশ রেলওয়ের উচিত ট্রেনের সময়সূচির প্রতি কঠোর দৃষ্টি রাখা এবং সার্বিক ভ্রমণের সময় আরো কমিয়ে ট্রেনযাত্রাকে জনবান্ধব করা।লেখক : শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:08 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

দখল-দূষণে অস্তিত্ব হারাচ্ছে সিলেটের তোপখানার ছড়া

দীর্ঘদিনের অবহেলা, অবৈধ দখল ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে সিলেট নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তোপখানা ভূমি অফিসসংলগ্ন পশ্চিমের ছড়া। পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ সংকুচিত হয়ে পড়ায় ছড়াটি এখন অনেকটা ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:08 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, ফের ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন একটি নিম্নচাপ। ক্রমেই শক্তি সঞ্চয় করা এই নিম্নচাপটি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা

Inqilab • 4 Days, Oct 31, 2026 9:07 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বায়োগ্যাসের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাড়িতে

KholaKagoj • 4 Days, Oct 31, 2026 9:07 PM
0
• 0 min read
Sports

প্রতি ম্যাচে দুই দলেই খেলবেন আমিনুল হক

২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০১০ সালের এসএ গেমস- বাংলাদেশের ফুটবলের ইতিহাসে স্মরণীয় দু’টি সাফল্য। সেই দুই গৌরবময় অধ্যায়ের নায়কদের আবারো একসঙ্গে দেখা যাবে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে। আজ মুখোমুখি হবে ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়ন ও ২০১০ সালের এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী বাংলাদেশ দল। আগামী ৫ই নভেম্বর ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জাতীয় দলকে উৎসাহ জোগাতেই এই বিশেষ আয়োজন। তবে ম্যাচের বাড়তি আকর্ষণ, দুই দলের হয়েই মাঠে নামবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।২০০৩ ও ২০১০- দুই দলেরই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন গোলরক্ষক আমিনুল হক। এবার তার উদ্যোগেই সাবেক চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে এই প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ফুটবলের সোনালি দিনের তারকাদের একত্র করার পাশাপাশি বর্তমান জাতীয় দলকে অনুপ্রাণিত করাই

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:07 PM
0
• 0 min read
Sports

বোলারদের দাপটের দিনে মিঠুন-সোহানের সেঞ্চুরি

জাতীয় ক্রিকেট লীগে (এনসিএল) পঞ্চম রাউন্ডের প্রথম দিনে দাপট দেখালেন বোলাররা। তিন ম্যাচ মিলে উইকেট পড়েছে ২৫টি। আবহাওয়ার কারণে রাজশাহীতে ঢাকা-বরিশাল ম্যাচের প্রথম দিন মাঠে গড়ায়নি। গতকাল বোলারদের দাপুটে দিনে সেঞ্চুরি তুলে নেন খুলনার অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ও উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান। চতুর্থ রাউন্ডে ব্যাটারদের দাপটে অস্বস্তিতে ছিলেন বোলাররা। ওই রাউন্ডে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরিসহ মোট ছয় ব্যাটার সেঞ্চুরি করেন।খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় ময়মনসিংহ। আগে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানে টপঅর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায় খুলনা। ওপেনার এনামুল হক ৩, আরেক ওপেনার আজিজুল হাকিম ১ ও তিনে নামা সৌম্য সরকার ১৭ রানে সাজঘরে ফেরেন। পাঁচে নামা বাঁহাতি ব্যাটার আফিফ হোসেনকে নিয়ে ইনিংস মেরামত

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:06 PM
0
• 0 min read
Bangla

প্রযুক্তির যুগেও আইসিটি-ইংরেজিতে বড় ধাক্কা যে কারণে

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে মাত্র একটি বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৭০ শতাংশের ওপরে উঠতে পেরেছে। পাঁচটি বোর্ডে এই হার নেমে এসেছে ৫০-এর ঘরে (যশোর ৫৪.৯৫%, বরিশাল ৫৪.০৮%, দিনাজপুর ৫৬.০৫%, রাজশাহী ৫৬.০১%)। আইসিটিতে ছয়টি বোর্ডে পাসের হার ৭০%-এর ওপরে থাকলেও বাকি তিনটিতে তা ৬০-এর ঘরে আটকে গেছে।

Sangbad • 4 Days, Oct 31, 2026 9:05 PM
0
• 0 min read
Bangla

পা দিয়ে লিখেই আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর বিউটি

দুই হাত নেইজন্ম থেকেই দু’টি হাত নেই। তবে শারীরিক এই সীমাবদ্ধতা থামাতে পারেনি তার শিক্ষার অদম্য ইচ্ছাকে। পা দিয়ে লিখেই একের পর এক শিক্ষার সিঁড়ি পেরিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের বিউটি খাতুন। এবার তার স্বপ্ন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল জজ হওয়া। বিচারিক সেবা ও আইনি সহায়তার মাধ্যমে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান তিনি।বিউটি খাতুনের বাড়ি জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে। দরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান তিনি। বাবা বায়েজিদ হোসেন ও মা রহিমা খাতুনের দুই সন্তানের মধ্যে বিউটি ছোট। দুই হাত ছাড়াই জন্ম হয় তার। বড় ছেলে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। জন্মে

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:04 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বিকল্প সরকার হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত হতে বললেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি বলেছেন, বিরোধী দলকে কেবল নামেমাত্র সরকারের সমালোচনা করলে চলবে না বরং কার্যকর ও বিকল্প সরকার হিসেবে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। আপসহীন হতে হবে। অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চের অংশ হিসেবে যশোরে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশে হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করার মানসিকতা নিয়ে এগোতে হবে। শুধু লোকদেখানো বিরোধিতা নয় কোথাও কোনো অনিয়ম বা কারচুপি হলে তা শক্ত হাতে ও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।তিনি স্পষ্ট করে জানান, আপসকামী রাজনীতির দিন শেষ। কারচুপির ঘটনায় নমনীয় না হয়ে চোখে চোখে রেখে তার প্রতিবাদ জানাতে হবে। বিরোধী দলে থেকে কোনো ধরনের আপসকামিতা বা ছাড় দেওয়ার মানসিকতা জনগণ মেনে নেবে না।দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেবল চেয়ার পরিবর্তন বা নির্বাচনই যথেষ্ট নয়; বরং পিএসসি, নির্বাচন কমিশন এবং ব্যাংক খাতসহ রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোগুলোর আমূল সংস্কার করতে হবে। বর্তমান প্রশাসন ও রাষ্ট্রযন্ত্রের ফিটনেস ও ইঞ্জিন ঠিক না করলে দেশ সঠিকভাবে এগোতে পারবে না।ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্ম পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে রক্ত দিয়েছে। এই প্রজন্ম শুধু রক্ত দিয়েই ক্ষান্ত হবে না বরং নতুন বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবে। বেকারত্ব দূরীকরণ ও সঠিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করলে জনগণ ফের রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির, সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে সোচ্চার থাকার ঘোষণা দেন।

Sangbad • 4 Days, Oct 31, 2026 9:04 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

স্থানীয় সরকার নির্বাচন জামায়াত-এনসিপি আলাদাভাবে করবে: সারজিস

স্থানীয় সরকার নির্বাচন জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি নিজ নিজ অবস্থান থেকে করবে বলে জানিয়েছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম।

Ittefaq • 4 Days, Oct 31, 2026 9:03 PM
0
• 5 min read
Bangladesh

মান্দায় উৎসবমুখর পরিবেশে নয়াদিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নওগাঁর মান্দায় উৎসবমুখর পরিবেশে ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের পাঠকপ্রিয় জাতীয় দৈনিক নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:03 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

আলোর পথে ৭০ চরমপন্থি

একসময় সর্বহারা ও চরমপন্থিদের অবাধ বিচরণে আতঙ্কের জনপদে পরিণত হওয়া সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলা থেকে আরও ৭০ জন সদস্য স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে যাচ্ছেন।রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১২-এর প্রধান কার্যালয়ে এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে এসআরবি-১২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আতিকুর রহমান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৭০ জন চরমপন্থি সদস্য অপরাধের পথ ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করবেন। আইনগত প্রক্রিয়ার পাশাপাশি আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এসআরবি মিডিয়া সেল জানায়, রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সমাজকল্যাণবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এসআরবি মহাপরিচালক আহসান হাবিব পলাশ। অনুষ্ঠানে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও এসআরবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ীসহ উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে মার্কস-লেলিন ও মাওবাদী আদর্শের নামে বিভিন্ন সময় ১৪টি চরমপন্থি সংগঠন সক্রিয় ছিল। এর মধ্যে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (এমএল-লাল পতাকা), পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টি (এমবিআরএম) ও পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টি (জনযুদ্ধ) অন্যতম।১৯৬৮ সাল থেকে এসব সংগঠনের তৎপরতা শুরু হয় এবং আশি ও নব্বইয়ের দশকে তা ব্যাপক আকার ধারণ করে। সে সময় চাদাবাজি, ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রাখে তারা। পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে দলগুলো উপদলে বিভক্ত হয়ে পারস্পরিক সংঘাত বাড়ায়।তবে সময়ের ব্যবধানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান ও ধারাবাহিক পুনর্বাসন উদ্যোগে চরমপন্থিরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করে। এর আগে ১৯৯৮ সালে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের কাছে শতাধিক চরমপন্থি সদস্য অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল পাবনায় ৫৯৬ জন এবং ২০২৩ সালের ২১ মে সিরাজগঞ্জে র‌্যাবের (তৎকালীন) কাছে ৩২৩ জন চরমপন্থি আত্মসমর্পণ করেন।সেই ধারাবাহিকতায় এবার সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর মাধ্যমে আরও ৭০ জন চরমপন্থি অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন।

Sangbad • 4 Days, Oct 31, 2026 9:03 PM
0
• 0 min read
World

রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ফের হামলা ইউক্রেনের, ক্ষোভ প্রকাশ ট্রাম্পের

সাময়িক বিরতির পর রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে আবারও ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইউক্রেন। শুক্রবার ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই হামলায় রাশিয়ার তিনটি তেল শোধনাগার এবং একটি গ্যাস রাসায়নিক কমপ্লেক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।

Inqilab • 4 Days, Oct 31, 2026 9:02 PM
0
• 0 min read
Bangla

বরিশাল বোর্ডে সেরা পিরোজপুর জেলা

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ৬ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশী পাশ করেছে পিরোজপুরে। জেলায় পাসের হার ৫১ দশমিক ৫৫। এ হিসেবে বোর্ডের পাসের হারে শীর্ষ পিরোজপুর জেলা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে বরিশাল ও বরগুনা জেলা।

Samakal • 4 Days, Oct 31, 2026 9:01 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

খুলনার ৬ কলেজে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেননি

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করেননি। যার মধ্যে খুলনায় রয়েছে ৬টি কলেজ। যশোর বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার খুলনার শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মডেল মহিলা কলেজ (৩), ইনডিপেনডেন্ট আইডিয়াল কলেজ (১১), খুলনার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির (৩), কয়রা শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ (২৭), কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস কলেজ (১) ও খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১২)। এর মধ্যে খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির কলেজটি থেকে ২০২৫ সালে ৫ জন পরীক্ষা দিয়েও কেউ পাস করেনি। এ বিষয়ে বোর্ডের সচিব অধ্যাপক ড. আব্দুল মতিন বলেন, ২০২৫ সালে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:01 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

নেত্রকোণায় পাসের চেয়ে ফেল বেশি

নেত্রকোণায় এইচএসসি ২০২৬ সালের পরীক্ষার ফলাফলে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের চারটি কলেজ এবং একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর সব পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। জেলা শিক্ষা অফিসের ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলের তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, নেত্রকোণা জেলার ১০টি উপজেলায় এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩৭২৪ জন। যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫৮৪৮ জন ও অকৃতকার্য হয়েছে ৭৮৭৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭০ জন শিক্ষার্থী। জেলায় সর্বোচ্চ পাসের হার ধরে রেখেছে নেত্রকোণা সদর উপজেলা। এখানে পাসের হার ৫১ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৬ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বাগাতিপাড়ায় ৩ কলেজে পাস করেননি কেউ

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান ৩টিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ জন। তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার চিথলিয়া হাইস্কুল অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ জন। তাদের মধ্যে কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অন্যদিকে বাগাতিপাড়া পৌর মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে একজন এবং তমালতলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে দু’জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এই দুই প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। এ নিয়ে বাগাতিপাড়া উপজেলার ৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শামসুল ইসলাম বলেন, ‘ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Bangla

ইনানীতে জ্বলছে গ্যাস : সম্ভাব্য ক্ষেত্রে অনুসন্ধান নেই

বাংলাদেশ ধুঁকছে গ্যাস সঙ্কটে। সরবরাহ বিঘ্ন ঘটায় প্রতিনিয়ত ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে গৃহস্থালি কর্মে। কল-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসাবাণিজ্যের বিস্তার, শিল্প উৎপাদন অনেকাংশে গ্যাসের অভাবে থমকে আছে। বাইরে থেকে আমদানির রাস্তা সহজ করে সময়মতো সরবরাহ লাইন প্রতিষ্ঠা করাও হয়নি। দেশের অভ্যন্তরে থাকা সম্ভাব্য গ্যাসক্ষেত্রও অনুসন্ধান করা হয়নি। একই সময়ে প্রতিবেশী দেশগুলো সীমান্তের পাশে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে। সেসব ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশেও রফতানি করছে দেশগুলো। আমাদের দেশে ঘটছে এর সম্পূর্ণ বিপরীত। সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোতে অবলীলায় গ্যাস নিঃসরণ হচ্ছে। আদৌ সেগুলোতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস আছে কি না সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত অনুসন্ধান চালানো হয়নি। কক্সবাজারের উখিয়ায় এমন একটি সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ২৭ অক্টোবর থেকে টানা আগুন জ্বলছে। উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইনানীতে একটি নলকূপ খননের সময় আগুনের সূত্রপাত। এক হাজার ফুট গভীরে খননের পর গ্যাস বের হতে শুরু করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার বিশেষজ্ঞরা। গ্যাস নির্গমনের ধরন, অগ্নিশিখার বৈশিষ্ট্য ও আশপাশের ভূতাত্ত্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন তারা। অগ্নিশিখা দেখে তারা অনুমান করছেন, এতে তেলের উপস্থিতিও থাকতে পারে।ইনানীর আগুনের ঘটনাটি এ এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এর পাশে মিয়ানমার বেশ কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে। এগুলোতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাস মজুদ আছে ছয় ট্রিলিয়ন ঘনফুট। বাংলাদেশে গ্যাসের বার্ষিক চাহিদা এক ট্রিলিয়ন ঘনফুট। সেই হিসাবে পাশেই মিয়ানমারের গ্যাসক্ষেত্রের মজুদ গ্যাস দিয়ে বাংলাদেশ ছয় বছর চলতে পারে। অথচ একই ধরনের সম্ভাবনা থাকার পরও একই অঞ্চলে বাংলাদেশ কোনো কার্যকর অনুসন্ধান চালায়নি। মিয়ানমার এ গ্যাস পাইপলাইনে চীনে রফতানি করছে। অন্য দিকে গ্যাসের অভাবে আমাদের অর্থনীতি বড় আকারে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।যদিও ইনানীতে টানা ভূগর্ভের গ্যাস নিঃসরণে এটি প্রমাণিত নয় যে, সেখানে নিশ্চিত ব্যবহারযোগ্য গ্যাস ও তেল আছে। কিন্তু বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের সামনে জোরালো প্রশ্ন ছুড়ে মারছে যে, কেন সম্ভাব্য জায়গায় সময়মতো অনুসন্ধান চালানো হয়নি। মিয়ানমার সেখানে ২০০৪ সালে অনুসন্ধান শুরু করে। ২০১৩ সালে ক্ষেত্রগুলো থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন সম্ভব হয়। অথচ এ সময়ে আমরা গ্যাস আমদানির রাস্তা প্রশস্ত করেছি। এমনকি আমদানির পেছনে অন্যতম লক্ষ্য ছিল দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ হাতিয়ে নেয়া। সে কারণে দেশ এখন জ্বালানির বড় বিপর্যয়ে পড়েছে। দেশীয় পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি বাপেক্স অনেকটা অকার্যকর করে রাখা হয়েছে। পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা রেজিমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়নি।বঙ্গোপসাগর ও এর উপকূলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে মিয়ানমার ও ভারতের থেকে আমরা ইতোমধ্যে দুই দশক পিছিয়ে পড়েছি। এখন যত দ্রুত সম্ভব পুরো অঞ্চলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিদেশী কোম্পানির মাধ্যমে অনুসন্ধান চালাতে হবে। ধারাবাহিক ভূতাত্ত্বিক জরিপ চালাতে হবে। ত্রিমাত্রিক সিসমিক জরিপ এবং অনুসন্ধানী কূপ খনন করে তেল-গ্যাসের মজুদ আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। বিলম্ব হলেও আর বসে থাকার সময় নেই। জ্বালানির উচ্চ চাহিদার জোগান মেটাতে নিজস্ব তেল-গ্যাস সর্বোত্তম হতে পারে।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Bangla

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে আইইইই’র আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

Bd-Pratidin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:00 PM
0
• 0 min read
Fri ☀️ 31°
Sat ⛅ 30°
Sun 🌧️ 28°
Mon ⛅ 29°
Tue ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper