Bangla
পরীক্ষার ফলাফল জীবনের চেয়ে বেশি মূল্যবান নয়
এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষাজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ শিক্ষার পথ নির্ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। প্রতিবছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী এ...
Bangla
এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষাজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ শিক্ষার পথ নির্ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। প্রতিবছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী এ...
গত শনিবার (৩০ অক্টোবর) এ বছরের এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার গড় পাসের হার ৫২ দশমিক...
কিশোর গ্যাং বর্তমান সময়ের একটি জটিল সমস্যা। কিশোররা বিভিন্ন গ্যাংয়ের সদস্য হয়ে নানা ধরনের অপরাধে জড়িত হচ্ছে। তারা সমাজে অশান্তি-বিশৃংখলা...
ঝড়ের রাতে নদী পার হতে গিয়ে প্রাণ হারানোদের স্বজন, যথাসময়ে পণ্য পৌঁছাতে ব্যর্থ ব্যবসায়ী কিংবা ফেরিঘাটে রাত কাটানো মানুষের কাছে...
ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী পারসা ইভানা। অভিনয়, নৃত্য ও মডেলিং— তিন ক্ষেত্রেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত
আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করায় পাশ্চাত্য মতে আপনি বৃশ্চিক রাশির জাতব্যক্তি। আপনার ওপর আজ সেনাপতি মঙ্গল, গ্রহমাতা চন্দ্র ও বুদ্ধির দেবতা বুধের প্রভাব বিদ্যমান। আপনার সঙ্গে কন্যা রাশির বন্ধুত্ব শুভফল প্রদান করবে। ডাকযোগে শুভসংবাদ আসবে। ভাইবোনদের পূর্ণ সহযোগিতা প্রাপ্ত হবেন। মনের অভিলাস পূর্ণ হবে। দাম্পত্য কলহ-বিবাদ মিটবে। কর্ম-ব্যবসায় তরতাজা উন্নতি করবেন। সন্তানদের সাফল্যে গৌরবান্বিত হবেন।
ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোট চুরি করে বিজেপি নির্বাচনে জয়ী হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া। এই প্রক্রিয়া বাতিল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গতকাল দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশ করেছে জোটের শরিক দলগুলো। ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ শীর্ষক এ সমাবেশে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, অভিষেক ব্যানার্জি, অখিলেশ যাদব, ফারুক আবদুল্লাহ, মেহবুবা মুফতি, তেজস্বী যাদবসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে রাহুল গান্ধী নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে উদ্দেশ করে বলেন, ভোট চুরির অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে। তাঁরা কোথাও পালিয়ে যেতে পারবেন না।
নীলফামারী - বোমা মেশিনে ক্ষতি কৃষি ও মৎস্যসম্পদ
মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের নদী-তীরবর্তী জনপদ। নদীভাঙনে বসতভিটা, প্রায় ২ হাজার বিঘা ফসলি জমি, বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন নদীপারের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। নদীর পানি ও স্রোত বাড়লে ভাঙনের ঝুঁকি আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা না হলে আগামী কয়েক বছরে বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন, নদীতীর দখল ও ভরাটসহ বিভিন্ন কারণে ভাঙনের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। মালিগাঁও, হাড়িয়া, গোবিন্দী হাড়িয়া, সোনামুই, বৈদ্যেরবাজার ও নুনেরটেকসহ মেঘনা-তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নদীভাঙনের আশঙ্কা বিরাজ করছে। নুনেরটেক গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য কাদির মেম্বার বলেন, নদীপারের মানুষের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক বসতভিটা ও কৃষিজমি হারানো। নদী যখন তীরের দিকে এগিয়ে আসে, তখন বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা ঘরবাড়ি, গাছপালা ও জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে। ভাঙনে শুধু জমি হারায় না মানুষ, হারিয়ে যায় তাদের জীবিকা, স্মৃতি ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তাও। একই এলাকার শুক্কুর আল মাহমুদ বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান অস্থায়ীভাবে বস্তা ফেলে আনন্দবাজার গুচ্ছগ্রাম ও রঘুনারচরসহ ভাঙনকবলিত এলাকা রক্ষায় কাজ করছেন। তবে স্থায়ী গাইডওয়াল নির্মাণ করা না হলে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এসব এলাকার অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে। নারায়ণগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রকিবুল আলম রাজিব বলেন, সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২০০ মিটার জরুরি কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব এলাকায় ভাঙন রয়েছে, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ভাঙনকবলিত স্থানগুলো চিহ্নিত করে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
✦ একদিন এক মশা গেল চিকিৎসকের কাছে। চিকিৎসক তাকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী সমস্যা তোমার?’
সরকারি কর্মচারীদের বেতন ঢালাওভাবে বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় মূল্যস্ফীতি বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীরা। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের কর্মজীবীরা পড়েছেন মহাসংকটে। এরই প্রতিক্রিয়া হিসেবে ফুঁসে উঠেছেন পোশাক খাতের শ্রমিকরা। মজুরি বাড়ানোর দাবি নিয়ে কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন তাঁরা। শনিবার রাজধানীর মিরপুর, আশুলিয়া ও গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ভাঙচুর, সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কালিয়াকৈরে ১২ কারখানা বন্ধ ও আশুলিয়ায় ৩০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। এসব ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পোশাকশিল্প খাতের উদ্যোক্তারা। তাঁদের আশঙ্কা, ইউরোপে আন্দোলন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির চাপের সঙ্গে নতুন করে শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়লে রপ্তানি ও ক্রয়াদেশ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। শ্রমিক আন্দোলনের কারণে কারখানা বন্ধ হলে ক্ষতি আরও বাড়বে। শ্রমিক নেতারা বলছেন, শ্রমিকদের দাবি মজুরি বাড়ানো, মজুরি বোর্ড গঠন হলে আন্দোলন শ্লথ হয়ে যাবে। সরকার এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। গতকালই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। গত দুই দিনে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে সকাল থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠেন পোশাকশ্রমিকরা। সরকারের আশঙ্কা, পোশাকশ্রমিকদের ক্ষেপিয়ে তোলার পেছনে সরকারবিরোধীদের হাত থাকতে পারে। বিশেষ করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্র দলগুলো শ্রমিক অসন্তোষ কাজে লাগানোর চেষ্টা চালাতে পারে। ডিসেম্বর মাস সামনে রেখে তারা দেশে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চালাতে পারে-এমন আশঙ্কা বোদ্ধাজনদের। এ আশঙ্কার অবসানে পোশাকশ্রমিকদের সামাল দিতে দ্রুত তাঁদের মজুরি কাঠামো ঘোষণা করা হবে-এমনটিই প্রত্যাশিত। পাশাপাশি শ্রমিকদের বুঝতে হবে বৈশ্বিক মন্দার এ সময়ে তারা এমন কোনো হঠকারী পথ বেছে নেবেন না, যা আত্মঘাতী বলে বিবেচিত হতে পারে। শ্রমিক-মালিক দুই পক্ষকে সুবুদ্ধি ও সুবিবেচনার পরিচয় দিতে হবে নিজেদের স্বার্থেই।
নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালনে হেপাটাইটিস বি ও সি, এইচআইভি, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস-এই পাঁচটি টেস্ট বাধ্যতামূলকভাবে করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু এসব টেস্টের জন্য প্রয়োজনীয় মানসম্পন্ন কিট কেনার সামর্থ্য নেই দেশের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালের। তদারকি না থাকায় অনেক বেসরকারি হাসপাতাল ও ব্লাড ব্যাংকে মানহীন ডিভাইসে চলছে পরীক্ষা। খরচ কমাতে গিয়ে ম্যালেরিয়া টেস্ট কিট কেনে না অধিকাংশ হাসপাতাল। এতে ঝুঁকিতে পড়ছে নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন, বাড়ছে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ভয়।
আমার এক ছোটভাই বলল, ব্যয় বাড়তে বাড়তে মাথা নষ্ট অবস্থা। অথচ আয় বাড়েনি। কী যে একটা চাপে আছি! এই চাপে মনে হচ্ছে ভর্তা হয়ে যাব। আমি বললাম, এত ভয়ের কিছু নেই। সবার যে গতি, তোরও সেই গতি। ছোটভাই বললো, এইসব সান্ত্বনা দিয়ে লাভ নেই ভাই। পারলে কিছু টাকা দেন। আমি বললাম, কথায় কথায় মানুষের কাছে হাত পাতা ভালো অভ্যাস না। ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে সবাই চাপে আছে। অর্থসংকটে আছে। তাই বলে মানুষের কাছে হাত পাতা উচিত না। ছোটভাই বললো, ঠিক আছে। এখন থেকে আর হাত পাতবো না। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়ে রাখবো। অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেবেন। আমি এবার রেগে গেলাম। বললাম, আমার সঙ্গে মশকরা হচ্ছে? ছোটভাই বললো, অভাবে স্বভাব নষ্ট ভাই। আচ্ছা ভাই, আয় বাড়ানোর কি কোনো উপায় নেই? আমি বললাম, থাকবে না কেন? অবশ্যই আছে। তুই এক কাজ করতে পারিস। তোর অফিসের ক্যান্টিনে ঝালমুড়ির একটা দোকান দিতে পারিস। কারণ, আমি খেয়াল করেছি, তোর অফিসের অনেকেই বাইরে বের হয় ঝালমুড়ি খাওয়ার জন্য। কিন্তু ক্যান্টিনের ভিতরে তোর ঝালমুড়ির দোকানটা থাকলে হবে কী, কাউকে আর বাইরে যেতে হবে না ঝালমুড়ি খাওয়ার জন্য। এদিকে তোরও আয় বেড়ে গেল। আমার প্রস্তাবে ছোটভাই প্রচণ্ড ক্ষেপে গিয়ে বললো, এইসব আলতু ফালতু প্রস্তাব আমাকে দেবেন না। আয় বাড়ানোর জন্য আমি ঝালমুড়ি বিক্রি করবো? আমি বললাম, ঠিক আছে, তুই যদি ঝালজাতীয় কিছু বিক্রি করতে না চাস, তাহলে মিষ্টি জাতীয় কিছু বিক্রি কর। যেমন-শরবত বিক্রি করতে পারিস। আখের রস বিক্রির ব্যবসাটাও মন্দ না। ছোটভাই এবার এতটাই ক্ষেপে গেল যে, পারলে আমাকে কিল-ঘুসি মেরে বসে। আমি নিরাপদ দূরত্বে সরে গিয়ে বললাম, রাগ করিস না রে পাগলা, রাগ করার মতো কিছুই বলিনি। আয় বাড়াতে চাইলে ঝালমুড়ি আর শরবত বিক্রি করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। ছোটভাইকে এবার চিন্তিত দেখা গেল। সে কিছুক্ষণ ঝিম মেরে থেকে বললো, এক কাজ করলে কেমন হয় ভাই? শীতকাল আসছে। চিতই পিঠার দোকান দেওয়া যায় না? না মানে কিছু একটা করা দরকার। খরচের চাপ আর সহ্য করতে পারছি না। আমি বললাম, যেহেতু খরচের চাপের কথা আসছে, অতএব এক কাজ করতে পারিস, একটা চাপের দোকান দিয়ে ফেলতে পারিস। যেখানে মুরগির চাপ, গরুর চাপ, খাসির চাপ বিক্রি হবে। ছোটভাই এবার পানসে হাসি দিয়ে বললো, মানুষ যেখানে চাপে আছে, সেখানে আপনি আছেন মুরগির চাপ, গরুর চাপ আর খাসির চাপ নিয়ে। বুঝেছি ভাই, আপনার কাছে ভালো কোনো পরামর্শ পাওয়া যাবে না। এমনিতেই চাপে আছি!
বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ চেষ্টা ও হামলার প্রতিবাদে কাফনের কাপড় পরে আমরণ অনশনে বসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাহার আলী (৭৬)। গতকাল দুপুরে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তিনি এ অনশন শুরু করেন। সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন
Discussion
Please Sign In to join the discussion.