নিরাপত্তা শঙ্কায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দলে নেই রোনালদো
Sports

নিরাপত্তা শঙ্কায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দলে নেই রোনালদো

রোনালদো আগের ম্যাচেও বিশ্রাম পেয়েছিলেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ওয়াসল নিরাপত্তাজনিত কারণে রিয়াদ সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানানোয় ম্যাচটি স্থগিত করেছিল এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)।

Inqilab • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:27 AM
0
• 0 min read
World

যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আছড়ে পড়ল উড়োজাহাজ, ৯ আরোহীর সবাই নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পাম বিচ কাউন্টিতে একটি প্রাইভেট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। বাহামাগামী ‘লিয়ারজেট ৬০’ মডেলের বিমানটি একটি আবাসিক এলাকার কাছাকাছি সড়কে তীব্র গতিতে আছড়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়।

AjkerPatrika • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:26 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

অটোরিকশা ছিনতাইয়ের অপবাদে গণপিটুনিতে নিহত ১

নওগাঁর বদলগাছীতে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের অভিযোগে গণপিটুনির শিকার হায়দার আলী (৫০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান। এর আগে গুরুতর আহত অবস্থায় শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।নিহত হায়দার আলী জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের দেওনাহার গ্রামের মৃত কহির উদ্দিনের ছেলে। স্বজনদের দাবি, হায়দার আলী কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ও ভবঘুরে স্বভাবের ছিলেন।রোববার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ওয়ার্ডের বারান্দায় গিয়ে দেখা যায়, কাপড়ে ঢাকা হায়দার আলীর নিথর দেহ পড়ে আছে। পাশে বসে আছেন পুলিশের দুজন সদস্য এবং লাশের চারপাশ ঘিরে কাঁদছেন স্বজনেরা।নিহতের দুলাভাই আব্দুল মজিদ জানান, হায়দার আলী একসময় ঢাকায় রিকশা চালাতেন। কয়েক বছর আগে তা ছেড়ে বাড়ি চলে আসেন। বিয়ের পরপরই স্ত্রী তাকে তালাক দিয়ে চলে যাওয়ার পর থেকে তিনি একাকী জীবনযাপন করছিলেন এবং কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। রাত ১২টার দিকে হাসপাতাল থেকে ফোনের মাধ্যমে তারা হায়দারের চিকিৎসাধীন থাকার খবর পান। রোববার সকাল ১১টায় হাসপাতালে এসে জানতে পারেন তিনি আর বেঁচে নেই।আব্দুল মজিদের অভিযোগ, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বদলগাছীর পাহাড়পুর এলাকায় হায়দারকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়, যার আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে।নিহতের ভাতিজা মামুন হোসেন বলেন, দুদিন আগে বদলগাছী এলাকায় যাত্রী সেজে চালককে অজ্ঞান করে একটি অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার একটি সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার বিকেলে তার চাচা পাহাড়পুর বাজারে গেলে ওই ভিডিওর ছিনতাইকারী সন্দেহে তাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়। মামুন দাবি করেন, ভিডিও ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারার সঙ্গে তার চাচার চেহারার কোনো মিল নেই। তার চাচা ভবঘুরে হলেও কখনোই চুরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নাজমুল হক জানান, শনিবার রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় হায়দার আলীকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধরের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান।আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদি মাসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বদলগাছী থেকে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনার সূত্র ধরে ভিডিও ফুটেজ দেখে সন্দেহবশত পাহাড়পুর এলাকায় এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে আক্কেলপুরে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রোববার সকালে তিনি মারা যান। যেহেতু ঘটনাটি বদলগাছী থানা এলাকায় ঘটেছে, তাই সেখানে মামলা দায়ের হবে। আক্কেলপুর থানা পুলিশ সুরতহাল শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করছে।এ বিষয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঘন্টাটি আমরা অবগত হয়েছি। নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমাদের একাধিকবার কথা হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Sangbad • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:26 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

বিনিয়োগে খরা, আস্থার সংকটে স্থবির অর্থনীতি

উদ্বৃত্ত তারল্য মানেই অলস অর্থ নয়। আমানত থেকে কোনো ব্যাংকের বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (এসএলআর) সংরক্ষণের পর বাকি অর্থ উদ্বৃত্ত তারল্য হিসেবে বিবেচিত হয়। বর্তমানে প্রচলিত ধারার একটি ব্যাংককে মোট আমানতের ১৩ শতাংশ এবং শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে ৪ শতাংশ এসএলআর রাখতে হয়। বিল ও বন্ডে বিনিয়োগের বিপরীতে এই অর্থ রাখার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দুই ধরনের ব্যাংককেই নগদ জমা অনুপাত (সিআরআর) হিসেবে আরও ৪ শতাংশ অর্থ রাখতে হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্ট শেষে ব্যাংক খাতের উদ্বৃত্ত তারল্য দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। আগের মাস জুলাই শেষে এর পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ২৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা। গত জুনে ছিল ৪ লাখ ১৪ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। গত বছরের ডিসেম্বর শেষে উদ্বৃত্ত তারল্য ছিল ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের জুন শেষে ছিল ২ লাখ ৮৩ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুন শেষে এর পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। এর কারণ হিসেবে দেখা যায়, বিনিয়োগের চাহিদা কম থাকায় ব্যাংক খাতের উদ্বৃত্ত তারল্য ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। বিকল্প হিসেবে এই অর্থের বড় অংশ দিয়ে ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকারকে ঋণ দেওয়ার চেষ্টা করছে ব্যাংকগুলো।পরিসংখ্যান বলছে, কম সুদের ঋণ দিতেও আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ব্যাংকাররা। ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা করতে কম সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক গত মে মাসে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। এই তহবিল থেকে গত ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে মাত্র ১১ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা। এই প্যাকেজের আওতায় বন্ধ শিল্প ও সেবাখাতের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে এ পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে মাত্র ৫৬১ কোটি টাকা। গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, সবুজ কারখানায় রূপান্তর, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা রপ্তানি এবং হিমায়িত চিংড়িসহ বিভিন্ন খাতের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে এক টাকাও বিতরণ হয়নি।এবার কৃষি ও পল্লিঋণের চিত্রের দিকে তাকানো যাক। দেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থানে কৃষি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) কৃষির অবদান ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ। প্রায় ৪৬ শতাংশ মানুষের কর্মসংস্থান এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতার পর থেকে কৃষি উৎপাদন তিন গুণের বেশি বেড়েছে। ধান, স্বাদুপানির মাছ, পাট ও আলু উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, আবাদযোগ্য জমি কমে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব কৃষি খাতের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।চলতি অর্থবছরের শুরুতে কৃষিঋণ বিতরণের গতি কিছুটা বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে রয়েছে ব্যাংকগুলো। এ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) কৃষিঋণ বিতরণ হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা, যা পুরো অর্থবছরের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১২ শতাংশ। তবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কৃষিঋণ বিতরণ বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি কৃষিঋণ বিতরণ হয়েছে শস্য উপখাতে, যদিও তা আগের বছরের তুলনায় কম (সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন)।এবার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য কৃষি ও পল্লিঋণ খাতে ৩৯ হাজার কোটি টাকা বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর নিজস্ব শাখা ও অন্যান্য ব্যবস্থার মাধ্যমে বরাদ্দের ৫০ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে হবে। এই ৫০ শতাংশের মধ্যে শস্য ও ফসল উপখাতে ৫৫ শতাংশ, প্রাণিসম্পদ উপখাতে ২০ শতাংশ এবং মৎস্য উপখাতে ১৫ শতাংশ বিতরণের কথা বলা হয়েছে। আগের নীতিমালায় শস্য ও ফসল উপখাতে ৬০ শতাংশ, প্রাণিসম্পদ উপখাতে ১৫ শতাংশ এবং মৎস্য উপখাতে ১৫ শতাংশ ঋণ বিতরণের কথা বলা হয়েছিল। অর্থাৎ এবার প্রাণিসম্পদ উপখাতে ঋণের বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে কমানো হয়েছে শস্য ও ফসল উপখাতে।বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়—ব্যাংক খাতে তারল্য থাকলেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগ বাড়ছে না। এর কারণ অর্থের অভাব নয়, বরং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশের ঘাটতি। একজন উদ্যোক্তা নতুন প্রকল্প নেওয়ার আগে শুধু ঋণের সুদহার বিবেচনা করেন না। তিনি দেখেন, বাজারে চাহিদা কেমন, উৎপাদন ব্যয় কত, গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়মিত পাওয়া যাবে কি না, কর ও নিয়ন্ত্রক নীতি কতটা স্থিতিশীল এবং ভবিষ্যতে ব্যবসার পরিবেশ কেমন থাকবে। এসব বিষয়ে অনিশ্চয়তা থাকলে ব্যাংকে অর্থ পড়ে থাকলেও উদ্যোক্তা ঋণ নিতে আগ্রহী হন না।উচ্চ সুদহার অবশ্যই বিনিয়োগের পথে একটি বড় বাধা। তবে শুধু সুদহার কমিয়ে সমস্যার সমাধান হবে—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ ঋণের ব্যয় কমলেও যদি বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নিশ্চয়তা না থাকে, বাজার দুর্বল থাকে, করব্যবস্থা জটিল হয় এবং নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে সংশয় থাকে, তাহলে উদ্যোক্তা নতুন বিনিয়োগে যাবেন না। তাই বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করা জরুরি।বাজেটে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য কর ও অন্যান্য প্রণোদনার ঘোষণা দিলেই হবে না। এসব সুবিধা বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়মিত মূল্যায়ন করতে হবে। কোন খাতে বিনিয়োগ বাড়ছে, কোথায় বাধা রয়ে গেছে এবং কোন সরকারি সংস্থার কারণে প্রকল্প আটকে আছে—এসব বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যেসব অবকাঠামো সরাসরি উৎপাদন, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান বাড়াতে পারে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বাড়ানো এবং অপচয় কমানোও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সীমিত রাজস্ব দিয়ে বিনিয়োগবান্ধব অবকাঠামো তৈরি করতে হলে ব্যয়ের প্রতিটি টাকার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে।শেষ পর্যন্ত বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত অর্থনৈতিক হিসাবের পাশাপাশি আস্থার ওপরও নির্ভর করে। উদ্যোক্তা যদি মনে করেন, তাঁর বিনিয়োগের পরিবেশ স্থিতিশীল থাকবে, জ্বালানি পাওয়া যাবে, ঋণ পাওয়া সহজ হবে, করনীতি পূর্বানুমানযোগ্য থাকবে এবং নীতি হঠাৎ বদলাবে না, তাহলে তিনি ঝুঁকি নিতে আগ্রহী হবেন। একই নিশ্চয়তা বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও দিতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আবার গতিশীল করতে হলে শুধু বিনিয়োগের জন্য প্রণোদনা দিলেই চলবে না, বিনিয়োগের অনুকূল আস্থার পরিবেশ তৈরি করাই এখন সবচেয়ে জরুরি। এই আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারলেই অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের গতি বাড়বে এবং বাংলাদেশও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠতে পারবে।বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইনোভিশন কনসালটিংয়ের অর্থায়ন ও সহায়তায় পরিচালিত ‘অনুমোদন বিষয়ে জনমত জরিপ ২০২৬’-এর ফলাফল গত ১৯ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্কদের একটি দলের ওপর পরিচালিত এই জরিপে ১০ হাজার ৪১৩টি ফোনকল করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রম নিয়ে জনমতকে ‘সতর্ক আশাবাদ’ হিসেবে অভিহিত করা যায়। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আশার আলো থাকলেও দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। উত্তরদাতাদের বড় একটি অংশ মনে করেন, আগের তুলনায় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কিছুটা খারাপ হয়েছে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, বিনিয়োগ এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতিকে সাধারণ মানুষ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সামগ্রিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের কার্যক্রমে সন্তুষ্টি থাকলেও দৈনন্দিন জীবনে প্রকৃত উন্নতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সাধারণ মানুষ এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।ব্যাংক খাতের সংস্কার বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের আরেকটি পূর্বশর্ত। দীর্ঘদিনের অনিয়মের ফলে খেলাপি ঋণ বেড়েছে এবং ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল হয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবেই সতর্ক। প্রকৃত খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতি নির্ধারণ, সম্পদের গুণগত মান যাচাই, দুর্বল ব্যাংকের সময়বদ্ধ পুনর্গঠন এবং ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভালো ঋণগ্রহীতা ও ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের একভাবে বিবেচনা করা যাবে না। উৎপাদনশীল খাতে ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করতে হলে ব্যাংক খাতে আস্থা ও সুশাসন ফিরিয়ে আনতে হবে।এ ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এসব প্রতিষ্ঠান কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও অর্থায়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা বাধার মুখে পড়ে। জামানতের সীমাবদ্ধতা, ঋণের উচ্চ ব্যয়, জটিল কাগজপত্র এবং ব্যাংকগুলোর ঝুঁকি নিতে অনীহা তাদের বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করে। তাই ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, রপ্তানিমুখী খাত, কৃষিভিত্তিক পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক অর্থায়ন বাড়াতে হবে।(লেখকের নিজস্ব মত)[লেখক: সাবেক ডিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ, সিটি ইউনিভার্সিটি]

Sangbad • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:25 AM
0
• 0 min read
Entertainment

জন্মদিনে মান্নাতের সামনে ভক্তদের ঢল, আইকনিক পোজে কৃতজ্ঞতা শাহরুখের

বলিউড তারকা শাহরুখ খানের জন্মদিন ঘিরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় তার বাসভবন ‘মান্নাত’-এর সামনে ভিড় করেন হাজারো ভক্ত। প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে মধ্যরাত থেকেই সেখানে জড়ো হতে থাকেন তারা। ভক্তদের এমন ভালোবাসার জন্য বিশেষ বার্তায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন শাহরুখ। সোমবার (২ নভেম্বর)...

Ittefaq • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:24 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখর চলনবিল, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

শীতের আগমনে সিরাজগঞ্জের চলনবিল অঞ্চলে বাড়ছে দেশি ও পরিযায়ী পাখির আনাগোনা। বিলের জলাশয়, ধানক্ষেত ও গাছপালায় আশ্রয় নিচ্ছে নানা প্রজাতির পাখি। এবার পাখি রক্ষায় এগিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে পাখি শিকারিরাও তৎপর হয়ে উঠেছেন। তারা পাখি ধরতে বিভিন্ন স্থানে ফাঁদ পেতে রাখছেন। তাড়াশের উলিপুর গ্

AmarDesh • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:24 AM
0
• 0 min read
Bangla

কালো পোশাক যেভাবে স্টাইল করবেন

ফ্যাশন দুনিয়ায় ক্ল্যাসিক ও শক্তিশালী রংগুলোর একটি হলো কালো। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো কোনো সাধারণ রং নয়, এটি আত্মবিশ্বাস, আভিজাত্য ও নিজস্ব শক্তির অনন্য প্রতীক। সঠিক কৌশল জানা থাকলে কালো পোশাক দিয়ে প্রকাশ করা যায় দারুণ রুচিশীলতা।

AjkerPatrika • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:24 AM
0
• 0 min read
Bangla

ফেনীতে ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার দ্রুত বিচার, গণভোটে পাওয়া জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী জুলাই চার্টার বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা, পিলখানা ও শাপলা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে ফেনীতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করেছে ইনকিলাব মঞ্চ।\r\n\r\nরোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয়

AmarSangbad • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:23 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

মহম্মদপুরে মধুমতির নৌকাবাইচে লাখো মানুষের ঢল

বৈঠার ছন্দ, কাঁসার ঘণ্টার ধ্বনি আর মাঝি-মাল্লাদের হেঁইও রবে মুখরিত মধুমতি নদী।

Inqilab • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:21 AM
0
• 0 min read
Bangla

আয় নেই, রিটার্ন নেই, তবু টিআইএনধারীর জরিমানা কেন?

টিআইএন নিয়েছিলেন কয়েক বছর আগে। তখন প্রয়োজন ছিল। জমি কিনবেন, ব্যাংক হিসাব খুলবেন, ব্যবসা করবেন কিংবা অনলাইনে আয় করবেন, যে কারণেই হোক টিআইএন নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে আর আয় হলো না। কাজও হলো না। রিটার্নও দেওয়া হলো না। এভাবে বছর কেটে গেল। হঠাৎ একদিন কর কর্তৃপক্ষের নোটিশ। তখনই প্রশ্ন, আয় যখন নেই, করই যখন দিতে হবে না, তাহলে জরিমানা কেন? এখানেই রয়েছে অনেক করদাতার বড় ভুল বোঝাবুঝি।কারণ রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আর কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা এক বিষয় নয়। একজন ব্যক্তির করযোগ্য আয় শূন্য হতে পারে, কিন্তু আইন অনুযায়ী তার রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে। আর নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল না করলে, কর না থাকলেও জরিমানার মুখে পড়ার সুযোগ রয়েছে।বাংলাদেশে টিআইএন নেওয়ার ঘটনা এখন খুবই সাধারণ। চাকরি, ব্যবসা, জমি কেনাবেচা, ব্যাংকিং, সরকারি সেবা কিংবা বিভিন্ন আর্থিক কর্মকাণ্ডের প্রয়োজনে মানুষ টিআইএন নিচ্ছেন। কেউ আবার ফেসবুক, ইউটিউব বা অন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আয় করবেন ভেবে আগেই টিআইএন নিয়েছেন। কিন্তু প্রয়োজন শেষ হওয়ার পর অনেকেই ধরে নেন, টিআইএন তো শুধু নিয়েছিলাম, আয়ই তো হয়নি, রিটার্ন দেওয়ারও দরকার নেই। এই একটি ধারণাই পরে বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৬৬-এ নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যক্তির রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর রিটার্ন দাখিলে বাধ্য হলে ধারা ১৭০ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল করতে হয়। অর্থাৎ আয় নেই, এই কথাটিই সবসময় রিটার্ন না দেওয়ার বৈধ কারণ নয়। প্রথমে দেখতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলে বাধ্য কি না। যদি বাধ্য হন, তাহলে নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।এখানেই আসে জরিমানার বিষয়টি। অনেকেই মনে করেন, করযোগ্য আয় নেই এবং কর পরিশোধযোগ্যও নেই, তাই রিটার্ন দিতে দেরি হলেও কোনো জরিমানা হবে না। কিন্তু রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল না করলে কর পরিশোধযোগ্য না থাকলেও জরিমানা প্রযোজ্য হতে পারে।ধরা যাক, একজন করদাতার করযোগ্য আয় নেই। হিসাব করে তার পরিশোধযোগ্য কর দাঁড়াল শূন্য টাকা। তিনি ভাবলেন, করই যখন নেই, রিটার্ন না দিলেও কিছু হবে না। কিন্তু যদি তিনি আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলে বাধ্য হন এবং নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন না দেন, তাহলে শুধু কর শূন্য হওয়ার কারণে জরিমানা থেকে মুক্তি নিশ্চিত নয়।কর কর্তৃপক্ষের নোটিশ পাওয়ার আগে বিলম্বিত রিটার্ন দাখিল করা হলে এবং কর পরিশোধযোগ্য না থাকলে ন্যূনতম জরিমানা ৫ হাজার টাকা হতে পারে। অন্যদিকে, নোটিশ পাওয়ার পর রিটার্ন দাখিল করলে প্রযোজ্য ন্যূনতম জরিমানা ১০ হাজার টাকা হতে পারে। অর্থাৎ নোটিশ আসার আগেই বিলম্বিত রিটার্ন দাখিল করলে জরিমানার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে।বিষয়টি একটি উদাহরণ দিয়ে আরও পরিষ্কার করা যায়। ধরা যাক, একজন করদাতার পরিশোধযোগ্য কর ৫০ হাজার টাকা। তিনি যদি কর কর্তৃপক্ষের নোটিশ পাওয়ার আগে নিজ উদ্যোগে বিলম্বিত রিটার্ন দাখিল করেন, তাহলে ধারা ১৭৪(২) অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকার ১০ শতাংশ হয় ৫ হাজার টাকা। প্রযোজ্য ন্যূনতম জরিমানার বিধান বিবেচনায় তার জরিমানা হবে ৫ হাজার টাকা।অন্যদিকে একই করদাতা যদি কর কর্তৃপক্ষের নোটিশ পাওয়ার পর রিটার্ন দাখিল করেন, তাহলে ধারা ১৭৪(৩) অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকার ১৫ শতাংশ হয় ৭ হাজার ৫০০ টাকা। তবে প্রযোজ্য ন্যূনতম জরিমানার কারণে তার জরিমানা হবে ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ একই করদাতা, একই করের পরিমাণ, কিন্তু সময়ের ব্যবধানেই জরিমানার অঙ্ক বদলে যেতে পারে।এখন প্রশ্ন, টিআইএন নেওয়ার যে প্রয়োজন ছিল, সেটি যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে কি রিটার্নের দায়িত্বও শেষ হয়ে যাবে? ধরা যাক, একজন ব্যক্তি জমি কেনার জন্য টিআইএন নিয়েছিলেন। পরে জমি কেনা হয়নি। আবার কেউ ব্যাংকিংয়ের প্রয়োজনে টিআইএন নিয়েছিলেন, কিন্তু সেই প্রয়োজন আর নেই। কেউ অনলাইন ব্যবসা বা ইউটিউব থেকে আয় করার পরিকল্পনায় টিআইএন নিয়েছিলেন, কিন্তু বাস্তবে কোনো আয় হয়নি। এ অবস্থায় টিআইএন নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য শেষ হয়ে গেলেই রিটার্ন দাখিলের আইনগত দায়িত্বও শেষ হয়ে যাবে, এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।প্রথমে দেখতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আয়কর আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলে বাধ্য কি না। বাধ্য হলে নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। অর্থাৎ টিআইএন কেন নেওয়া হয়েছিল, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও রিটার্নের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণের একমাত্র বিষয় নয়।অনেক করদাতার প্রশ্ন, আমার তো কোনো করই নেই, তাহলে রিটার্ন দেব কেন? রিটার্নকে শুধু কর পরিশোধের কাগজ হিসেবে দেখলে বিষয়টি পুরোপুরি বোঝা যায় না। একজন করদাতার আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় এবং অর্থের উৎসসহ বিভিন্ন আর্থিক তথ্য রিটার্নের মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়।একজন ব্যক্তির নিজের উপার্জন না থাকলেও তার সম্পদ থাকতে পারে, পরিবারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন কিংবা নিজের নামে বিভিন্ন ব্যয় হতে পারে। তাই আমার আয় নেই এবং আমার রিটার্ন দেওয়ার প্রয়োজন নেই, এই দুটি বক্তব্য সবসময় একই অর্থ বহন করে না। করযোগ্য আয় না থাকলে প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী করের পরিমাণ শূন্য হতে পারে। কিন্তু আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।এখন আসা যাক তাদের কথায়, যাদের টিআইএন কয়েক বছর আগে নেওয়া হলেও আজ পর্যন্ত কোনো রিটার্ন দাখিল করা হয়নি। একসঙ্গে কী করতে হবে, এর উত্তর সবার ক্ষেত্রে একই নয়। টিআইএন গ্রহণের তারিখ, কোন করবর্ষ থেকে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হয়েছে, আগে কোনো রিটার্ন দাখিল করা হয়েছিল কি না এবং বর্তমানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কর অবস্থা, এসব বিষয় বিবেচনা করতে হবে।বিশেষ করে ১ জুলাই ২০২৫-এর পর টিআইএন নিয়েছেন কিন্তু এখনো রিটার্ন দেননি, এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বর্তমান করবর্ষ থেকে নিয়মিত রিটার্ন দাখিল শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে আগের কোনো করবর্ষের রিটার্ন দিতে হবে কি না বা জরিমানা হবে কি না, তা ব্যক্তির পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য আইন দেখে নিশ্চিত হতে হবে। আর আগে থেকেই টিআইএন থাকলে কিন্তু কয়েক বছর রিটার্ন না দিয়ে থাকলে, কোন কোন বছরের রিটার্ন দেওয়া প্রয়োজন এবং কোনো জরিমানা প্রযোজ্য হবে কি না, তা আলাদাভাবে যাচাই করা উচিত।বিলম্বে রিটার্ন দাখিলের কারণে জরিমানা আরোপ হলে অনেকে ব্যক্তিগত অনুরোধের মাধ্যমে জরিমানা কমানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শুধু ব্যক্তিগত অনুরোধের ভিত্তিতে আইন নির্ধারিত জরিমানা কমে যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই জরিমানা আরোপের আগে বা পরে প্রথমেই দেখতে হবে, কোন করবর্ষের জন্য জরিমানা হয়েছে, কেন হয়েছে এবং কোন আইনি বিধানের অধীনে হয়েছে।তবে সবচেয়ে নিরাপদ পথ হলো জরিমানা হওয়ার অপেক্ষা না করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা। টিআইএন নেওয়ার পর সেটিকে অপ্রয়োজনীয় ভেবে ফেলে রাখা যেমন ঠিক নয়, তেমনি শুধু আয় নেই বলেও রিটার্নের বিষয়টি উপেক্ষা করা উচিত নয়।প্রথমে নিজের কর অবস্থা যাচাই করতে হবে। আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে কি না, তা দেখতে হবে। থাকলে সময়মতো রিটার্ন দাখিল করতে হবে। আর দীর্ঘদিন রিটার্ন দাখিল না করে থাকলে পূর্ববর্তী করবর্ষগুলোর অবস্থাও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।কর ব্যবস্থায় দায়িত্ব শুধু কর পরিশোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সঠিক তথ্য দিয়ে সময়মতো রিটার্ন দাখিল করাও একজন করদাতার গুরুত্বপূর্ণ আইনগত দায়িত্ব। তাই টিআইএন আছে অথচ রিটার্ন দাখিল করছেন না, এমন হলে বিষয়টি অবহেলা না করে নিজের কর অবস্থা যাচাই করা জরুরি। কারণ আজকের ছোট্ট অবহেলাই ভবিষ্যতে জরিমানা, নোটিশ এবং বাড়তি জটিলতার কারণ হতে পারে।মনে রাখতে হবে, করযোগ্য আয় নেই মানেই সব ক্ষেত্রে রিটার্নের প্রয়োজন নেই, এমন নয়। আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকলে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। আর সময়মতো রিটার্ন দাখিল করাই জরিমানা ও অপ্রয়োজনীয় জটিলতা এড়ানোর সবচেয়ে নিরাপদ পথ।[লেখক: আয়কর আইনজীবী]

Sangbad • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:21 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

জামালপুরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, মামলায় কৃষক লীগ নেত্রী কারাগারে

জামালপুরের ইসলামপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় পুতুল রানী (২৮) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কৃষক লীগের এক নেত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে

ShomoyerAlo • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:20 AM
0
• 0 min read
Business

ট্রামবিরোধী সিনেটর প্রার্থী আল-সাইয়েদকে সমর্থন জানাল ইহুদি সংগঠন

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে ইহুদি সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ‘মিশিগান জুস ফর ডেমোক্রেসি’ ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী আবদুল আল-সাইয়েদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। একই সঙ্গে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে সমর্থন দেওয়ায় ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেন্সের সমালোচনা করেছে সংগঠনট

AmarDesh • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:19 AM
0
• 0 min read
Entertainment

সিনেমা পরিচালনা করবেন হিমেশ, হতে চান সুপারস্টার অভিনেতাও

বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক ও সংগীত পরিচালক হিমেশ রেশমিয়া এবার চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন। তবে তিনি একজন সুপারস্টার অভিনেতা হওয়ার স্বপ্নও দেখছেন। সম্প্রতি কমল নাহতার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন হিমেশ।  টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন...

Ittefaq • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:19 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়

শক্তি বাড়িয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়া ঝড়টি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ

ShomoyerAlo • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:19 AM
0
• 0 min read
Bangla

৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে তিনদিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা

এ কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ দৈনিক ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যাবে। এ সময়ে সারা দেশে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।

Ajkerpatrika • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:19 AM
0
• 0 min read
Bangla

দিনের ছবি (২ নভেম্বর , ২০২৬)

সবুজ পাতার বুকজুড়ে বেগুনি শিমফুলের সমারোহ। গ্রামবাংলার মাঠজুড়ে প্রকৃতি যেন ছড়িয়ে দিয়েছে মায়াবী রঙের ছোঁয়া। ছবিটি সোমবার সকালে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার উত্তর বাখরনগর এলাকা থেকে তোলা। ছবি: হারুনূর রশিদ

Ajkerpatrika • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:18 AM
0
• 0 min read
Bangla

উচ্চশিক্ষা, আত্মপ্রবঞ্চনার এক মহাকাব্য

আমরা যারা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিংবা প্রাক্তন শিক্ষার্থী, আমাদের কখনো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একটি প্রশ্ন করা উচিত—আমাদের শিক্ষার মূল্য কে পরিশোধ করেছে, আর আমরা তার বিনিময়ে দেশকে কী ফিরিয়ে দিয়েছি? আমাদের মেধার পেছনে ব্যয় হওয়া অর্থ কোনো রাজকীয় কোষাগারের উত্তরাধিকার নয়। এর প্রতিটি টাকার সঙ্গে মিশে আছে একজন রিকশাচালকের ঘাম, একজন গার্মেন্টস শ্রমিকের ওভারটাইম, একজন প্রবাসীর নির্বাসিত যৌবন এবং কোটি মানুষের না-পাওয়ার দীর্ঘশ্বাস।বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পেছনে রাষ্ট্রের যে বিনিয়োগ, তার অর্থ এসেছে এই খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকেই। যে রিকশাচালক নিজের সন্তানকে ভালো স্কুলে পড়াতে হিমশিম খান, তার উপার্জনের অংশ দিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে বসেছি। যে প্রবাসী বছরের পর বছর পরিবারের মুখ দেখতে পান না, তার পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রায় আমাদের শিক্ষার অবকাঠামো দাঁড়িয়ে আছে। অথচ প্রশ্ন হলো, আমরা তাদের কতটুকু প্রতিদান দিতে পেরেছি? নাকি জনগণের অর্থে উচ্চশিক্ষিত হয়ে জনগণের কাছ থেকেই দূরে সরে যাওয়ার সামাজিক লাইসেন্স অর্জন করেছি?একটি স্বনামধন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর—উভয় পরীক্ষায় ৩.৮৬ সিজিপিএ অর্জন করেছেন একজন শিক্ষার্থী। ৪৪তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে। অথচ বিষয়সংশ্লিষ্ট চাকরির সাক্ষাৎকার দিতে লন্ডনে গিয়ে নিয়োগকর্তার কাছ থেকে যা শুনতে হয়েছে তা অপ্রত্যাশিত । এটি একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, কোনো আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক শিক্ষাগত সমতুল্যতার সিদ্ধান্ত নয়। তবু অভিজ্ঞতাটি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সামনে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন রেখে যায়—পরীক্ষার ফলাফল আর বাস্তব দক্ষতার মধ্যে এত দূরত্ব কেন?এই সংকট যে নিছক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নয়, পরিসংখ্যানও তার সাক্ষ্য দিচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রিধারী বেকারের সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ৮৫ হাজার এবং উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর বেকারত্বের হার ১৩.৫৪ শতাংশ। আরও উদ্বেগজনক হলো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ২০২৬ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের (১৫ু২৯ বছর) বেকারত্বের হার প্রায় ২৫ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ আমরা একদিকে ডিগ্রির সংখ্যা বাড়াচ্ছি, অন্যদিকে সেই ডিগ্রিকে কর্মক্ষেত্রের কার্যকর দক্ষতায় রূপান্তর করতে হিমশিম খাচ্ছি। প্রশ্ন জাগে, আমরা কি মানবসম্পদ তৈরি করছি, নাকি শিক্ষিত বেকারত্বের এক বিশাল প্রদর্শনী সাজাচ্ছি?কেউ যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তুলনা করেন, তখন অপমান লাগে, ক্ষোভ হয়। কিন্তু শুধু ক্ষোভের উত্তাপে আয়নাটি ভেঙে ফেললে নিজের মুখ দেখা যায় না। বরং প্রশ্ন করা প্রয়োজন—আমরা কি আমাদের প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যের সমান যোগ্যতা অর্জন করছি? নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামটিকে ব্যক্তিগত দক্ষতার বিকল্প পরিচয়পত্র বানিয়ে ফেলেছি?আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কি চিন্তাশীল মানুষ, গবেষক, উদ্ভাবক ও সমস্যা সমাধানকারী তৈরি করছে, নাকি জিপিএর কারিগরি দক্ষতায় পারদর্শী কিছু সনদধারী নাগরিক তৈরি করছে? পরীক্ষার খাতায় নির্ভুল উত্তর লিখতে পারলেই যদি মেধার চূড়ান্ত স্বীকৃতি মেলে, তবে বাস্তব পৃথিবীর অজানা সমস্যার সমাধান করবে কে?অবশ্য দায় শুধু শিক্ষার্থীর নয়। দায় সেই শিক্ষকেরও, যিনি পাঠ্যবইয়ের বাইরে জ্ঞানের জানালা খুলতে ভুলে গেছেন; সেই প্রশাসকেরও, যিনি গবেষণার চেয়ে আনুষ্ঠানিকতাকে বেশি গুরুত্ব দেন; সেই নীতিনির্ধারকেরও, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ান, কিন্তু শিক্ষার মান ও কর্মমুখী দক্ষতার প্রশ্নে নীরব থাকেন। দায় আমাদেরও—আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় নিয়ে গর্ব করি, অথচ নিজেদের দুর্বলতা নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পাই।সবচেয়ে বড় বিদ্রূপ হলো, যে শ্রমিকের ঘামে আমাদের শিক্ষার প্রদীপ জ্বলে, তাকেই আমরা অশিক্ষিত বলে অবজ্ঞা করি। অথচ তার জীবনবোধ, শ্রমের শৃঙ্খলা, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই এবং দায়িত্ববোধের কাছে আমাদের অনেক তথাকথিত শিক্ষিত মানুষের শেখার আছে। তিনি হয়তো ইংরেজিতে জীবনবৃত্তান্ত লিখতে পারেন না, কিন্তু জীবনের যে কঠিন পরীক্ষায় প্রতিদিন উত্তীর্ণ হন, তার কোনো জিপিএ আমাদের সনদে লেখা নেই।পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য শুধু সমাবর্তনের ছবি, পদকের ঝলক কিংবা বিসিএসের সুপারিশের সংখ্যায় মাপা যায় না। মাপতে হবে গবেষণার মানে, উদ্ভাবনে, কর্মক্ষেত্রে দক্ষতায়, নাগরিক দায়িত্ববোধে এবং সাধারণ মানুষের জীবনে এর অবদানে।আমাদের আত্মসমালোচনা আত্মঅপমান নয়; এটি দায়বদ্ধতার প্রথম পাঠ। ডিগ্রি অর্জন ব্যক্তিগত সাফল্য, কিন্তু সেই ডিগ্রির পেছনে জনগণের বিনিয়োগ একটি সামাজিক আমানত। সেই আমানতের প্রতিদান দিতে না পারলে আমাদের অহংকারের মুকুট আসলে দায়মুক্তির মুখোশ ছাড়া কিছুই নয়।রাষ্ট্র আমাদের শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছিল, আমরা কি মানুষ হওয়ার দায়িত্ব পালন করেছি? জনগণ আমাদের পেছনে অর্থ বিনিয়োগ করেছিল মানুষ তৈরির আশায়; আমরা যদি কেবল সার্টিফিকেট তৈরি করি, তবে সমাবর্তনের আলোকসজ্জা যতই ঝলমলে হোক, তার আড়ালে যোগ্যতার জানাজাই অনুষ্ঠিত হবে।রাষ্ট্র মানুষ চেয়েছিল, আমরা সার্টিফিকেট হয়ে ফিরেছি—এই আত্মজিজ্ঞাসার উত্তর খুঁজে পাওয়ার দিনই হবে আমাদের প্রকৃত সমাবর্তন।(লেখকের নিজস্ব মত)[লেখক: গণমাধ্যমকর্মী]

Sangbad • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:18 AM
0
• 0 min read
Sports

সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট এল-সাইয়েদকে নয়, রিপাবলিকান রজার্সকে সমর্থন স্টিভেনসের

মিশিগান সিনেট নির্বাচনের দুই দিন আগে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য হ্যালি স্টিভেনস নিজ দলের প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদকে বাদ দিয়ে রিপাবলিকান মাইক রজার্সকে সমর্থন দিয়েছেন।

Inqilab • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:17 AM
0
• 0 min read
Bangla

শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে চাই কার্যকর উদ্যোগ

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গতকাল গাজীপুরের সফিপুর ও রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেছেন শ্রমিকেরা। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও হয়েছে শ্রমিকদের। ভাঙচুর ও যান চলাচল বন্ধের কারণে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কোনো কোনো কারখানায় শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।মজুরি বাড়ানোর দাবিতে বেশ কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকরা আন্দোলন করছেন। শ্রমিকরা বলছেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, বাড়িভাড়া, খাবারসহ প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সেই তুলনায় তাদের আয় বাড়েনি। ফলে স্বল্প আয়ের শ্রমিকদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের ন্যায্য মজুরির দাবি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।সংশোধিত শ্রম আইনে শিল্প খাতের শ্রমিকের মজুরি নির্ধারণের সময় পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি ইতিবাচক উদ্যোগ।তবে শুধু বোর্ড গঠন করলেই দায়িত্ব শেষ হবে না। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আস্থায় নিয়ে বোর্ডকে কাজ করতে হবে। মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে বাস্তবসম্মত মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিতে হবে। মজুরি নির্ধারণে দীর্ঘসূত্রতা করা যাবে না। দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান এই শিল্পে এমন অস্থিরতা কারও জন্যই ভালো নয়।সড়ক অবরোধ, ভাঙচুর কিংবা কারখানায় হামলা কোনো সমস্যার সমাধান নয়। এতে শ্রমিকদেরই কর্মসংস্থান ও আয় ঝুঁকিতে পড়ে। উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হলে দেশের রপ্তানি বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন প্রয়োজনের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ না করে সেটা নিশ্চিত করতে হবে।শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি এবং শিল্পের স্থিতিশীলতা পরস্পরের বিরোধী নয়। বরং একটির সঙ্গে অন্যটি জড়িত। মালিক, শ্রমিক ও সরকারকে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানে পৌঁছাতে হবে। শ্রমিকের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত না করে শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

Sangbad • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:17 AM
0
• 0 min read
Bangla

রক্তদাতা মিলছিল না, মুমুর্ষ রোগীর জীবন বাঁচাতে নিজেই রক্ত দিলেন চিকিৎসক

রোগীর জন্য জরুরি ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন হলেও স্বজনদের চেষ্টায় মিলছিল না কোনো রক্তদাতা। এমন পরিস্থিতিতে এগিয়ে এসে নিজেই রক্ত দিয়ে রোগীর জীবন রক্ষায় সহায়তা করেন এক চিকিৎসক। মানবিক এ উদ্যোগ নিয়েছেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)

AmarSangbad • 9 Hours, Nov 2, 2026 9:16 AM
0
• 0 min read
Tue ☀️ 31°
Wed ⛅ 30°
Thu 🌧️ 28°
Fri ⛅ 29°
Sat ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper