সাত দফা কোনো দলের নয়, জনগণের দাবি: জামায়াত আমির
Bangla

সাত দফা কোনো দলের নয়, জনগণের দাবি: জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাত দফা দাবি কোনো রাজনৈতিক দল বা নেতার ব্যক্তিগত দাবি নয়, এটি জনগণের দাবি। গণভোটের রায় অস্বীকার করে সরকার জনগণকে অপমান করেছে। এর জবাব জনগণ তাদের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমেই দেবে। জনগণের পক্ষ থেকেই ১১ দলীয় ঐক্য এসব দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছে। সুতরাং এক দফার আগে সাত দফা মেনে নিন।

Samakal • 4 Days, Oct 31, 2026 9:27 PM
0
• 0 min read
Bangla

আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ২ কৃতি লেখক

আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার-২০২৬ পেয়েছেন কবি আবিদ আনোয়ার ও শিশু সাহিত্যিক, গল্পকার ও নাট্যকার মাসুম মাহমুদ। আজ শনিবার ডেইলি স্টার ভবনের এস মাহমুদ সেমিনার হলে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।

Samakal • 4 Days, Oct 31, 2026 9:26 PM
0
• 0 min read
Bangla

বদর প্রতিরক্ষাচুক্তিতে চার দেশ

‘বদর প্রতিরক্ষাচুক্তি’ বা ‘বদর সমঝোতাস্মারক’ হলো তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার একটি বহুপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি। ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর কাতারের রাজধানী দোহায় চার দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধের নামানুসারে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই চুক্তির নামকরণ করেছে ‘বদর’। চুক্তির প্রধান লক্ষ্য হলো চার দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতের প্রযুক্তিবিনিময়, যৌথ সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন এবং নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক প্রশিক্ষণ এবং কৌশলগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা করবে। অনেকে এই চুক্তিকে ২০২৬ সালের আগস্টে স্বাক্ষরিত তুরস্ক-পাকিস্তান-সৌদি আরবের বা ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষাচুক্তি’র সাথে তুলনা করছেন। তবে দু’টির মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে : মক্কাচুক্তি অনুযায়ী, সদস্য কোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে তা সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং সামরিক সহায়তা দেয়া হবে (যৌথ সামরিক জোট)। বদরচুক্তি কোনো যৌথ সামরিক যুদ্ধজোট নয়। এটি হলো অংশীদার দেশগুলোর সরাসরি বিদেশী অস্ত্র কেনার প্রথাগত মডেল থেকে বের হয়ে এসে নিজেদের মানবসম্পদ ও দেশীয় শিল্প অবকাঠামো স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ।চার দেশের সামরিক সামর্থ্যবদর প্রতিরক্ষাচুক্তির স্বাক্ষরকারী চার দেশের (তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া) সামরিক সামর্থ্যরে একটি শক্তিশালী ও পরিপূরক দিক রয়েছে। এই চুক্তির মূল ভিত্তি হলো একটি দেশ অন্য দেশের ঘাটতি পূরণ করবে, যা তাদের প্রতিরক্ষা উৎপাদনে স্বাবলম্বী করে তুলবে। ২০২৬ সালের বৈশ্বিক সামরিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এই চার দেশের শক্তির প্রধান ক্ষেত্র এবং তারা কে কী অবদান রাখছে তা বিশ্লেষণ করা হলো :১. তুরস্ক ড্রোন প্রযুক্তি : তুরস্কের ‘Baykar’ এবং ‘TAI’ বর্তমানে ড্রোন প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয়। Bayraktar TB2 এবং Akinci ড্রোন এই চুক্তির অংশীদারদের প্রধান আকর্ষণ। প্রতিরক্ষাশিল্প : তারা নিজস্ব প্রযুক্তিতে পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট (KAAN), আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক মিসাইল তৈরি করছে। এই চুক্তিতে তারা প্রযুক্তি সরবরাহকারী হিসেবে মূল ভূমিকা পালন করছে। ২. পাকিস্তান চার দেশের মধ্যে পাকিস্তান একমাত্র পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ এবং তাদের রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও অভিজ্ঞ সেনাবাহিনী। পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিজ এবং হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ ট্যাক্সিলার মাধ্যমে তারা নিজস্ব মিসাইল (যেমন-শাহীন, বাবর) এবং জেএফ-১৭ থান্ডার ফাইটার জেট তৈরি করে। এই চুক্তিতে পাকিস্তান বিশাল বাজার এবং অভিজ্ঞ সামরিক জনবল দিয়ে অবদান রাখছে। ৩. ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম এই দেশটিতে রয়েছে বিশাল নৌ ও স্থলবাহিনীর সক্ষমতা। দেশটি আঞ্চলিক পরাশক্তি। যৌথ ম্যানুফ্যাকচারিং : ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় কোম্পানি PT Pindad এবং PT PAL যথাক্রমে ট্যাংক ও যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে দক্ষ। তুরস্কের সাথে যৌথভাবে তারা ইতোমধ্যে ‘Kaplan’ বা মাঝারি ট্যাংক তৈরি করেছে। এই জোটের জন্য ইন্দোনেশিয়ার ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট ও ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪. কাতার কাতারের সামরিক বাহিনী আকারে ছোট হলেও অত্যন্ত আধুনিক। তাদের বিমানবাহিনীতে রয়েছে বিশ্বের সেরা রাফাল, এফ-১৫ কিউএ এবং ইউরোফাইটার টাইফুন জেট। আর্থিক বিনিয়োগকারী : কাতারের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘Barzan Holdings’ বিশ্বজুড়ে বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ করে থাকে। এই চুক্তিতে কাতারের মূল ভূমিকা হলো যৌথ গবেষণা, উন্নয়ন এবং অস্ত্র উৎপাদনে প্রয়োজনীয় বিশাল ফান্ড বা আর্থিক পুঁজি জোগান দেয়া। এই চার দেশ একসাথে হওয়ায় এক দিকে যেমন কাতারের অর্থ ও তুরস্কের প্রযুক্তি যুক্ত হচ্ছে, অন্য দিকে পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার বিশাল জনবল ও কারখানা ব্যবহার করা যাচ্ছে। ফলে তারা পশ্চিমা বিশ্বের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের মধ্যে রাডার, মিসাইল ও যুদ্ধবিমান তৈরির একটি সমন্বিত সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলার সামরিক সামর্থ্য অর্জন করেছে। বদর প্রতিরক্ষাচুক্তি থেকে সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রকে বাইরে রাখার বিষয়টি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং এর পেছনে গভীর কৌশলগত ও ভূরাজনৈতিক কারণ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরান, ইসরাইল এবং আমেরিকার মধ্যকার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এই অঞ্চলের দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষা কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছে। সৌদি আরব এবং যুক্তরাষ্ট্রকে না রাখার কারণ ১. আমেরিকার ওপর ‘অতিরিক্ত নির্ভরতা’ কমানো : মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো (বিশেষ করে কাতার) দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তার জন্য ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরশীল ছিল; কিন্তু সাম্প্রতিক ইরান-মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার নীতি এই দেশগুলোর মধ্যে একধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে। তারা বুঝতে পেরেছে, সঙ্কটের সময় পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। তাই এই জোটের মূল লক্ষ্যই হলো যুক্তরাষ্ট্রকে বাইপাস করে নিজেদের স্বনির্ভরতা অর্জন করা। প্রযুক্তি হস্তান্তরে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা : যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত কোনো দেশকে অস্ত্র দিলেও তার মূল প্রযুক্তি বা সোর্স কোড শেয়ার করে না এবং অস্ত্র ব্যবহারের ওপর কড়া শর্ত জুড়ে দেয়; কিন্তু বদরচুক্তির ভিত্তি হলো— একে-অপরের সাথে অবাধে প্রযুক্তিবিনিময় ও যৌথ উৎপাদন করা, যা আমেরিকার উপস্থিতিতে সম্ভব হতো না। ২. সৌদি আরবের অনুপস্থিতির কারণমক্কাচুক্তি বনাম বদরচুক্তির কৌশলগত পার্থক্য : অনেকে ভাবছেন সৌদি আরবকে বাদ দেয়া হয়েছে; কিন্তু বিষয়টি আসলে দায়িত্ব ভাগ করে নেয়ার মতো। এর ঠিক দুই মাস আগে, ২৬ সালের আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব মিলে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষাচুক্তি সই করে। মক্কাচুক্তিটি একটি যৌথ সামরিক জোট; কিন্তু বদরচুক্তি কোনো যুদ্ধের জোট নয়, এটি শুধুই বাণিজ্যিক ও শিল্পভিত্তিক অস্ত্র তৈরির জোট। কাতার ও সৌদি আরবের নিজস্ব হিসাব : কাতার ও সৌদি আরবের মধ্যে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিনের। কাতার এই চুক্তির প্রধান অর্থায়নকারী ও আয়োজক। কাতার নিজের সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরক্ষাশিল্প শক্তিশালী করতে তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়াকে বেছে নিয়েছে। আঞ্চলিক সঙ্ঘাত থেকে দূরে থাকা : সৌদি আরব বর্তমানে ইয়েমেনের হুথি এবং ইরানের সাথে নানামুখী সঙ্ঘাতে লিপ্ত। কাতার বা ইন্দোনেশিয়া এই মুহূর্তে সৌদি আরবের নিজস্ব কোনো আঞ্চলিক দ্বন্দ্বে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে চায় না। তাই তারা সামরিক বাধ্যবাধকতাহীন একটি স্বাধীন বলয় তৈরি করেছে। বাংলাদেশ কি অংশ নিতে পারেবাংলাদেশ তাত্ত্বিকভাবে এই চার দেশের বলয়ে বা বদর প্রতিরক্ষাচুক্তিতে অংশগ্রহণ করতে পারে এবং সম্প্রতি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের এ ধরনের জোটে আগ্রহ নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ যদি এই বলয়ে যোগ দিতে চায়, তবে তার পেছনে কিছু বড় ইতিবাচক দিক এবং একই সাথে কিছু ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে— ১. যোগদানের সম্ভাবনা ও অনুকূল দিক : মক্কাচুক্তিতে আগ্রহের গুঞ্জন : ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষাচুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের আগ্রহ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোরালো আলোচনা তৈরি হয়েছিল। যেহেতু বদরচুক্তিও মূলত একই বলয়ের দেশগুলোর (তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া) একটি উদ্যোগ, তাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের এখানে যুক্ত হওয়ার পথ খোলা রয়েছে। প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন : বাংলাদেশ তার সামরিক বাহিনীকে আধুনিকীকরণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। তুরস্কের আধুনিক ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা এবং ইন্দোনেশিয়ার নৌ-প্রযুক্তির সাথে যুক্ত হতে পারলে বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা বহু গুণ বৃদ্ধি পাবে। প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ উৎপাদন : বদরচুক্তি কোনো যুদ্ধজোট নয়, এটি মূলত প্রযুক্তি শেয়ারিং ও যৌথ অস্ত্র উৎপাদনের প্ল্যাটফর্ম। বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দিলে সরাসরি অস্ত্র আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশে প্রতিরক্ষাশিল্প গড়ে তোলার সুযোগ পাবে। ২. প্রধান ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ : বাংলাদেশ যদি পাকিস্তান বা তুরস্কের নেতৃত্বাধীন কোনো প্রতিরক্ষা জোটে অংশ নেয়, তবে তা প্রতিবেশী ভারতের উদ্বেগের কারণ হতে পারে। ভারতের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, তাই যেকোনো সামরিক বলয়ে যোগ দেয়ার আগে ঢাকার জন্য দিল্লির সাথে কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা একটি বড় পরীক্ষা। নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি— বাংলাদেশের চিরন্তন পররাষ্ট্রনীতি হলো, ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়।’ কোনো নির্দিষ্ট আঞ্চলিক বা সামরিক ব্লকে সরাসরি যুক্ত হওয়া এই নিরপেক্ষ নীতির পরিপন্থী হিসেবে দেখা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশের চাপ : বাংলাদেশ এই বলয়ে অতিরিক্ত ঝুঁকে পড়লে পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্কে প্রভাব পড়তে পারে। বাংলাদেশ এই চার দেশের বলয়ে অংশগ্রহণ করার পূর্ণ যোগ্যতা ও যৌক্তিক কারণ রাখে। বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়া এই জোটে থাকায় এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্যও একটি উদাহরণ। তবে বাংলাদেশ সরাসরি কোনো চুক্তিতে সই করার চেয়ে এই দেশগুলোর সাথে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে পারে, যাতে কোনো ভূরাজনৈতিক বিতর্কে জড়াতে না হয়। একটি পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থাসাংহাই ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির মিডল ইস্ট স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডিং লং বলেন, মক্কা ও বদরচুক্তির উদ্ভব মার্কিন আধিপত্যের পতন নির্দেশ করে। কারণ অপ্রতিসম যুদ্ধ ওয়াশিংটনের চিরাচরিত সামরিক সুবিধাগুলোকে ক্ষুণ্ন করেছে এবং মিত্রদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে তার সদিচ্ছা ও সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিয়েছে। ডিং বলেছেন, এই অঞ্চলের দেশগুলো ‘আর তাদের নিরাপত্তার সব বাজি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর রাখছে না’ বরং তারা তাদের অংশীদারত্বে বৈচিত্র্য আনতে এবং ঝুঁকি ভাগ করে নিতে চাইছে। কিন্তু মক্কাচুক্তিতে ইতোমধ্যে প্রতিরক্ষাশিল্প সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং এটি অতিরিক্ত দেশগুলোর জন্যও উন্মুক্ত, ফলে একটি পৃথক ব্যবস্থার প্রয়োজন কেন ছিল, সেই প্রশ্নটি উঠেছে। ডিং আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের জন্য সৌদি আরব ও কাতারের মধ্যকার প্রতিযোগিতার দিকে ইঙ্গিত করে যুক্তি দেন, উভয় দেশই নিজেদেরকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্রতর বহুপক্ষীয় নিরাপত্তাকাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে চায়।ডিং বলেছেন, সীমিত অভ্যন্তরীণ সামরিক সক্ষমতাসম্পন্ন কাতার তুরস্কের সাথে তার দীর্ঘদিনের সামরিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে নিরাপত্তা অংশীদারত্ব প্রসারিত করতে এবং নিজস্ব প্রতিরক্ষার জন্য একটি অতিরিক্ত ‘সুরক্ষা’ স্তর তৈরি করতে আশা করছে। অন্য দিকে ইন্দোনেশিয়া ঐতিহ্যগতভাবে একটি স্বাধীন, জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে আসছে এবং যৌথ প্রতিরক্ষার দায়বদ্ধতার ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি নিতে অনিচ্ছুক, যা একটি শিল্প অংশীদারত্বকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলে।এই চারটি দেশের স্বার্থও একে-অপরের পরিপূরক। তুরস্ক ও পাকিস্তান এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তহবিল, বাজার এবং বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রভাব অর্জনের আশা করছে, অন্য দিকে কাতার অর্থায়ন করতে এবং তুরস্কের সামরিক প্রযুক্তি ও পাকিস্তানের সামরিক দক্ষতার নাগাল পেতে পারে।লেখক : অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব ও গ্রন্থকার

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:25 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

পিএসসির নতুন সদস্য ড. শামীমা সুলতানার শপথ আগামীকাল

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নবনিযুক্ত সদস্য অধ্যাপক ড. শামীমা সুলতানাকে আগামীকাল রোববার বিকেল ৩টায় শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

AmarDesh • 4 Days, Oct 31, 2026 9:24 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে নতুন সম্ভাবনা, ভাটা পড়বেনা ঢাকা-বেইজিংয়ের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে মুশফিকুল ফজল আনসারীর নিবন্ধসূর্যোদয়ের দেশে নতুন ভোরের প্রত্যাশায় বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ঘিরে যে আশার সঞ্চার হয়েছে, তা কেবল স্বাক্ষরিত চুক্তি কিংবা প্রত্যাশিত আর্থিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই সফরে উঠে এসেছে এমন এক বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা, যে দেশ কর্তৃত্ববাদী শাসন পেরিয়ে ফিরে পাওয়া রাজনৈতিক কণ্ঠস্বরকে কাজে লাগাতে চায় বৃহত্তর অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি এবং নিজের পথ বেছে নেয়ার স্বাধীনতা বাড়াতে।জনগণের নির্বাচিত সরকারের পররাষ্ট্রনীতিকে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়, যে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সরকারকে বেছে নিয়েছে , তাদের জীবন কীভাবে আরও ভালো হবে? বাংলাদেশের প্রয়োজন কর্মসংস্থান, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ, শক্তিশালী শিল্প খাত এবং মানুষের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান। দেশের কূটনীতিকে এসব লক্ষ্য অর্জনে সহ

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:24 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ একই গোরস্থানে সারিবদ্ধ দাফন

এক বিকালের বজ্রপাত তছনছ করে দিয়েছে ছয়টি জীবন, কেড়ে নিয়েছে ছয়টি পরিবারের স্বপ্ন। কেউ মাত্র ১০ বছরের শিশু, কেউ কিশোর, কেউবা তরুণ। শুক্রবার দুপুরেও যারা মাছ ধরতে গিয়েছিল সোনাপাতি বিলে, বিকালের বজ্রপাতে তাদের নিথর দেহ ফিরেছে বাড়িতে। শনিবার সকালে একই গোরস্থানে পাশাপাশি ছয়টি কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন তারা। স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের আকাশ-বাতাস। এই শোকের মধ্যে সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয়, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিন ভাইয়ের সন্তান ও এক ভাগ্নে রয়েছে। এক দুর্ঘটনায় পরিবারের এতগুলো তরুণ প্রাণ হারিয়ে স্বজনদের জীবনে নেমে এসেছে অপূরণীয় শূন্যতা। যে পরিবারে একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, হাসি-আনন্দ আর ভবিষ্যতের স্বপ্ন ছিল, সেই পরিবারেই এখন প্রিয়জন হারানোর হাহাকার। শনিব

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:23 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার কমেছে, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১,৩১৩ জন

কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ০.৮২ শতাংশ। এ বছর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে, পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। শনিবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৩৬ হাজার ৭২৮ জন ছেলে এবং ৫৫ হাজার ৪৩৪ জন মেয়ে। পরীক্ষায় উ

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:22 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.০৭ শতাংশ

কমেছে জিপিএ-৫চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে দশমিক ৫০ শতাংশ। একইসঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। ২০২৬ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৯৭ জন। শনিবার সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর এ ফল দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষা কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে প্রকাশ

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:22 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

আমতলীতে পুড়ে ছাই ৪ দোকান

বরগুনার আমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার সকাল অনুমান ৭টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌর শহরের সরকারি কলেজ সংলগ্ন সদর রোডে অবস্থিত বাহার লাইব্রেরি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে আমতলী ফায়ার সার্ভিস স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে আশপাশে থাকা ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে বাহার লাইব্রেরি ছাড়াও মিলনের গার্মেন্টস, নুরুল আমিনের কসমেটিসের দোকান ও সুখরঞ্জন শীলের একটি সেলুন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আমতলী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ মো. মাহবুব হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুনের সূত্রপাতের বিষয়টি এখনি বলা সম্ভ

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:22 PM
0
• 0 min read
Bangla

সেনাবাহিনী পরিচালিত ৫১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৯৬.৫১ শতাংশ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের (ক্যাডেট কলেজসমূহ ব্যতীত) উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর ৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১৮ হাজার ৪০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৭ হাজার ৪১০ জন কৃতকার্য হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৬১৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫

AmarDesh • 4 Days, Oct 31, 2026 9:21 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

চাকরি হারালেন ‘ডিবি’র হারুনসহ ৮ পুলিশ কর্মকর্তা

অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার দায়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বরখাস্তের আদেশ ২০২৪ সালের ৬ই আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তার বরখাস্তের খবর জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, তার বিরুদ্ধে আনা ‘পলায়ন’ অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ই আগস্ট থেকে হারুন অর রশীদ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। ওই তারিখ থেকে তার চাকরি হতে বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে। এতদিন তিনি সাময়িক বরখাস্ত ছিলেন।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, ডিআইজি

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:20 PM
0
• 0 min read
World

প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে চিয়াওলং, রহস্যময় সমুদ্রজীবের সন্ধান পেলেন গবেষকরা

পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে সমুদ্র গবেষণার অংশ হিসেবে সাফল্যের সাথে ৪৭০তম ডাইভ সম্পন্ন করেছে চীনের মানববাহী সাবমার্সিবল ‘চিয়াওলং’। অভিযানে বিরল সামুদ্রিক স্পঞ্জসহ অজানা সমুদ্রজীবের আলোকচিত্র ধারণ করেছে এটি। এই বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান গভীর সমুদ্রের বিরল জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন মেরিন গবেষকরা। পৃথিবীর তিন- চতুর্থাংশ জুড়ে থাকা মহাসাগরের অতল গহ্বরে লুকিয়ে রয়েছে অগণিত রহস্য। সেই রহস্যের জট খুলতেই পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে অভিযানে নেমেছে চীনের আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন মানববাহী সাবমার্সিবল ‘চিয়াওলং’। সম্প্রতি সফলভাবে নিজেদের ৪৭০তম ডাইভ সম্পন্ন করে সাবমার্সিবলটি নিয়ে এসেছে গভীর সমুদ্রের রোমাঞ্চকর ও বিস্ময়কর কিছু তথ্য ও চিত্র।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:20 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

হাম উপসর্গে আরও এক জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৮৪

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ই মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট প্রাণহানি ১ হাজার ২৫২ জনে দাঁড়ালো। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৪ জন। শনিবার (৩১শে অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ই মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে ১ হাজার ১৪৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০৫ শিশু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১ হাজার ২৫২ জনে পৌঁছেছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯৮৭ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৭ জনের। মোট ১ হাজার ৮৪ জন শিশু হাম ও

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:20 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

রাজধানীতে ৫ই নভেম্বর শুরু হচ্ছে ‘বারভিডা কার এক্সপো’

বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির ৫০ বছরের গৌরবময় যাত্রা উদ্‌যাপন এবং রিকন্ডিশন্ড গাড়ির বাজারকে আরও গতিশীল করতে আগামী ৫ই নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিনদিনব্যাপী ‘বারভিডা কার এক্সপো ২০২৬’। রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এই প্রদর্শনী চলবে ৭ই নভেম্বর পর্যন্ত। শনিবার নিজস্ব কার্যালয়ে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স এসোসিয়েশন (বারভিডা) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। বারভিডা এই প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। সংবাদ সম্মেলনে এক্সপোর সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন সংগঠনটির মহাসচিব রিয়াজ রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বারভিডা’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম সহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এক্সপোতে জাপানের জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও মডেলের রিকন্ডিশন

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:20 PM
0
• 0 min read
Bangla

শান্তির সুবাতাস সন্ধানে

ভেনিজুয়েলার ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গত বছরের অতি গোস্সার কারণ নিয়ে বিভিন্ন ব্যাখ্যা খুঁজে পেতে শুরু করেছিল গোটা বিশ্ব। নওগাঁর নাগরাজপুরের নারায়ণ বাবু আগের শতকে ছাত্রাবস্থায় বিশ্বরাজনীতি নিয়ে একটু আধটু চর্চা করতেন। সে সময় আধা কেজি ট্রটস্কি, এক কেজি ফিদেল ক্যাস্ট্রো, সোয়া কেজি মাও সেতুং, দেড় কেজি পরিমাণ হো চি মিন নিয়ে আলোচনা দিয়ে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে তারা নাশতা সারতেন। তখন থেকেই তারা লক্ষ করতেন আলফ্রেড নোবেলের ডিনামাইট আবিষ্কারে দুর্গম পাহাড় কাটার পথ তৈরির চেয়ে যুদ্ধে মারণাস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে দেখেই নোবেল সাহেব তার বিশাল সম্পত্তিকে মানব কল্যাণে সুচিন্তায় সৃজনশীলতায় সদ্ব্যবহার কর্মকে উৎসাহিত করতে পুরস্কার হিসেবে দেয়ার জন্য উইল করে যান। সে পুরস্কারের তালিকায় ‘শান্তি’র একটি মোটা পুরস্কার আলাদা করে রাখা হয়। নোবেলের ইচ্ছা অনুযায়ী, অন্য নোবেল পুরস্কারগুলো (যেমন— চিকিৎসা, সাহিত্য, অর্থনীতি, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন) যেখানে সুইডেনে প্রদান করা হয়, সেখানে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে নরওয়ের নোবেল কমিটি।ধ্রুপদ শাস্ত্রীয় চর্চার মাধ্যমে মানবজাতিকে বৈষয়িক স্বস্তি ও সেবাদানের বিষয়গুলোর চেয়ে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিশ্বসমাজ ও সংসারে শান্তি এবং সংঘর্ষের সামনাসামনি দাঁড় করানোর উদ্যোগকে পরিমিত ও পরিশীলিতকরণে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এবারে ২০২৬ এ নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারক নাভানেথেম নাভি পিল্লাই। সাইটেশনে বলা হয়েছে ‘For her efforts to promote peace and international law’ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার মূলত এবং মুখ্যত বিশ্বব্যাপী শান্তি, মানবাধিকার ও সংলাপকে নৈতিক গুরুত্ব; মানবাধিকার, আইনের শাসন ও মানবসেবার অনেক আন্দোলন ও উদ্যোগকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও গতি এবং নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর কণ্ঠকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে। সুতরাং দিন দিন এই পুরস্কারের তাৎপর্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে কূট সমালোচনাও। নোবেল শান্তি পুরস্কার আদর্শগতভাবে মহান; কিন্তু বাস্তবে এটি রাজনীতি, সময়কাল ও দৃষ্টিভঙ্গির সীমাবদ্ধতায় প্রভাবিত। বিশ শতকে এই পুরস্কার মোটাদাগে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ এবং সেসব আবিষ্কার ও ব্যবস্থাপনায় স্বপ্নদ্রষ্টাদের পুরস্কৃত করা হতো; কিন্তু একুশ শতকে এসে এই পুরস্কার বিভিন্ন সমালোচনা, রাজনৈতিক মান-অভিমান, হিংসা-বিদ্বেষ প্রতিহিংসার প্রতিভুতে পরিণত হতে দেখা গেছে। ভেনিজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও শিল্প প্রকৌশলী মারিয়া কোরিনা মাচাদো প্যারিসকাকে (জন্ম ৭ অক্টোবর ১৯৬৭) ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছিল। এই পুরস্কারের অতি প্রত্যাশী যিনি ছিলেন তিনি দাবা খেলার স্টাইলে দেশে দেশে যুদ্ধ বাধানো এবং থামানোর রেকর্ড গড়ায় সিদ্ধহস্ত হচ্ছিলেন। শান্তি পুরস্কারের শিকে তার জন্য ছিঁড়ে পড়ার কথা; কিন্তু মাচাদো, তাও আবার ভেনিজুয়েলার, যিনি শুধু তার দেশে মানুষের মধ্যে শান্তির অন্বেষার সুযোগ খুঁজছিলেন, এ জন্য নির্যাতিত হচ্ছিলেন, তাকে দেয়া হলো। নোবেল কমিটির বিবেচনাবোধকে এই পুরস্কার প্রত্যাশী অতি ক্ষমতাধর ব্যক্তি কটাক্ষ করতেই পারেন। প্রকাশ্যে বলতেই পারেন, ‘মাচাদো তার নোবেল পুরস্কার আমাকে দিলে তা হবে সম্মানের।’ মাচাদো তা করেছিলেনও। কিন্তু ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রপ্রধানের শেষ রক্ষা হয়নি। দেশে দেশে শান্তি ও সংঘর্ষ সৃষ্টিতে যার এতগুলো ডিপ্লোমা তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাবেন না— এটা কি হয়? রেগেমেগে এখন মাচাদোর দেশ ভেনিজুয়েলাকে ধরা খেতেই হচ্ছে। নারায়ণ বাবু তার নিজের ঘরেই দেখেছেন স্বঘোষিত ‘শান্তির দূত’ (Sentinel of Peace) সেজেও একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি, সেই পুরস্কার অন্য একজন পাওয়ায় সেই বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিকে একসময় নিজ দেশেই হেনস্তার শিকার হতে হয়; কিন্তু হেনস্তার বাড়াবাড়িটা এমন পর্যায়ে পড়ে যায় যে, শেষমেশ প্রকৃতিই প্রতিশোধ নেয়াতে হঠাৎ হিতে বিপরীত হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন তা প্রকারান্তরে বিশ্বশান্তির পথকে সংঘর্ষের দিকে ধাবিত করার ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। শান্তি ও সংঘর্ষেও এমন মুখোমুখি অবস্থান সচরাচর দেখা যায় না। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার নিয়ে রাজনৈতিক সমালোচনা বহুবার হয়েছে। কারণ শান্তি, যুদ্ধ, কূটনীতি ও মানবাধিকারের মতো বিষয়গুলো স্বভাবতই ভূরাজনীতির সাথে গভীরভাবে যুক্ত। ২০০৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তিকে অকাল বা ভবিষ্যৎ-নির্ভর পুরস্কার বলা হয়। অনেকেই বলেন, তখন তার শান্তি উদ্যোগের ফল স্পষ্ট ছিল না, কেউ কেউ এটিও বলেন, পুরস্কারটি বাস্তব ফলাফল নিশ্চিত হওয়ার আগেই দেয়া হয়েছে। ওবামাকে বহুপক্ষীয় কূটনীতি ও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের প্রতিশ্রুতির জন্য এ পুরস্কার দেয়া হয়। সমালোচনা হয় পুরস্কারটি অত্যন্ত ‘অকালে’ দেয়া হয়েছিল, কেননা পরবর্তীকালে ড্রোন হামলা ও সামরিক অভিযান চলমান ছিল। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ পুরনো। অনেক সমালোচকের মতে, কখনো কখনো পশ্চিমা বা নির্দিষ্ট ভূরাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রাধান্য পায়। যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপ-ঘনিষ্ঠ নেতারা তুলনামূলক বেশি স্বীকৃতি পান এমন অভিযোগ রয়েছে। কিছু পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তির অতীত বা পরবর্তী কর্মকাণ্ড শান্তির ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়, যেমন ১৯৭৩ সালে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হেনরি কিসিঞ্জারকে প্রদত্ত শান্তি পুরস্কারটি। কেননা, ভিয়েতনাম যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তার ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়। তিনি নিজেই ভিয়েতনাম যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক ছিলেন, কম্বোডিয়া ও লাওসে গোপন বোমা হামলার সাথে যুক্ত ছিলেন। তাকে পুরস্কৃত করার প্রতিক্রিয়ায় সে সময় নোবেল কমিটির দুই সদস্য পদত্যাগ করেন। নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের উপেক্ষার উদাহরণও আছে। কিছু ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শান্তিকর্মী বা নেতাকে পুরস্কার না দেয়াও সমালোচনার কারণ হয়েছিল। যেমন— মহাত্মা গান্ধী কখনোই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। গান্ধীকে পাঁচবার (১৯৩৭-৪৮) মনোনীত করা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালে (তার হত্যার বছর) তাকে পুরস্কার দেয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়। গান্ধী নিহত হওয়ার পর নোবেল কমিটি বলে : There was no suitable living candidate. গান্ধীকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার না দেয়ার কারণগুলোর অনুসন্ধানে জানা যায়, ঔপনিবেশিক মানসিকতা, তখন নোবেল কমিটিতে ইউরোপীয় দৃষ্টিভঙ্গি প্রবল ছিল; অহিংস আন্দোলনকে অনেকেই ‘রাজনৈতিক আন্দোলন’ বলে অবমূল্যায়ন করতেন; ‘রাষ্ট্রপ্রধান নন’ এই যুক্তি (গান্ধী কোনো রাষ্ট্রের সরকারপ্রধান ছিলেন না); সে সময় শান্তি পুরস্কার প্রায়ই রাষ্ট্র বা চুক্তিভিত্তিক শান্তিকে বেশি গুরুত্ব দিত; সর্বোপরি অহিংসার ধারণা তখনো পুরোপুরি গৃহীত ছিল না, গান্ধীর অহিংস দর্শন তখনকার বিশ্বরাজনীতিতে ছিল বিপ্লবী ও অস্বস্তিকর। নোবেল কমিটি পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে, গান্ধীকে পুরস্কার না দেয়াটা ছিল একটি ঐতিহাসিক ভুল।অনেকসময় রাষ্ট্র বনাম ব্যক্তির অবস্থানটিও ভাবা হয়ে থাকে গুরুত্বপূর্ণ। কখনো রাষ্ট্রপ্রধানদের পুরস্কার দেয়া হলেও তাদের দেশের সামরিক বা দমনমূলক নীতির কারণে প্রশ্ন ওঠে— এ পুরস্কার ব্যক্তি না রাষ্ট্রের কাজের স্বীকৃতি? ১৯৯৪ সালে ইয়াসির আরাফাত, আইজাক রবিন ও শিমন পেরেজকে ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ার (Oslo Accords) জন্য পুরস্কার দেয়া হয়। তখন বেশ সমালোচনা হয়েছিল। কারণ চুক্তি বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তী সময়ে সহিংসতা আরো বেড়েছে, ব্যর্থ শান্তিচুক্তির জন্য পুরস্কার কি যুক্তিসঙ্গত এ প্রশ্ন সামনে এসেছে। ২০১২ সালে ইউরোপে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হলে সমালোচনা হয়— কেননা তখনো ইউরোপে অস্ত্র রফতানি ও শরণার্থী সঙ্কট চলছিল, তা ছাড়া একটি রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক জোটকে ‘শান্তি পুরস্কার’ দেয়া কতটা যৌক্তিক এই প্রশ্ন ওঠে। ১৯০১-২০২৫ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে দেখা যায়, শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের দেশভিত্তিক অবস্থানে শীর্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-২৮, যুক্তরাজ্য-১৪, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে-৪৩; আফ্রিকার দেশগুলো মিলিয়ে-১৩, এশিয়ার দেশগুলো থেকে-১০; এর মধ্যে ভারতের নাগরিক/সংস্থা হিসেবে দু’টি নোবেল শান্তি পুরস্কার এসেছে, যেমন— মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে এবং কৈলাশ সত্যর্থী ২০১৪ সালে; জাপানিরা দু’বার শান্তিতে নোবেল পেয়েছে। একবার ব্যক্তি হিসেবে ১৯৭৪ সালে প্রধানমন্ত্রী Eisaku Sato এবং ২০২৪ সালে জাপানি সংগঠন Nihon Hidankyo হিসেবে, বাংলাদেশের প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে এবং পাকিস্তানের ইউসুফ মালালা ২০১৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:19 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রজ্ঞাপন আজ

বিভিন্ন খাতের শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠন করা হবে আজ রোববার। শনিবার মালিক, শ্রমিক ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক শেষে এ কথা জানান শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।তিনি বলেন, ‘শ্রমিক সংগঠনের বিশেষ করে গার্মেন্ট শ্রমিকের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দীর্ঘ চার ঘণ্টা আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ঘোষণা দিয়েছি, আজ রোববার আমরা মজুরি বোর্ড গঠন করবো। কাজেই মজুরি বোর্ড যেহেতু আগামীকাল ঘোষণা করবে। এর পর আমরা গেজেট আকারে প্রকাশ করবো; তারপরে আর তো কোনো আন্দোলন থাকার কথা না।’ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন পোশাক শ্রমিকেরা। মন্ত্রী আরিফ বলেন, ‘দেখা যায় বাইরে থেকে সংঘবদ্ধ দল শ্রমিকদের উত্তেজিত করছে। আপনারাও জানেন, আমরাও জানি যে এরা কার

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:19 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষার ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার কর্মী বাছাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনো মেডিকেল সেন্টার নির্দিষ্ট কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির অধীনে কাজ করতে পারবে না। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য নির্বাচিত একজন কর্মী নিজের সুবিধামতো অনুমোদিত যেকোনো মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট এজেন্সির সঙ্গে মেডিকেল সেন্টারের সম্পর্কের কারণে কর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর সুযোগ সীমিত করা যাবে না।এ ছাড়া মেডিকেল স্লিপ নিয়ে এজেন্সি পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়। কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি যদি একজন কর্মীর নামে মেডিকেল স্লিপ তৈরি করে দেয়, পরবর্তী সময়ে ওই কর্মী অন্য কোনো এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে আগের এজেন্সিকে কোনো ধরনের বিলম্ব না করে তার মেডিকেল রিপোর্ট পাঠিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে স্লিপ প্রদানকারী এজেন্সির পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি বা অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:19 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের চার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও দুই সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ এর অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আল-বেরুনীকে খুলনা থেকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হান্নানুল ইসলামকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) থেকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা ইমরোজকে পিবিআই থেকে ট্যুরিস্ট পুলিশে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তয়াছির জাহান বাবুকে এপিবিএন থেকে পিটিসি খুলনায় বদলি করা হয়েছে।এ ছাড়া, সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামসুল আলমকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি সার্কেল থেকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী সার্কেলে এবং সহকারী পুলিশ সুপা

ManabZamin • 4 Days, Oct 31, 2026 9:19 PM
0
• 0 min read
Bangla

ইউনাইটেড কেয়ার স্কুল অ্যান্ড হোমসের ক্রীড়া ও কুরআন সবক অনুষ্ঠিত

নিকলী (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতাইসলামী মূল্যবোধ ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে গড়া কিশোরগঞ্জের ‘ইউনাইটেড কেয়ার স্কুল অ্যান্ড হোমস’-এর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, কুরআন সবক প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার সকাল ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এই আয়োজন করা হয়।প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো: আব্দুল কাদির জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক আজিজ আহমেদ হুমায়ুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম মুফতি আবুল খায়ের মোহাম্মদ ছাইফুল্লাহ, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ এনামুল হক, আজিম উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোকাব্বেরম হোসেন শোকরানা প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হেড অব অ্যাডমিন আহসানুল হক জুয়েল।অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের কুরআনের সবক প্রদান করা হয়। পরে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। পয়লা জানুয়ারি ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি প্রথম বছরেই তিন শতাধিক শিক্ষার্থী ভর্তি এবং হিফজ বিভাগে ১০ মাসে ৪৯ জনকে কুরআন সবক প্রদান করেছে।ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মাসুদুর রহমান জানান, ঢাকায় ২০ বছর স্কুল পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটানোই তাদের মূল লক্ষ্য। বর্তমানে দু’টি ক্যাম্পাসে পাঠদান চললেও গুরুদয়াল সরকারি কলেজের পেছনে নতুন আরেকটি ক্যাম্পাস চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উকিলপাড়ায় প্রথম থেকে চতুর্থ এবং নীলগঞ্জ রোড ক্যাম্পাসে পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণীর কার্যক্রম চলছে।

NayaDiganta • 4 Days, Oct 31, 2026 9:18 PM
0
• 0 min read
Bangla

লক্ষ্মীপুরে পাশের হার ৪১.২৯ শতাংশ, ৫ কলেজে অকৃতকার্য শতভাগ

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে লক্ষ্মীপুর জেলার ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এসব কলেজ থেকে

ShomoyerAlo • 4 Days, Oct 31, 2026 9:16 PM
0
• 0 min read
Fri ☀️ 31°
Sat ⛅ 30°
Sun 🌧️ 28°
Mon ⛅ 29°
Tue ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper