গঙ্গা চুক্তি নবায়ন অনিশ্চিত
Bangla

গঙ্গা চুক্তি নবায়ন অনিশ্চিত

ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে আর মাত্র এক মাস বাকি থাকলেও তার নবায়নে এখনো প্রত্যাশিত কোনো অগ্রগতি নেই। ১৯৯৬ সালে ৩০ বছর মেয়াদি সই হওয়া এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১২ ডিসেম্বর। সরকারের সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এ চুক্তি নবায়নের জন্য আলোচনা শুরুর অনুরোধে ভারত এখনো কোনো সাড়া দেয়নি। তবে চুক্তি নবায়ন বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন সময়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় আলোচনায় অংশ নিয়েছে। ফলে সামনের যে এক মাস সময় রয়েছে তার মধ্যে আলোচিত এ পানি চুক্তি নবায়ন প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

NayaDiganta • 3 Days, Nov 1, 2026 2:14 AM
0
• 0 min read
Bangla

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি খোলা চিঠি

বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে যারা কম-বেশি পরিচিত, তাদের কারো অজানা নয়, অতীতে বিএনপি এমন গঠনমূলক বিরোধীদল পায়নি। বরং পেয়েছে ‘একদিনও শান্তিতে থাকতে দেব না’— ঘোষণা দিয়েছে, ১৭৩ দিন সহিংস হরতাল করেছে।

Sangram • 3 Days, Nov 1, 2026 2:08 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

গিয়াসনগর বিএনপি’র সম্পাদক শামীমকে অব্যাহতি, দায়িত্বে মিলাদ

ManabZamin • 3 Days, Nov 1, 2026 2:06 AM
0
• 0 min read
Bangla

খুলনায় দুর্বৃত্তের অস্ত্রের আঘাতে যুবক নিহত

খুলনায় দুর্বৃত্তের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শহীদুল ইসলাম কলিন (৩৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। গত শনিবার রাত ১১টার দিকে লবণচরা থানার কাশেমিয়া জামে মসজিদ থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে রাস্তার উপর তার রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত কলিন ওই এলাকার মাহতাব উদ্দিনের ছেলে। জানা গেছে, কলিন দুই থেকে তিনদিন পর পর বাড়িতে আসতেন। শনিবার বিকালেও তিনি বাড়িতে আসেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে রাস্তার উপর তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। পরে তিনি বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতে

ManabZamin • 3 Days, Nov 1, 2026 2:04 AM
0
• 0 min read
Technology

নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি ওয়াদা পূরণ করা হবে : খায়রুল কবির খোকন

Bd-Pratidin • 3 Days, Nov 1, 2026 2:03 AM
0
• 0 min read
Bangla

ব্যাংকিং খাতে নগদ টাকার চাপ বাড়ছে

দেশের ব্যাংকিং খাতে নগদ টাকার সঙ্কটের চাপ বাড়ছে। তারল্য ব্যবস্থাপনায় ব্যাংকগুলোর চাহিদা মেটাতে এক দিনেই প্রায় ছয় হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা সরবরাহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বিভিন্ন নীতিগত ও স্বল্পমেয়াদি আর্থিক উপকরণের মাধ্যমে এই তারল্য সরবরাহ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ওপেন মার্কেট অপারেশনের (ওএমও) তথ্য অনুযায়ী, ওই দিন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় নিট তারল্য সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৩৯৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংকগুলোর দৈনন্দিন নগদ অর্থের চাহিদা মেটাতে একাধিক মেয়াদে রেপো ও অ্যাসিউরড রেপো (এআর) সুবিধার আওতায় অর্থ সরবরাহ করা হয়েছে। একই সাথে স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটির (এসডিএফ) মাধ্যমে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ গ্রহণ এবং আগের সরবরাহ করা অর্থের মেয়াদপূর্তির হিসাব সমন্বয় করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ওই দিন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় নিট তারল্য সরবরাহের পরিমাণ প্রায় ছয় হাজার ৪০০ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর এক দিনের সেন্ট্রাল ব্যাংক রেপো বা সিবি রেপোর আওতায় চার হাজার ৬৯১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা সরবরাহ করা হয়েছে। এই অর্থের সুদহার ছিল ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। ব্যাংকগুলোর রিজার্ভ বা সংরক্ষিত নগদ অর্থের প্রয়োজন মেটাতে এ ধরনের স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন করা হয়।অন্য দিকে অ্যাসিউরড রেপো বা এআর সুবিধার আওতায় এক দিনের জন্য ৭৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা এবং সাত দিনের জন্য ২৫১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা সরবরাহ করা হয়েছে। এই দুই ক্ষেত্রেও সুদহার ছিল ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। সবমিলিয়ে সিবি রেপো ও এআর সুবিধার আওতায় নতুন করে অর্থ সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭২২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। তবে ১৪ দিনের এআর সুবিধার আওতায় ওই দিন নতুন কোনো অর্থ সরবরাহ করা হয়নি। এ খাতে নতুন অর্থের পরিমাণ ছিল শূন্য। বিপরীতে আগের লেনদেনের মেয়াদপূর্তির কারণে এক হাজার ২০২ কোটি ৯৯ লাখ টাকার সমন্বয় হয়েছে। ফলে সিবি রেপো ও এআর কার্যক্রমের সম্মিলিত নিট অর্থ সরবরাহ দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৫১৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।এ দিকে ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখার সুবিধা স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি বা এসডিএফের আওতায় ওই দিন চার হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা জমা নেয়া হয়েছে। এই সুবিধার সুদহার ছিল ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে আগের এসডিএফ লেনদেনের মেয়াদপূর্তির কারণে ছয় হাজার ৪৫৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফেরত এসেছে। ফলে এসডিএফের মেয়াদপূর্তি ও নতুন জমার সমন্বয়ে নিট এক হাজার ৮৭৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে এসেছে।সব উপকরণের লেনদেন ও মেয়াদপূর্তির হিসাব সমন্বয়ের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর ব্যাংকিং খাতে নিট তারল্য সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৩৯৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ, বিভিন্ন খাতের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ ও ফেরত দেয়ার হিসাব সমন্বয় করে ওই দিন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় প্রায় ছয় হাজার ৪০০ কোটি টাকার নিট তারল্য যুক্ত হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ ধরনের অর্থ সরবরাহ একটি নিয়মিত নীতিগত কার্যক্রম। কোনো ব্যাংকের দৈনন্দিন লেনদেন, আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলন, আন্তঃব্যাংক লেনদেন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিধিবদ্ধ নগদ জমা সংরক্ষণের প্রয়োজন মেটাতে স্বল্পমেয়াদি অর্থের চাহিদা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে কোনো ব্যাংকের আমানত প্রবাহের তুলনায় ঋণ বিতরণ ও নগদ অর্থের চাহিদা বেশি হলে সাময়িক তারল্য সঙ্কট দেখা দিতে পারে। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রেপো ও অন্যান্য সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে এক দিনে প্রায় ছয় হাজার ৪০০ কোটি টাকার নিট তারল্য সরবরাহের বিষয়টি ব্যাংকিং খাতের নগদ অর্থের চাহিদার দিকে নতুন করে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। কারণ ব্যাংকগুলোকে প্রতিদিন আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেয়ার পাশাপাশি ঋণ বিতরণ, আমদানি-রফতানি কার্যক্রম, সরকারি লেনদেন ও অন্যান্য আর্থিক দায় মেটাতে হয়। এসব ক্ষেত্রে নগদ অর্থের পর্যাপ্ততা না থাকলে ব্যাংকগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমে চাপ তৈরি হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে বড় অঙ্কের স্বল্পমেয়াদি অর্থ নেয়া মানেই পুরো ব্যাংকিং খাতে স্থায়ী বা কাঠামোগত তারল্য সঙ্কট তৈরি হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। তবে নিয়মিতভাবে বড় অঙ্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংক-নির্ভর অর্থায়নের প্রয়োজন দেখা দিলে তা ব্যাংকগুলোর আমানত ও ঋণ ব্যবস্থাপনা, নগদ অর্থের প্রবাহ এবং আর্থিক খাতের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে কোন ব্যাংক কতটা অর্থ নিচ্ছে, কত দিন ধরে নিচ্ছে এবং কী কারণে নিচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করা জরুরি।এ অবস্থায় ব্যাংকগুলোর আমানত সংগ্রহ বাড়ানো, ঋণ বিতরণে সতর্কতা, খেলাপি ঋণ আদায় জোরদার এবং নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও বাজারে তারল্যের প্রবাহ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ সরবরাহ ও প্রত্যাহারের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। সবমিলিয়ে ২৯ অক্টোবরের প্রায় ছয় হাজার ৩৯৫ কোটি টাকার নিট তারল্য সরবরাহ ব্যাংকিং খাতে নগদ অর্থের চাহিদার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। তবে এ পরিস্থিতি সাময়িক, নাকি ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘমেয়াদি তারল্যচাপের প্রতিফলন, তা বুঝতে পরবর্তী দিনগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ সরবরাহের প্রবণতা, ব্যাংকগুলোর আমানত পরিস্থিতি এবং আন্তঃব্যাংক অর্থবাজারের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

NayaDiganta • 3 Days, Nov 1, 2026 2:02 AM
0
• 0 min read
Bangla

এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১১টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ।মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।

GonoKantho • 3 Days, Nov 1, 2026 2:01 AM
0
• 0 min read
Bangla

এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গত ২২ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে কম পাসের হার। শিক্ষা বোর্ডগুলোর গড় পাসের হার ও সর্বোচ্চ ফলের সূচক জিপিএ-৫ দুটিই কমেছে। এবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেক অকৃতকার্য হয়েছেন।

Ajkerpatrika • 3 Days, Nov 1, 2026 2:00 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

বর্তমান সরকার জাতির ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে: জামায়াত আমির

বর্তমান সরকার জাতির ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে মন্তব্য করে অবিলম্বে জনগণের সাত দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দাবি না মানলে তা একদফায় রূপ নেবে এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে সেই ডাক দিতে বাধ্য হবেন বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

AmarDesh • 3 Days, Nov 1, 2026 1:57 AM
0
• 0 min read
Bangla

সিরাজগঞ্জে -এসআরবি-১২) সদর দপ্তরে চরমপন্থী সর্বহারা দলের ৬৫ জন সদস্য আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে

মোঃ রফিকুল ইসলাম উপজেলা প্রতিনিধি তাড়াশ সিরাজগঞ্জ

SorejominBarta • 3 Days, Nov 1, 2026 1:54 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

কলেজের শিক্ষক একজন, পরীক্ষার্থীও একজন, পাস করতে পারেননি তিনিও

শিক্ষক মাত্র একজন, আর এইচএসসি পরীক্ষার্থীও ছিলেন মাত্র একজন। তবে সেই একমাত্র পরীক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুরে অবস্থিত সাবিনা আক্তার স্কুল অ্যান্ড কলেজের এমন ফলাফল প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিচালনা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।...

Ittefaq • 3 Days, Nov 1, 2026 1:51 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

সীতাকুণ্ডে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে জসিম উদ্দিনের মতবিনিময়

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রাথমিক উদ্যোগ হিসেবে নিজ গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন মো. জসিম উদ্দিন জসিম। শনিবার রাত ৮টায় সীতাকুণ্ডের ৭নং কুমিরা ইউনিয়নের মছজিদ্দা মোল্লাপাড়ায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রবীণ মুরব্বি, স্থানীয় বাসিন্দা ও যুবসমাজের উপস্থিতিতে তার প্রার্থিতার উদ্যোগ, আসন্ন নির্বাচন এবং এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বক্তারা জসিম উদ্দিনের প্রার্থিতার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তার পাশে থাকার এবং নির্বাচনে সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মো. সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে এবং তাওহীদুল ইসলাম ও মো. ইমরান হোসাইনের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ফজল আহম্মদ, সালেহ আহমেদ, মো. বেলাল, শ

ManabZamin • 3 Days, Nov 1, 2026 1:50 AM
0
• 0 min read
Bangla

রাঙ্গামাটির সাজেকে ফের দুই পক্ষের গোলাগুলি, আতঙ্ক

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস-সন্তু লারমা গ্রুপ) সাথে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসীত গ্রুপ) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। থেমে থেমে দুই ঘণ্টা ব্যাপী গোলাগুলিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়।গতকাল বিকালে সাজেক ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাচালং সংলগ্ন লাঙ্গল মারা ও দক্ষিণ ভাইবোনছড়ার রিজার্ভ ফরেস্ট মনের চূড়া এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। তবে এতে প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিকেল সোয়া ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত থেমে থেমে গোলাগুলি চলে। পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, বিকেল সোয়া ৩টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লাঙ্গল মারা ও দক্ষিণ ভাইবোনছড়ার রিজার্ভ ফরেস্ট মনের চূড়া এলাকায় জেএসএস এবং ইউপিডিএফের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তাদের মধ্যে গোলাগুলি চলছে।সাজেক ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) পরিচয় চাকমা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘দক্ষিণ ভাইবোনছড়ার রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকার মনের চূড়ায় বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গোলাগুলি হয়। এলাকাটি দুর্গম এবং আশপাশে কোনো বসতি না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।এর আগে শনিবার বেলা ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সাজেক ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কলাবুনিয়া এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দাবি, ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের দু’জন নিহত হয়েছেন। তবে কোনো সংগঠনই এই হতাহতের বিষয়টি স্বীকার করেনি।টানা দ্বিতীয় দিন গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: তোফাজ্জল হোসেন জানান, ‘লাঙ্গল মারা ও মনের চূড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেএসএস এবং ইউপিডিএফের মধ্যে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গোলাগুলি চলে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আমরা এ বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি।’পর পর দু’দিন সাজেকের দুর্গম এলাকায় পাহাড়ের দুই আঞ্চলিক সংগঠনের মধ্যে এমন সঙ্ঘাত ও গোলাগুলির ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাটিতে। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এ দিকে রাঙ্গামাটির সাজেক সড়কে এক দিনের জন্য অবরোধ কর্মসূচি শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে দু’টি সংগঠন। তবে এর বিরোধিতা করে পাল্টা অবরোধের ডাক দিয়েছেন পরিবহন শ্রমিকরা। এতে সাজেক সড়কে যান চলাচল নিয়ে নতুন করে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।অন্য দিকে গতকাল সকাল থেকে চালক ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। তবে রাঙ্গামাটি থেকে খাগড়াছড়িসহ আন্তঃজেলা বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল।

NayaDiganta • 3 Days, Nov 1, 2026 1:46 AM
0
• 0 min read
Bangla

জাতীয় দৈনিক সরেজমিন বার্তার সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মোহাম্মদ ইয়াকুব মিশু

SorejominBarta • 3 Days, Nov 1, 2026 1:45 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

জঙ্গল সলিমপুরে বিএনপির ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি

উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও সদস্যসচিব খ ম নাজিম উদ্দিন এ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেন।

AmarDesh • 3 Days, Nov 1, 2026 1:38 AM
0
• 0 min read
Bangla

রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের ঈর্ষণীয় ফল পাসের হার ৯৯.৩৯ শতাংশ

সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর রেখেছে রাজধানীর অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ। ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা অর্জন করেছেন অসাধারণ ফলাফল।

Sangram • 3 Days, Nov 1, 2026 1:36 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

শ্যামনগর প্রেস ক্লাবে ১০ গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বসেছিল ‘নক্ষত্রের অভিবাদন’। ‘গুণিজনের আলোয় আলোকিত হোক সমাজ’- প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাব। শনিবার সন্ধ্যায় সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ, জনসেবা, কৃষি, ক্রীড়া, সংগীত ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় গুণিজনদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে মেধা ও মননের স্বাক্ষর রাখা কয়েকজন ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীকেও সম্মাননা জানানো হয়। শ্যামনগর উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে প্রথম পর্ব, গুণিজন সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা। এরপর একই মঞ্চে প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি আসাদুজ্জামান লিটনের সঞ্চালনায় শুরু হয় দ্বিতীয় পর্ব, গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী জারি গান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ সময় সংবর্ধনা পান অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কেরামত উল্লাহ, অব

ManabZamin • 3 Days, Nov 1, 2026 1:35 AM
0
• 0 min read
Bangla

মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামের মানুষের সংঘর্ষ

শেরপুর সদরের চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র সেতুর পাশে একটি সবজি বাজারে তর্কবিতর্কের জের ধরে দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল ৬টার দিকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ সময় শেরপুর-জামালপুর সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

Samakal • 3 Days, Nov 1, 2026 1:34 AM
0
• 0 min read
Bangla

রূপপুর দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের ‘ক্যাপাসিটি পেমেন্ট ফাঁদ’ থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব

দেশের বিদ্যুৎ খাতে ক্রমবর্ধমান আর্থিক চাপের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা ও ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির বিপরীতে ক্যাপাসিটি পেমেন্টের দায়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হতে পারে সরকারের জন্য একটি কৌশলগত সুযোগ। বিশিষ্ট জ্বালানি বিশেষজ্ঞ জাভেদ হোসেইনের মতে, রূপপুরের নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি পুনর্বিন্যাসে সরকারের দর-কষাকষির শক্তি বাড়াতে পারে। তবে শুধু উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ালেই সঙ্কট কাটবে না; প্রয়োজন চুক্তির স্বচ্ছ পর্যালোচনা, অযৌক্তিক চার্জ হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায় পুনর্নির্ধারণ। নয়া দিগন্তের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন নয়া দিগন্তের সিটি এডিটর আশরাফুল ইসলাম। নিচে বিস্তারিত :প্রশ্ন : রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে নতুন কী সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে?জাভেদ হোসেইন : রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুত বাণিজ্যিক উৎপাদনে আনতে পারলে বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক সঙ্কট মোকাবেলা এবং ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ চুক্তি পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে সরকারের সামনে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। রূপপুরের গুরুত্ব শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নির্ভরযোগ্য পারমাণবিক বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়লে মার্কিন ডলারনির্ভর ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হতে পারে। এতে অপ্রয়োজনীয় চুক্তি থেকে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে বেরিয়ে আসা এবং প্রয়োজনীয় কেন্দ্রগুলোর জন্য অনুকূল শর্ত আদায়ে সরকারের দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে।তবে শুধু রূপপুর চালু করলেই বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক সঙ্কটের সমাধান হবে না। উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ কেনার চুক্তিগুলোর কাঠামোও পুনর্বিন্যাস করতে হবে। তা না হলে এক দিকে পারমাণবিক বিদ্যুতের সুবিধা নেয়া হবে, অন্য দিকে অলস পড়ে থাকা তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্যও অর্থ পরিশোধ করতে হবে।প্রশ্ন : চুক্তি পুনর্বিন্যাসের জন্য কোন সময়টি সবচেয়ে উপযুক্ত?জাভেদ হোসেইন : চলতি শীতকাল এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। শীতকালে বাংলাদেশের বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ফলে বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ব্যয়বহুল কেন্দ্রগুলোর ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ থাকে।কিন্তু রূপপুরের কমিশনিং বা বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুতে বিলম্ব হলে সরকার আগামী গ্রীষ্মে আরো জটিল পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে। এই বিলম্ব ইচ্ছাকৃত না হলেও এর আর্থিক পরিণতি গুরুতর হতে পারে। তাই উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি, গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত করার সক্ষমতা এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত পরীক্ষার অগ্রগতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি চুক্তি পুনর্বিন্যাসের প্রস্তুতিও এখনই নিতে হবে।প্রশ্ন : বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক সঙ্কটের ব্যাপ্তি কতটা?জাভেদ হোসেইন : সরকারের উদ্যোগে প্রস্তুত করা শ্বেতপত্রে ২০১০ সালের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি-সংক্রান্ত বিশেষ বিধান আইনের আওতায় ৪১টি স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের চুক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব চুক্তির আওতায় মোট উৎপাদনক্ষমতা ৬ হাজার ৩০৮ মেগাওয়াট।অন্য দিকে জাতীয় পর্যালোচনা কমিটির হিসাবে, অতিরিক্ত সক্ষমতা-ভিত্তিক চার্জের কারণে বাংলাদেশের বছরে সর্বোচ্চ ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হতে পারে। এটি কমিটির একটি প্রাক্কলন; বিচারিক প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত অর্থ নয়। তবু এই হিসাব বিদ্যুৎ খাতের চুক্তিগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।এখানে মূল সমস্যা হলো, বিদ্যুৎ উৎপাদিত না হলেও কিছু চুক্তির আওতায় নির্ধারিত সক্ষমতাভিত্তিক অর্থ পরিশোধ করতে হয়। ফলে চাহিদা কমে গেলে বা কোনো কেন্দ্র অলস পড়ে থাকলেও আর্থিক দায় থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না।প্রশ্ন : বিদ্যুৎ কেনার চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করতে সরকার কিভাবে এগোতে পারে?জাভেদ হোসেইন : চুক্তিগুলোকে প্রধানত দু’টি শ্রেণীতে ভাগ করে পর্যালোচনা করা উচিত।প্রথম শ্রেণীতে থাকবে প্রচলিত ক্রয়বিধি অনুসরণ করে প্রকৃত প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে অনুমোদিত প্রকল্প। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রে স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও বাজারদরের ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণের সুযোগ তুলনামূলক বেশি থাকে। তবে বিদ্যুতের চাহিদা কমে কোনো কেন্দ্র অর্থনৈতিকভাবে অকার্যকর হয়ে পড়লে যথাযথ বাণিজ্যিক সমঝোতার মাধ্যমে চুক্তি পুনর্বিন্যাসের সুযোগ খতিয়ে দেখা যেতে পারে।দ্বিতীয় শ্রেণীতে থাকবে ২০১০ সালের বিশেষ আইনের আওতায় দেয়া চুক্তিগুলো, বিশেষ করে যেগুলো প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। এসব চুক্তির ক্ষেত্রে বিদ্যুতের চাহিদা নিরূপণ, মূল্য নির্ধারণ, মালিকানার কাঠামো ও ঝুঁকি বণ্টনের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।২০২৪ সালের নভেম্বরে বিশেষ আইনটি বাতিল হলেও এর আওতায় করা চুক্তির দায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যায়নি। আবার ওই আইনের আওতায় কোনো প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছিল বলেই সেখানে দুর্নীতি হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তেও পৌঁছানো যাবে না। মূল প্রশ্ন হলো, প্রকল্পটি বাস্তবসম্মত বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে যুক্তিসঙ্গত ব্যয়ে নেয়া হয়েছিল কি না।প্রশ্ন : চুক্তির স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ?জাভেদ হোসেইন : প্রকৃত চুক্তি, অনুমোদনের নথি ও দরপত্রের শর্তই হবে শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি। কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি কেনার দরপত্র প্রতিযোগিতামূলক ছিল বলেই বিদ্যুৎ কেনার মূল চুক্তিটিও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে- এমন দাবি করা যাবে না।সরকারের উচিত প্রতিটি চুক্তির মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি, সক্ষমতা-ভিত্তিক চার্জ, জ্বালানি ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি ও চুক্তি বাতিলের শর্ত আলাদাভাবে পরীক্ষা করা। যেসব চুক্তি বহাল রাখলে জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি হয় বলে প্রমাণিত হবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে নিট সাশ্রয় নিশ্চিত করা সম্ভব হলে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে চুক্তি বাতিলের বিষয়টি অগ্রাধিকার দেয়া উচিত।আর যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে স্থায়ী চার্জ, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারভিত্তিক মূল্য সমন্বয় এবং অর্থ পরিশোধের কাঠামো পুনর্বিবেচনা করা দরকার। তবে যেকোনো সমঝোতার আগে যাচাই করা বকেয়া, অপরিশোধিত ঋণ, ঋণদাতার সম্মতি, ক্ষতিপূরণ এবং বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যয় হিসাব করতে হবে। জনগণের প্রয়োজন কম খরচের বিদ্যুৎব্যবস্থা- দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল সালিশি প্রক্রিয়ার পর আরেকটি বড় বিল নয়।প্রশ্ন : এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ কী শিখতে পারে?জাভেদ হোসেইন : পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেশটি মোট ২ হাজার ৪৬৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সমঝোতার মাধ্যমে বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। পাকিস্তান সরকারের ঘোষিত হিসাব অনুযায়ী, এসব চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদে মোট ৪১১ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি সাশ্রয়ের কথা ছিল। এটি বার্ষিক সাশ্রয় নয়; চুক্তিগুলোর বাকি পুরো মেয়াদের সম্ভাব্য সাশ্রয়।এরপর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের মন্ত্রিসভা আরো ১৪টি স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংশোধিত চুক্তি অনুমোদন করে। এসব চুক্তি থেকে বছরে ১৩৭ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি সাশ্রয়ের প্রত্যাশা জানানো হয়। দু’টি ঘোষণা পৃথক সময়ের এবং পৃথক হিসাবের ওপর ভিত্তি করে দেয়া হয়েছিল। তাই যাচাই ছাড়া সেগুলো একত্র করে সাশ্রয়ের হিসাব দেখানো ঠিক হবে না।পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা আরো একটি বিষয় স্পষ্ট করে- চুক্তিকে ‘টেক-অ্যান্ড-পে’ বা বিদ্যুৎ নিলে মূল্য পরিশোধের ব্যবস্থা বললেই সক্ষমতাভিত্তিক সব দায় শেষ হয়ে যায় না।দেশটির নিশাত পাওয়ারের সংশোধিত চুক্তিতে মালিকানাসংশ্লিষ্ট মুনাফার একটি অংশ নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে বহাল রাখা হয়েছিল। উৎপাদনের সাথে যুক্ত অতিরিক্ত পাওনা পাওয়ার শর্তও ছিল। অর্থাৎ এটি ছিল মিশ্র ধরনের সমঝোতা, সক্ষমতা-ভিত্তিক সব অর্থ পরিশোধ পুরোপুরি বাতিল করার উদাহরণ নয়।বাংলাদেশেরও উচিত চুক্তির নামের ওপর নির্ভর না করে প্রতিটি শুল্ক ও চার্জের প্রকৃত কাঠামো ধরে আলোচনা করা।প্রশ্ন : ডলারের বিনিময় হার বিদ্যুৎ খাতের ব্যয়কে কিভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে?জাভেদ হোসেইন : বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে ডলারনির্ভর মূল্য সমন্বয় বড় আর্থিক চাপ তৈরি করছে। ২০২১ সালের জুনের শেষে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৪ টাকা ৮০ পয়সা। ২০২৫ সালের জুনের শেষে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২২ টাকা ৭৭ পয়সায়। অর্থাৎ ডলারে নির্ধারিত কোনো দায় অপরিবর্তিত থাকলেও শুধু বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে টাকায় তার ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ।এর সাথে চুক্তিতে নির্ধারিত অন্যান্য মূল্য সমন্বয় যুক্ত হলে ব্যয় আরো বাড়তে পারে। অথচ এতে অতিরিক্ত এক ইউনিট বিদ্যুৎও পাওয়া যায় না। তাই চুক্তি পুনর্বিন্যাসের আলোচনায় অযৌক্তিক ডলারনির্ভর মূল্য সমন্বয় বাদ দেয়া বা সীমিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়া উচিত।প্রশ্ন : ডলারভিত্তিক সক্ষমতা চার্জের প্রভাব বোঝাতে কোনো উদাহরণ দেয়া যায়?জাভেদ হোসেইন : সরবরাহ করা সিএলসি চুক্তির উদাহরণে দেখা যায়, প্রথম থেকে দশম চুক্তিবর্ষ পর্যন্ত সক্ষমতা-ভিত্তিক শুল্কের কয়েকটি উপাদান ডলারে নির্ধারিত, যা পরে টাকায় রূপান্তর করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় মুদ্রাভিত্তিক একটি উপাদানও রয়েছে।চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ১০৮ মেগাওয়াট সক্ষমতার ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতির সমন্বয় অপরিবর্তিত ধরে একটি উদাহরণমূলক হিসাব করা হয়েছে। আগের বিনিময় হার অনুযায়ী বার্ষিক সক্ষমতাভিত্তিক বিল দাঁড়ায় ১২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। পরবর্তী বিনিময় হার অনুযায়ী তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। অর্থাৎ শুধু বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে বছরে ব্যয় বাড়ে ৫১ কোটি ৪০ লাখ টাকা।এটি চুক্তির শর্ত ব্যবহার করে তৈরি একটি উদাহরণমূলক হিসাব, সিএলসির প্রকৃত বিলের হিসাব নয়।বিদেশী মুদ্রায় নির্ধারিত মূল্য সমন্বয়যোগ্য অংশে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী মূল্যস্ফীতির প্রভাবও যুক্ত হতে পারে। ফলে বিনিময় হার ও মূল্যস্ফীতির সম্মিলিত প্রভাবে ব্যয় বাড়ে। এ কারণে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) উচিত প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অর্থায়ন, ঋণের মুদ্রা ও প্রকৃত ব্যয়ের কাঠামো নিরীক্ষা করা। এরপর স্থানীয় ব্যয়ের অংশগুলো টাকাভিত্তিক করার বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিকানা দেশীয় হলেই তার সব অর্থায়ন টাকায় হয়েছে- এমন ধারণা করা যাবে না। একইভাবে, শুধু আজকের বিনিময় হার ধরে মূল্য রূপান্তরের ব্যবস্থা করলেই অতীতে বেড়ে যাওয়া ব্যয় কমবে না। তাৎক্ষণিক সাশ্রয়ের জন্য দর-কষাকষির মাধ্যমে মূল নির্ধারিত অর্থের পরিমাণও কমাতে হবে।প্রশ্ন : চুক্তির শর্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে সরকার কী ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে?জাভেদ হোসেইন : চুক্তি ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিএলসি চুক্তির ১৩.২(জে) ধারায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর যোগ্য বিল পরিশোধ না হলে এবং বিলের নির্ধারিত তারিখের পর ১০ কর্মদিবস অতিবাহিত হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যসম্পাদন স্থগিত রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে ওই স্থগিতাবস্থাতেও সক্ষমতাভিত্তিক অর্থ পরিশোধের বিধান বহাল থাকে।ধারাটিতে স্থগিতাদেশ কার্যকর করার আগে পৃথক নোটিশ দেয়ার কোনো সুস্পষ্ট পূর্বশর্ত নেই। একই সাথে বিলম্বিতভাবে চুক্তির শর্ত প্রয়োগ করলেই অধিকার পরিত্যক্ত হয়েছে বলে ধরে নেয়ার সুযোগও সীমিত করা হয়েছে।তাই দর-কষাকষির কৌশল হিসেবে ইচ্ছাকৃতভাবে বিল পরিশোধ বন্ধ রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, বিরোধ সৃষ্টি এবং সালিশি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হতে পারে। এর পরিবর্তে বিপিডিবির উচিত প্রতিটি বিল, বিরোধপূর্ণ পাওনা, পরিশোধের রেকর্ড, পরীক্ষিত উৎপাদনক্ষমতা এবং পরিচালনসংক্রান্ত তথ্য মিলিয়ে দেখা। যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতেই চুক্তি পুনর্বিন্যাসের আলোচনা করতে হবে।প্রশ্ন : সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি কি একই পদ্ধতিতে পুনর্বিন্যাস করা সম্ভব?জাভেদ হোসেইন : না। চুক্তির অবশিষ্ট মেয়াদ, বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা, অর্থায়নের ধরন এবং বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে আলাদা কৌশল নিতে হবে।মেয়াদ শেষের কাছাকাছি থাকা কেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রে চুক্তি নবায়ন না করা অথবা শুধু উৎপাদিত বিদ্যুতের জন্য মূল্য পরিশোধের ভিত্তিতে সীমিত মেয়াদে চুক্তি বাড়ানোর বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে।মধ্যম মেয়াদের চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত অর্থের ছাড় দিয়ে আগাম চুক্তি নিষ্পত্তি অথবা স্থায়ী চার্জ কমানোর মাধ্যমে সাশ্রয় সম্ভব হতে পারে।দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে অর্থায়নের কাঠামো, বিদ্যুতের মূল্য ও সক্ষমতাভিত্তিক অর্থ পরিশোধের শর্ত সতর্কতার সাথে পুনর্বিন্যাস করতে হবে।মূল চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, সিএলসির চুক্তির মেয়াদ ২০৩২ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে এবং সামিট গাজীপুর-২-এর মেয়াদ ২০৩৩ সালের মে মাসের দিকে শেষ হওয়ার কথা। তবে সংশোধনী ও বর্তমানে কার্যকর চুক্তিগত অবস্থান যাচাই করে সময়সীমা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।প্রশ্ন : বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বাড়ালেই কি বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় কমে যাবে?জাভেদ হোসেইন : শুধু উৎপাদন বাড়ালেই ব্যয় কমবে না। কমসংখ্যক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বেশি সময় চালিয়ে উৎপাদন বাড়ালে কিছু ক্ষেত্রে ব্যয় কমাতে পারে। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় কেন্দ্রগুলোর অর্থ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা বহাল থাকলে সেই সুফল সীমিত থাকবে।একই পরিমাণ বিদ্যুৎ দু’টি কেন্দ্রের পরিবর্তে একটি কেন্দ্র থেকে উৎপাদন করা হলেও উভয় কেন্দ্রের চুক্তি বহাল থাকলে সম্মিলিত সক্ষমতাভিত্তিক বিল কমবে না। আবার শুধু নির্দিষ্ট চার্জের বোঝা বেশি ইউনিটের মধ্যে ভাগ করে দেখানোর জন্য ভারী জ্বালানি তেলভিত্তিক কেন্দ্র চালানো হলে মোট ব্যয় উল্টো বেড়ে যেতে পারে।সরকারকে তাই উৎপাদন ব্যয়, সক্ষমতা চার্জ, জ্বালানি ব্যয়, সঞ্চালনব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং বিদ্যুতের চাহিদা একসাথে বিবেচনা করতে হবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত সর্বনি¤œ মোট ব্যয়ে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা।প্রশ্ন : রূপপুরের বিদ্যুৎকে কাজে লাগিয়ে সরকার কিভাবে বাস্তবিক অর্থে সাশ্রয় নিশ্চিত করতে পারে?জাভেদ হোসেইন : প্রথমত. রূপপুরের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বাণিজ্যিক উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত. কোন সময়ে কত বিদ্যুৎ প্রয়োজন হবে এবং কোন কেন্দ্র থেকে উৎপাদন করলে মোট ব্যয় কম হবে, তার বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা করতে হবে। তৃতীয়ত. বিদ্যুৎ কেনার সব চুক্তির আর্থিক দায় ও ঝুঁকি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় এবং অপ্রয়োজনীয় সক্ষমতার মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করতে হবে।চতুর্থত. যেসব চুক্তিতে অযৌক্তিক ব্যয় বা জনস্বার্থবিরোধী শর্ত পাওয়া যাবে, সেগুলো আইনসম্মত ও বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য উপায়ে পুনর্বিন্যাস করতে হবে। পঞ্চমত. প্রতিটি সমঝোতার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সাশ্রয়ের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ, ঋণদাতার দাবি, বিকল্প বিদ্যুতের ব্যয় এবং বিরোধ নিষ্পত্তির ঝুঁকিও হিসাব করতে হবে।সবশেষে, অর্জিত সাশ্রয় যেন বিদ্যুতের মূল্য, শিল্পের উৎপাদন ব্যয় এবং রাষ্ট্রীয় বাজেটের ওপর চাপ কমাতে কাজে লাগে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। রূপপুর বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে একটি কৌশলগত সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু সেই সুযোগকে স্থায়ী আর্থিক সুফলে রূপান্তর করতে হলে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চুক্তির কাঠামোতেও সংস্কার আনতে হবে।

NayaDiganta • 3 Days, Nov 1, 2026 1:33 AM
0
• 0 min read
Business

বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির ৫০ বছর উদযাপন / বারভিডা কার প্রদর্শনি শুরু ৫ নভেম্বর

বাংলাদেশে জাপানি গাড়ির ৫০ বছরের গৌরবময় যাত্রা উদযাপন এবং রিকন্ডিশন্ড গাড়ির বাজারকে আরও গতিশীল করতে আগামী ৫ নভেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বারভিডা কার প্রদর্শনি। রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) এই প্রদর্শনী চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।

Samakal • 3 Days, Nov 1, 2026 1:27 AM
0
• 0 min read
Fri ☀️ 31°
Sat ⛅ 30°
Sun 🌧️ 28°
Mon ⛅ 29°
Tue ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper