Sports
টিভিতে আজকের খেলা
প্রতিদিনের মতো আজও টেলিভিশনের পর্দায় থাকছে বিভিন্ন খেলা। দেশের ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের এসব ম্যাচের মধ্যে কোনগুলো কখন, কোন চ্যানেলে সরাসরি
Sports
প্রতিদিনের মতো আজও টেলিভিশনের পর্দায় থাকছে বিভিন্ন খেলা। দেশের ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের এসব ম্যাচের মধ্যে কোনগুলো কখন, কোন চ্যানেলে সরাসরি
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়।গতকাল মঙ্গলবার পাঠানো চিঠিতে দুই দণ্ডিতের সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে তা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে সতর্ক করা হয়েছে, দ্রুত সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণে নেয়া না হলে তারা এসব সম্পদ বিক্রি বা অন্যভাবে হস্তান্তর করে ট্রাইব্যুনালের বাজেয়াপ্তকরণের আদেশ বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত করতে পারেন।চিফ প্রসিকিউটর মো: আমিনুল ইসলাম চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিফ প্রসিকিউটরের সই করা চিঠির বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব এবং আইনমন্ত্রীর একান্ত সচিবকে অবগত করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর একটি মামলার রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই রায়ে তাদের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিলিবণ্টনের আদেশ দেয়া হয়। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল।চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি অবিলম্বে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নেয়া প্রয়োজন। তাদের সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে ট্রাইব্যুনালের আদেশ অনুযায়ী শহীদ পরিবার ও ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে জমা দেয়া হলফনামায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান তাদের সম্পদের বিবরণ দিয়েছিলেন। ওই হলফনামা অনুযায়ী, শেখ হাসিনার নামে ঘোষিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মূল্য ছিল চার কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আসাদুজ্জামান খানের ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এসব মূল্য হলফনামায় উল্লেখ করা অর্জনকালীন বা ঘোষিত মূল্য; বর্তমান বাজারমূল্য নয়।শেখ হাসিনার সম্পদদ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় শেখ হাসিনা নিজের হাতে নগদ অর্থ দেখিয়েছিলেন ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার জমা ছিল প্রায় দুই কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এ ছাড়া ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং ৫৫ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত বা এফডিআরের তথ্য দিয়েছিলেন তিনি।হলফনামায় তিনটি মোটরগাড়ির মালিকানা দেখিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। এর মধ্যে একটি উপহার হিসেবে পাওয়া, যার মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। অন্য দু’টি গাড়ির দাম দেখানো হয়েছিল ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার নামে সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মূল্য দেখানো হয়েছিল ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। আসবাবের মূল্য ছিল সাত লাখ ৪০ হাজার টাকা।শেখ হাসিনা নিজের নামে ১৫ দশমিক ৩ বিঘা কৃষিজমির তথ্য দিয়েছিলেন। এর মধ্যে কেনা জমির অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছিল ছয় লাখ ৭৮ হাজার টাকা। জমিগুলো গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ সদর, গাজীপুর ও রংপুরে রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়। গাজীপুর শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে মৌচাকের তেলিরচালা এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের একটি বাগানবাড়ি রয়েছে। বাংলাদেশ স্কাউট প্রশিক্ষণকেন্দ্রের পূর্ব পাশে এই সম্পত্তির অবস্থান।স্থানীয় ভূমি কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭০ সালের দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ওই জমি লিখে দিয়েছিলেন। উত্তরাধিকারসূত্রে জমির মালিক হন শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা। পরে তারা জমির কিছু অংশ সন্তানদের নামে লিখে দেন। এর ফলে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ এবং শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকও জমির মালিক হন। নথিপত্রে জমির পরিমাণ ২৯৭ শতক বা প্রায় ৯ বিঘা।হলফনামায় শেখ হাসিনার নামে ঢাকার পূর্বাচলে একটি প্লটের তথ্য রয়েছে। এর মূল্য দেখানো হয়েছিল ৩৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তার নিজের নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ, ছোট বোন শেখ রেহানা এবং রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকের নামে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দের তথ্য রয়েছে। সব মিলিয়ে পরিবারের ছয় সদস্য ৬০ কাঠা জমি পেয়েছেন।ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে এসব প্লট বরাদ্দ নেয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা চলছে। হলফনামায় শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তিনতলা ভবনসহ ৬ দশমিক ১০ শতক জমির মালিকানা দেখিয়েছিলেন। জমিটির অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছিল পাঁচ লাখ টাকা।শেখ হাসিনার জমির পরিমাণ নিয়ে এর আগে অসঙ্গতির অভিযোগ তুলেছিল দুদক। সংস্থাটি ২০২৫ সালের ২২ মে এক ব্রিফিংয়ে জানায়, ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় শেখ হাসিনা নিজের নামে ৬ দশমিক ৫০ একর জমির তথ্য দিয়েছিলেন। ওই জমির কেনার সময়কার মূল্য দেখানো হয়েছিল এক লাখ ৭৫ হাজার টাকা।দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, যাচাই করে শেখ হাসিনার নামে ২৮ একর ৪১ শতকের বেশি স্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংস্থাটি নির্বাচন কমিশনকে চিঠিও দিয়েছিল। অন্যদিকে, ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটির মালিকানা শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে রয়েছে বলে ভূমি কার্যালয়ের সূত্র জানিয়েছে। শেখ হাসিনার বাসভবন ধানমন্ডির সুধা সদনের মালিকানা তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের নামে।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য বরাদ্দকৃত বাসায় সাবলেটে বসবাসকারী অনেকেই চরম বিপাকে পড়েছেন। অল্প সময়ের নোটিসে আজিমপুর সরকারি কোয়ার্টারে বাসা ছাড়ছেন ভাড়াটিয়ারা। ছবি: মারুফ রহমান/দেশ রূপান্তর
প্লাস্টিক দূষণ রোধে শুধু ব্যবহারের পর বর্জ্য সংগ্রহ কিংবা পরিচ্ছন্নতা অভিযান যথেষ্ট নয়। উৎপাদনের শুরু থেকে পণ্যের ব্যবহার, বর্জ্য সংগ্রহ, পৃথকীকরণ ও পুনঃচক্রায়ন প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীল ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এ জন্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নির্ধারণ, শিল্পকারখানায়...
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হঠানোর প্রচেষ্টা জোরদার করতে গত সপ্তাহের নির্বাচনের পর সোমবার ইসরাইলি পার্লামেন্টে আরব দলগুলো তাদের প্রথম যৌথ বৈঠক করেছে।
জনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলা, দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের জন্য শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ ‘Public Order Incident Response and Riot
দীর্ঘ আট বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে বাংলাদেশের চা-বাগানগুলোতে কর্মরত লক্ষাধিক শ্রমিককের। নানা কারণে দীর্ঘদিন বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের (বাছাশ্রই) (রেজি. নং-বি-৭৭) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে অনেকটা স্থবির ভাব বিরাজ করছিল ট্রেড ইউনিয়নটির সাংগঠনিক কার্যক্রমে। সর্বশেষ...
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বাংলাদেশ স্কাউটসের পাঁচ দিনব্যাপী আবাসিক বেসিক কোর্সে চরম অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে কাব স্কাউটিং সম্প্রসারণ প্রকল্পের (চতুর্থ পর্যায়) আওতায় আয়োজিত এই আবাসিক কোর্সে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন এবং নিয়ম লঙ্ঘন করে...
সামাজিক বঞ্চনা ও প্রচলিত পেশার সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে আর্থিক স্বাবলম্বিতার নতুন পথ সৃষ্টি করছেন হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্যরা। কেউ হস্তশিল্প ও পোশাক তৈরি করছেন, কেউ খাবারের দোকান চালাচ্ছেন, আবার কেউ তৈরী পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করে নিজের এবং অন্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছেন। তবে দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও কাজের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জটিলতা, মূলধনের অভাব, সামাজিক বৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার সীমাবদ্ধতা তাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে চাকরির আবেদন, ব্যাংক হিসাব খোলা, ঋণ গ্রহণ, ব্যবসার নিবন্ধন এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে পরিচয়পত্রসংক্রান্ত জটিলতায় অনেকেই পিছিয়ে পড়ছেন। ফলে প্রশিক্ষণ গ্রহণ বা ব্যবসা শুরু করলেও সেটিকে টেকসই আয়ের উৎসে পরিণত করা কঠিন হয়ে হয়ে উঠছে।এমন প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করেই নিজেকে একজন হস্তশিল্প উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন টঙ্গীর আরোভি। শুরুতে লিঙ্গ পরিচয়ের কারণে সামাজিক অবহেলা ও অর্থসঙ্কটে পড়তে হয়েছে তাকে। পর্যাপ্ত পুঁজি না থাকায় খুচরা দোকান থেকে অল্প পরিমাণ কাপড় কিনে প্রতিবেশীদের সামনে বসে সেলাইয়ের কাজ শুরু করেন। তার কাজের মান ও নকশায় আকৃষ্ট হয়ে স্থানীয় মানুষ পোশাক ও নকশিকাঁথা তৈরির কাজ দিতে শুরু করেন।করোনা মহামারীর সময় জীবিকার প্রয়োজনে সুপারশপে কাজ করলেও উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন ছাড়েননি আরোভি। পরে ইউএনডিপির ‘আনন্দমেলা’ প্ল্যাটফর্মে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় নিজের তৈরি পোশাক প্রদর্শনের সুযোগ পান। নিজের ব্যবসার পাশাপাশি কমিউনিটির অন্য সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়নেও ভূমিকা রেখেছেন তিনি। তার নেতৃত্বে ফোরটিএফের মাধ্যমে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতরের আওতায় ১৪০ জন হিজড়া সদস্যকে বিউটিশিয়ান প্রশিক্ষণ এবং শক্তি ফাউন্ডেশনের সহায়তায় আরো ১০০ জনকে ব্যাগ তৈরি ও সেলাই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।আরোভির মতে, শুধু প্রশিক্ষণ দিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে উদ্যোক্তাদের পক্ষে স্বাবলম্বী হওয়া কঠিন। ব্যবসা পরিচালনার জন্য অর্থায়ন, উৎপাদিত পণ্যের বাজার এবং নিয়মিত সহযোগিতা প্রয়োজন। তার দাবি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য অনুদান ও সরকারি পর্যায়ে পণ্য ক্রয়ের সুযোগ বাড়াতে হবে। একইভাবে প্রতিকূলতা কাটিয়ে উদ্যোক্তা হয়েছেন কনা চৌধুরী। ফরিদপুরের একটি শিক্ষিত পরিবারে বেড়ে ওঠা কনা ঢাকার নতুন বাজার ও ভাটারা এলাকার একটি বায়িং হাউজে চাকরি করতেন। করোনা মহামারীতে চাকরি হারানোর পর পরিচিত এক হিজড়া উদ্যোক্তার দোকানে কাজ শিখে ২০২৩ সালে হাতিরঝিল এলাকায় নিজের ফাস্টফুডের দোকান চালু করেন। বর্তমানে তার ব্যবসায় আরো দু’জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। তবে ফুটপাথে দোকান হওয়ায় উচ্ছেদ অভিযানের সময় ব্যবসা বন্ধ রাখতে হয়। এতে আয় অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং ব্যবসা পরিচালনায় আর্থিক সঙ্কট সৃষ্টি হয়। কনা চান, হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্যরা যেন নিরাপদ ও স্থায়ী পরিবেশে কাজ করে সম্মানের সাথে জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ‘প্রিয়া আপা’ নামে পরিচিত প্রিয়া খানও স্বাবলম্বিতার একটি উদাহরণ। দীর্ঘদিন শাহবাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহের পর ২০১৬ সাল থেকে বিকল্প আয়ের পথ খুঁজতে শুরু করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শুভাকাক্সক্ষীদের সহযোগিতায় টিএসসিতে একটি চায়ের দোকান চালু করেন। নিজের ব্যবসার পাশাপাশি নদী নামে হিজড়া জনগোষ্ঠীর একজন সদস্য এবং সাকিব নামে আরেকজনকে কাজের সুযোগ দিয়েছেন তিনি। রাজধানীর গোড়ানে সিন্থিয়া ভূঁইয়ার উদ্যোগে গড়ে ওঠা ‘ভূঁইয়া ফ্যাশন’ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য মূলধারার কর্মসংস্থানের একটি উদাহরণ। প্রতিষ্ঠানটিতে পোশাক তৈরি, কাটিং, সেলাই, ব্লক-বুটিক ও মান নিয়ন্ত্রণের মতো কাজে কমিউনিটির সদস্যদের যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা বলছে, হিজড়া জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তির অন্যতম বড় বাধা জাতীয় পরিচয়পত্রসংক্রান্ত জটিলতা। অনেকের আগের নামের সাথে বর্তমান নামের অসামঞ্জস্য, লিঙ্গ পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য, স্থায়ী ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় পারিবারিক নথিপত্রের অভাবে এনআইডি পাওয়া বা সংশোধন করা কঠিন হয়ে পড়ে।এই জটিলতার প্রভাব পড়ে চাকরি, ব্যাংকিং ও সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে। প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র ছাড়া অনেকেই ব্যাংক হিসাব খুলতে, ঋণের আবেদন করতে কিংবা আনুষ্ঠানিক চাকরির নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে সমস্যায় পড়েন। অন্য দিকে সামাজিক বৈষম্যের কারণে দোকানভাড়া, ব্যবসার জায়গা কিংবা মেলায় স্টল বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার জন্য শুধু প্রাথমিক পুঁজি নয়, নিয়মিত চলতি মূলধন, বাজারসংযোগ এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগও প্রয়োজন। এসব সুবিধা না থাকায় অনেকে ব্যবসা শুরু করলেও তা দীর্ঘমেয়াদে পরিচালনা করতে পারছেন না।হিজড়া ও অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনভিত্তিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বন্ধু সোস্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি (বন্ধু)। এ ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি হিজড়া, তরুণ ও নারীসহ ২৬ জন উদ্যোক্তাকে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রত্যেককে সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রণোদনা দেয়া হয়। সহায়তাপ্রাপ্ত উদ্যোক্তারা ফ্যাশন, খাদ্য, বিউটি সার্ভিস, কৃষি, পরিবেশবান্ধব পণ্য, হস্তশিল্প, খুচরা ব্যবসা ও সৃজনশীল সেবাসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করছেন।তবে শুধু আর্থিক সহায়তা বা প্রশিক্ষণ দিয়ে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এসব উদ্যোক্তার জন্য ব্যাংকিং সুবিধা, নিয়মিত বাজারসংযোগ, ব্যবসা পরিচালনায় পরামর্শ এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন। একই সাথে চাকরিপ্রত্যাশী হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্যদের দক্ষতা অনুযায়ী নিয়োগের সুযোগ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।সমাজসেবা অধিদফতরের হিজড়া জনগোষ্ঠী সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির পরিচালক মোহাম্মদ শাহ জাহান জানান, সরকার হিজড়া জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী দেশে ১২ হাজার ৬২৯ জন হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্য রয়েছেন। তবে গত তিন বছরে সংশ্লিষ্ট সুবিধা গ্রহণে আবেদন করেছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার জন।অন্য দিকে সমাজসেবা অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক এম এম মাহমুদউল্লাহ জানান, অধিদফতরের ভাতা ও অন্যান্য সেবা অনলাইন এবং এনআইডি যাচাইয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় পরিচয়পত্রবিহীন ব্যক্তিরা আবেদন করতে সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষ করে আগের নাম ও বর্তমান নামের অসামঞ্জস্য, স্থায়ী ঠিকানা এবং মা-বাবার তথ্যসংক্রান্ত জটিলতা অনেকের জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ আরো কঠিন হয়ে পড়ে।তিনি জানান, হিজড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এক হাজার ২২৯ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে ভাতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের একটি বিশেষ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। জেলা পর্যায়ে পেশাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রশিক্ষণ শেষে পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি পরবর্তী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি কর্মসূচি থাকলেও সেগুলোর সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়মিত মূল্যায়ন প্রয়োজন। একই সাথে প্রশিক্ষণ শেষে কতজন চাকরি পেয়েছেন, কতজন ব্যবসা শুরু করেছেন এবং কতজন নিয়মিত আয়ের সাথে যুক্ত হয়েছেন, সে তথ্যও গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা দরকার।বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বন্ধুর সাম্প্রতিক উদ্যোক্তা প্রণোদনা প্রদান অনুষ্ঠানে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কেবল সামাজিক স্বীকৃতি দেয়াই যথেষ্ট নয়; প্রকৃত অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রতিষ্ঠান, সুযোগ-সুবিধা এবং সরাসরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের প্রস্তাবিত ‘রেইনবো নেশন’ গড়ার আকাক্সক্ষা তখনই সার্থক হবে, যখন সব পরিচয়ের মানুষ বাস্তবে স্বীকৃতি ও সহায়তা পাবে। এজন্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাধা দূর করতে সুনির্দিষ্ট নীতি ও কৌশল গ্রহণের ওপর জোর দেন তিনি। প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সদস্যদের উদ্যোক্তা হওয়ার অদম্য সাহসের প্রশংসা করে ইউএন উইমেন বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ নবনীতা সিনহা বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও জাতিসঙ্ঘের সংস্থাগুলোকে একসাথে এগিয়ে এসে একটি সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির ওপর জোর দিতে হবে, যাতে উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা সফলভাবে সম্প্রসারণ করতে পারেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশিক্ষণকে স্থানীয় শ্রমবাজার, শিল্প ও সেবা খাতের বাস্তব চাহিদার সাথে যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষানবিসি, সরাসরি নিয়োগ, ব্যবসায়িক মেন্টরশিপ ও বাজারসংযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে হিজড়া উদ্যোক্তাদের জন্য বৈষম্যহীন সেবা, উপযুক্ত অর্থায়ন এবং আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে।হিজড়া জনগোষ্ঠীর সদস্যরা ইতোমধ্যে নিজেদের উদ্যোগ, দক্ষতা ও পরিশ্রম দিয়ে অর্থনৈতিক সক্ষমতার পরিচয় দিচ্ছেন। এখন তাদের এই প্রচেষ্টাকে টেকসই করতে প্রয়োজন পরিচয়পত্রসংক্রান্ত জটিলতার সমাধান, কর্মসংস্থানে সমান সুযোগ, সহজলভ্য অর্থায়ন এবং কার্যকর রাষ্ট্রীয় সহায়তা। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আর্থিক খাত ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগই পারে এই জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকে আরো বিস্তৃত ও স্থায়ী করতে।
গ্রীষ্মে বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা মেটাতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করতে চায় সরকার। আর সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এজন্য বাড়ির ছাদে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ কেনার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে আগেই। সাধারণ মানুষকে আরও আগ্রহী করতে এবার রাজধানীতে একটি মেলার আয়োজন...
সারা বিশ্বে সবকিছুতে যেন অস্থিরতা চলছে। সামাজিক, অর্থনৈতিক বা পরিবেশগত; কোনো কিছুতেই স্বস্তি নেই। মানুষের অশান্তির কারণও বেশি মানুষ ও মানুষের অতিরিক্ত ভোগস্পৃহা। জলবায়ু পরিবর্তন ও ক্রমাগত পরিবেশগত বিপর্যয় নিয়ে এখন গবেষক-বিজ্ঞানীরা চিন্তিত।
পটুয়াখালীর দশমিনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। আগুনে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, আসবাবপত্র, জমির দলিল, শিক্ষাগত সনদসহ ঘরে থাকা মূল্যবান ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী পুড়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারের পক্ষ থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম (২৯) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম জসিম গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর আগে গত রোববার বিকালে কমলগঞ্জ পৌর এলাকার বড়গাছ গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এদিকে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ময়নুল হক নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত জাহাঙ্গীর বড়গাছ গ্রামের উম্মর মিয়ার ছেলে। স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনরা জানায়, বড়গাছে পৌর এলাকার রামপাশা গ্রামের দুলা মাস্টারের ছেলে লন্ডন প্রবাসী রিপন আহমেদের জমি রয়েছে। ওই জমি বিক্রিকে কেন্দ্র করে মধ্যস্থতাকারী জাহাঙ্গীরদের সঙ্গে একই গ্রামের
গোলাম মোস্তফা নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের গজারিয়ায় জমজমাট আয়োজন ও দর্শকদের বিপুল উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জিএসসি গোল্ড কাপ ফুটব...
স্বরূপে ফিরছে রুপসী জিয়া উদ্যান। রাজধানীর শেরেবাংলানগরে অবস্থিত এ উদ্যান উন্নয়নে বিরতিহীন কাজ চলছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষে ঝলমলে হয়ে উঠবে পুরো জিয়া উদ্যান এলাকা। কর্তৃপক্ষ জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গণপূর্ত অধিদফতরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রায় ১৫ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৪ টাকা ব্যয়ে ২১টি পৃথক ক্যাটাগরিতে এ সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে। এতে করে উদ্যানের ক্রিসেন্ট লেকের বিদ্যমান অকেজো ফোয়ারা পাচ্ছে নতুন রূপ। পুকুরপাড় জুড়ে বসছে নতুন ওয়াকওয়ে। লেকের গাইড ওয়াল, ব্রিজের স্টিল ফ্রেম রঙ করার কাজও চলমান। অডিটোরিয়াম ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সংস্কারকাজও চলছে দ্রুতগতিতে। সমাধির মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণসহ তৎসংলগ্ন উদ্যান ও প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন এবং সংস্কারকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এ ছাড়া সেখানে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একাধিক পাবলিক টয়লেট ব্লক নির্মাণ হবে। বসছে বিশুদ্ধ পানির জন্য গভীর নলকূপ এবং পাইপলাইন। সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে যুক্ত কার্যবিবরণী ও প্রকল্পের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ৩ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ১৮৮ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, আর্কাইভ ও গ্রন্থাগারের সিভিল ও ইলেকট্রিক্যাল কাজ এবং ফার্নিচার কেনা হচ্ছে। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সংস্কার, ফ্লোরের মার্বেল পলিশ, উইং ওয়ালের গ্র্যানাইট, ক্যালিগ্রাফি প্রতিস্থাপনসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ২ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ৯১০ টাকা বাজেট নির্ধারণ করে কাজ চলছে।উদ্যানের ক্রিসেন্ট লেকের বিদ্যমান অকেজো ফোয়ারা সংস্কারের কাজে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫০ টাকা বরাদ্দ ধরে কাজ এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি লেকের গাইড ওয়াল মেরামত, ফ্লাশ পায়েন্টিং, নিচের তলার সলিং মেরামতকরণসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬২ টাকা। ক্রিসেন্ট লেকের ওপর বিদ্যমান সেতুর ওয়ালে ওয়াটার পেপিলেন্ট ভাঙা মার্বেল নবায়ন, স্টিল ফ্রেমে রঙ করাসহ আনুষঙ্গিক সংস্কারে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ লাখ ৫ হাজার ৪০৬ টাকা। এ ছাড়া ক্রিসেন্ট লেকের দক্ষিণ পাশে ফুটপাথে (সি রোড) ইটের গাঁথুনি দিয়ে বেষ্টনী নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা।উদ্যানের অভ্যন্তরে ১ কোটি ২৬ লাখ ৯ হাজার ৪৮৩ টাকা ব্যয়ে ১৫০ মিমি ও ২৫০ মিমি ব্যাসের দু’টি গভীর নলকূপ স্থাপন (সিংকিসহ), ৩৮ মিমি ব্যাসের টেস্ট ও অবজারভেশন ওয়েল নির্মাণ এবং ২০ এইচপি সাবমার্সিবল পাম্প মোটর সেট সরবরাহ ও স্থাপন এবং বহিঃস্থ পানি সরবরাহ পাইপলাইন তৈরি করা হচ্ছে।এ ছাড়া উদ্যানের পূর্ব কোণে মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন খালি জায়গায় ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার ৪৫ টাকা ব্যয়ে এবং উদ্যানের পশ্চিম পাশে পাম্পহাউজ-সংলগ্ন খালি জায়গায় ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৩৬৪ টাকা ব্যয়ে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য পাবলিক টয়লেট ব্লক নির্মাণকাজ চলছে। ৭৫ লাখ ৩ হাজার ৩৫০ টাকা ব্যয়ে মসজিদ থেকে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পর্যন্ত নতুন বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে উদ্যানের উত্তর পাশে। ৫৩ লাখ ৪৭ হাজার ১১৯ টাকা ব্যয়ে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে অবস্থিত অডিটোরিয়ামে স্টেজ লাইট ও সাউন্ড সিস্টেম সরবরাহ এবং ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ২৩৩ টাকা ব্যয়ে অডিটোরিয়ামে এলইডি স্ক্রিন স্থাপন কাজ চলমান।২৬ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫৩ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে ১০০ কেভিএ ইমার্জেন্সি জেনারেটর সরবরাহ ও আনুষঙ্গিক কাজ করা হচ্ছে। সমাধিস্থলে অবস্থিত মসজিদ, অডিটোরিয়াম, জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, আর্কাইভ, পাঠাগারসহ অন্যান্য স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে ২৮ লাখ ২৭ হাজার ১৬৮ টাকা ব্যয়ে।জিয়া উদ্যান মেমোরিয়াল হলের ফার্নিচার ক্রয় ও স্থাপন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৭২ লাখ ৮৫ হাজার ২৩৬ টাকা। সমাধিস্থলে অবস্থিত ৪০০ কেভিএ সাবস্টেশন মেরামত কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭৪ টাকা।মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স ভবনের টয়লেট ব্লকগুলোর টাইলস ও স্যানিটারি ফিটিংস নবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৪৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬১ টাকা। ৬৪ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৭ টাকা বাজেটে উদ্যানের ভেতরে পুকুরপাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ৩৫ লাখ ৫২১ হাজার ৯৭৭ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে অবস্থিত অডিটোরিয়ামে স্ট্রিট টাইপ এসি সরবরাহ ও স্থাপনকাজ চলমান। উদ্যানের আরবি কালচার ও ল্যান্ডস্কেপিং উন্নয়ন কাজে ২১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৭ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ ছাড়া সমাধিস্থলে অবস্থিত মসজিদের প্রয়োজনীয় সিভিল ও বৈদ্যুতিক কাজে ৪৭ লাখ ৮ হাজার ৮৮৬ টাকার দরপত্র প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
কেনাকাটার প্রয়োজনে আমাদের কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে রাজধানীর কোনো মার্কেটে যাওয়ার আগে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জেনে
40, Karwan Bazaar Dhaka 1215, Bangladesh
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪২ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক চারটার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বাটিকামারা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৪৮ জন।
দীর্ঘ ১৩ বছরের বেশি সময় ধরে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন অভিনেত্রী হিনা খান ও রকি জয়সওয়াল। তবে এত বছরের সম্পর্কে থাকলেও বিয়ের বিষয়ে কখনো তেমন পরিকল্পনা করেননি তারা। কিন্তু মারণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর জীবনের হিসাব-নিকাশ বদলে যায় হিনার। অসুস্থতার খবর
Discussion
Please Sign In to join the discussion.