Bangladesh
‘আলোকিত লালমনিরহাট’ উপজেলা এ্যাকশন কমিটির সভা
‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সংগঠনের আদিতমারী উপজেলা এ্যাকশন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কমিটির আহ্বায়ক ইউএনও গুঞ্জন
Bangladesh
‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সংগঠনের আদিতমারী উপজেলা এ্যাকশন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কমিটির আহ্বায়ক ইউএনও গুঞ্জন
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ইয়ানুর (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ধরধরা পুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইয়ানুর সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মুন্সীপাড়া এলাকার হাসেন আলীর ছেলে।
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন, ১৫ বছরে পেছালো ১৩১ বার
নাটোরের লালপুরে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে শান্ত কুমার (২৫) ওরফে মো: আবু মুসা নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় রামপুর ইউনিয়নে সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপের খননকাজ শেষে মিলেছে নতুন গ্যাসের সন্ধান। সোমবার (২ নভেম্বর) অগ্নি প্রজ্জবলনের মাধ্যমে
অর্থনৈতিক মন্দা, বিনিয়োগকারীদের অনাস্থা ও তারল্যসঙ্কটে ধুঁকতে থাকা পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক ধারাবাহিক দরপতনের কারণে সৃষ্ট সঙ্কট উত্তরণে এগিয়ে এসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। টানা মন্দা ও তারল্যসঙ্কটে থাকা পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও তারল্য প্রবাহ বজায় রাখতে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ব্যাংকগুলোর যে বিশেষ তহবিলসুবিধা চালু ছিল, তার মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানো হয়েছে। ফলে পূর্বে নির্ধারিত ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পরিবর্তে এই সুযোগ ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।দীর্ঘদিন ধরে মূলধনসঙ্কট, বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাব এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিষ্ক্রিয়তায় ভুগছে দেশের শেয়ারবাজার। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগকার্যক্রম সচল রাখতে এবং বাজারে নতুন করে প্রাণ ফেরাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রসঙ্গত করোনা মহামারী চলাকালে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শেয়ারবাজারে তীব্র তারল্যসঙ্কট মোকাবেলা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে এই বিশেষ তহবিল গঠন নীতি চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতি অনুযায়ী, প্রতিটি তফসিলি ব্যাংক নিজস্ব অর্থায়ন কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রেপোর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠন করতে পারে। এই বিশেষ তহবিলের বড় সুবিধাটি হলো এই তহবিলের আওতায় করা বিনিয়োগ ব্যাংকগুলোর প্রচলিত শেয়ারবাজার এক্সপোজার লিমিট বা ধরাবাঁধা বিনিয়োগ সীমার বাইরে থাকে।তবে শেয়ারবাজারের দীর্ঘমেয়াদি ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সময় বাড়ানোর পাশাপাশি তহবিলের আকার বৃদ্ধিরও দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) প্রতিটি ব্যাংকের জন্য এই সীমা ২০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করা এবং মেয়াদ আগামী ২০৩১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত আরো পাঁচ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। সংগঠনটির মতে, পুঁজিবাজারে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সঙ্কট তারল্য। এখানে ভালো কোম্পানি ও শেয়ারের সংখ্যা অপর্যাপ্ত হলেও তা নিরসনে ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও পুঁজিবাজারগুলোর পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তাই উপস্থিত সঙ্কট নিরসনে তারল্য প্রবাহের বিকল্প নেই বলে মনে করেন তারা। অবশ্য বাজার বিশ্লেষকদের অভিমত, কেবল তহবিলের মেয়াদ বাড়ানোই শেয়ারবাজারের দীর্ঘদিনের সঙ্কট নিরসনের একমাত্র সমাধান নয়। এর পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের মানসিকতা তৈরি, বাজারে ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানি আনা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি। মেয়াদ বৃদ্ধির সুফল শেষ পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর সদিচ্ছা ও সার্বিক বাজার পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করবে।এদিকে আগের দু’দিনের মতো গতকালও বড় ধরনের সূচক হারিয়েছে দেশের পুঁজিবাজারগুলো। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গতকাল ৪৯ দশমিক ২৬ পয়েন্ট হারায়। পাঁচ হাজার ৩৩৩ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট থেকে লেনদেন শুরু করা সূচকটি দিন শেষে নেমে আসে পাঁচ হাজার ২৮৪ দশমিক ৩১ পয়েন্টে। বিগত সাত মাসের মধ্যে সূচকটির এ অবস্থান সর্বনি¤œ। এ বছরের ২১ মের পর আর এ পর্যায়ে নামেনি সূচকটি। এদিন বাজারটির দুই বিশেষায়িত সূচক ডিএসই-৩০ ও ডিএসই শরিয়াহর অবনতি ঘটে যথাক্রমে ২০ দশমিক ২৮ ও ৭ দশমিক ৫১ পয়েন্ট। দেশের দ্বিতীয় পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) পতনের মাত্রা ছিল আরো ভয়াবহ। এখানে সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ১৭৮ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট অবনতি ঘটে গতকাল। ১৪ হাজার ৩৮৯ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট থেকে সকালে যাত্রা করা সূচকটি দিনশেষে স্থির হয় ১৪ হাজার ২১০ দশমিক ৯০ পয়েন্টে। একই সময় বাজারটির দুই বিশেষায়িত সূচক সিএসই-৩০ ও সিএসসিএক্স সূচকের অবনতি ঘটে যথাক্রমে ২১৮ দশমিক ২১ ও ১২৪ দশমিক ৯২ পয়েন্ট। সূচকের বড় অবনতি সত্ত্বেও গতকাল ডিএসইর লেনদেনে বড় ধরনের উন্নতি ঘটে। পুঁজিবাজারটি গতকাল ৫৬৫ কোটি টাকার লেনদেন নিষ্পত্তি করে যা আগের দিন অপেক্ষা ১৪৭ কোটি টাকা বেশি। সোমবার ডিএসইর লেনদেন ছিল ৪১৮ কোটি টাকা। তবে লেনদেনের অবনতি ঘটে চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে। এদিন বাজারটি ১২ কোটি টাকার লেনদেন নিষ্পত্তি করে। আগের দিন এখানে ১৬ কোটি টাকার লেনদেন নিষ্পত্তি হয়েছিল। গতকাল ডিএসইর লেনদেনে টেক্সটাইল খাতের সুস্পষ্ট প্রাধান্য ছিল। এদিন লেনদেন ও মূল্যবৃদ্ধিতে এগিয়ে ছিল খাতটি। যেখানে টানা দরপতনের কারণে অন্য খাতগুলোর অধীনে থাকা কোম্পানিগুলোর মূল্যস্তর তলানিতে নেমে আসছে সেখানে এ খাতের বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ারদর উঠে যাচ্ছে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ অবস্থানে। বাজারে সূচকের বড় অবনতির মধ্যেও গতকাল ডিএসইর মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির সাতটিই ছিল টেক্সটাইল খাতের। ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল এনভয় টেক্সটাইলস। ৩২ কোটি ১১ লাখ টাকায় কোম্পানিটির ৪১ লাখ ৪৮ হাজার শেয়ার হাতবদল হয় এদিন। ২৮ কোটি ৭১ লাখ টাকায় ২৮ লাখ শেয়ার বেচাকেনা করে দিনের দ্বিতীয় কোম্পানি ছিল মতিন স্পিনিং মিলস। লেনদেনে ডিএসইর শীর্ষ ১০ কোম্পানির অন্যগুলো ছিল যথাক্রমে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলস, ব্র্যাক ব্যাংক, শাহজিবাজার পাওয়ার, সিটি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, প্রাইম ফিন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, মালেক স্পিনিং ও সায়হাম টেক্সটাইলস।
মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে পদ্মা-যমুনায় মাছ ধরতে নেমেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাচ্ছেন না মানিকগঞ্জের শিবালয়ের জেলেরা। ঋণের চাপ, সংসার চালানোর সংকট ও সরকারি চাল না পাওয়ার অভিযোগে দুশ্চিন্তায় তাঁরা। মৎস্য বিভাগ বলছে, নাব্য সংকটসহ নানা কারণে ইলিশ কমেছে।
ব্রাউজার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বজুড়ে গুগল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার তিনটি ও বিজয়নগর উপজেলার একটি ইউনিয়ন ভেঙে আখাউড়ার ‘বরিশল’ ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত করে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবের প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে লরি ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) এক ছাত্রী নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক ও সংলগ্ন রেলপথ অবরুদ্ধ করে ফেলেন
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সরকার গঠনের আলোচনা জোরদার করছেন বিরোধীরা। গত ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে কোনো পক্ষই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় দেশটিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর
শীতের প্রস্তুতিতে ঘরের প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকায় গিজার থাকে অনেকেরই। তবে পরিবারের সদস্যসংখ্যা কম হলে গিজারের ধারণক্ষমতা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়েন কেউ কেউ। বেশি লিটারের গিজার কিনলে অপ্রয়োজনীয় খরচ হতে পারে, আবার ছোট গিজারে প্রয়োজনের সময় পর্যাপ্ত গরম পানি না-ও মিলতে পারে।তাই গিজার কেনার আগে পরিবারের সদস্যসংখ্যার পাশাপাশি গোসলের ধরন, গরম পানির ব্যবহার এবং বিদ্যুৎ খরচের বিষয়গুলো বিবেচনা করা জরুরি। দু’জনের পরিবারের জন্য কোন ধরনের গিজার উপযোগী হতে পারে, জেনে নিন।১০ নাকি ১৫ লিটার - কোনটি বেছে নেবেন?দু’জনের পরিবারের জন্য সাধারণত ১০ থেকে ১৫ লিটারের স্টোরেজ গিজার বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী ধারণক্ষমতা নির্বাচন করতে হবে।· ১০ লিটার: যারা বালতিতে পানি নিয়ে গোসল করেন এবং গরম পানির ব্যবহার তুলনামূলক কম, তাঁদের জন্য এ ধারণক্ষমতার গিজার যথেষ্ট হতে পারে।· ১৫ লিটার: পরিবারের দুজন সদস্য পরপর গোসল করলে ১৫ লিটারের গিজার বেশি সুবিধা দিতে পারে।· ১৫ লিটার বা তার বেশি: শাওয়ারে গোসলের অভ্যাস থাকলে পানির প্রবাহ ও ব্যবহারের সময় বিবেচনা করে বেশি ধারণক্ষমতার মডেল প্রয়োজন হতে পারে।অল্প পরিমাণ গরম পানির প্রয়োজন হলে ৩ বা ৬ লিটারের ইন্সট্যান্ট গিজারও বিবেচনা করা যায়। তবে গোসলের জন্য সেটি উপযুক্ত হবে কি না, তা মডেলের ক্ষমতা ও পানির প্রবাহের ওপর নির্ভর করে।স্টোরেজ ও ইন্সট্যান্ট গিজারের পার্থক্যগিজার কেনার আগে দুই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা থাকা ভালো।স্টোরেজ গিজার: এ ধরনের গিজারে ট্যাঙ্কের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি জমা রেখে গরম করা হয়। ফলে পানি গরম হওয়ার পর কিছু সময় পর্যন্ত তা ব্যবহার করা যায়। দুজনের গোসলের সময়ের মধ্যে ব্যবধান থাকলে এটি সুবিধাজনক হতে পারে।ইন্সট্যান্ট গিজার: পানি প্রবাহিত হওয়ার সময়ই এ ধরনের গিজার গরম করে। আগে থেকে বড় পরিমাণ পানি জমিয়ে রাখার প্রয়োজন হয় না। তবে একটানা বেশি গরম পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মডেলের ক্ষমতা ও পানির প্রবাহ যাচাই করা জরুরি।বিদ্যুৎ খরচ কমাতে যেসব ফিচার দেখবেনগিজারের দাম ও ধারণক্ষমতার পাশাপাশি শক্তি সাশ্রয়ের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। কেনার আগে কয়েকটি বিষয় যাচাই করুন:· এনার্জি রেটিং: বাজারে পাওয়া গেলে স্বীকৃত শক্তি-দক্ষতার লেবেল বা রেটিং দেখুন। ৫ স্টার রেটিংয়ের মডেল শক্তি সাশ্রয়ের বিবেচনায় ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে রেটিংয়ের মানদণ্ড দেশ ও পণ্যভেদে ভিন্ন হতে পারে।· ট্যাঙ্কের ইনসুলেশন: পিইউএফ বা পলিইউরেথেন ফোম ইনসুলেশন ট্যাঙ্কের তাপ বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার গতি কমাতে সাহায্য করে। এতে পানি তুলনামূলক বেশি সময় গরম থাকে।· অটো থার্মোস্ট্যাট: নির্ধারিত তাপমাত্রায় পানি পৌঁছালে হিটিং নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।· অটো-কাট: পানি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় পৌঁছালে হিটিং বন্ধ করতে সাহায্য করে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো সম্ভব।ট্যাঙ্ক ও হিটিং এলিমেন্টের মান যাচাই করুনপানিতে খনিজ পদার্থের পরিমাণ বেশি হলে গিজারের হিটিং এলিমেন্টে ধীরে ধীরে আস্তরণ জমতে পারে। এতে পানি গরম হতে বেশি সময় লাগতে পারে এবং যন্ত্রের কার্যকারিতাও কমে যেতে পারে।এ কারণে কেনার সময় ট্যাঙ্কে গ্লাস-লাইন্ড বা টাইটানিয়াম এনামেল কোটিং রয়েছে কি না, দেখে নিতে পারেন। এ ধরনের আবরণ ট্যাঙ্ককে ক্ষয় ও মরিচের হাত থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করে। পাশাপাশি হিটিং এলিমেন্টের উপাদান, ট্যাঙ্কের ওয়ারেন্টি এবং বিক্রয়োত্তর সেবা সম্পর্কে জেনে নিন।স্মার্ট ফিচার কতটা প্রয়োজন?কিছু আধুনিক গিজারে ডিজিটাল তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, টাইমার ও ওয়াই-ফাই সুবিধা থাকে। এসব ফিচারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে গিজার চালু বা বন্ধ করা যায়। ফলে প্রয়োজনের বাইরে দীর্ঘক্ষণ যন্ত্র চালু রাখার প্রবণতা কমানো সম্ভব।তবে স্মার্ট ফিচার থাকলেই বিদ্যুৎ বিল কমবে, এমন নয়। সঠিক সময়ে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করলেই এসব সুবিধা কার্যকর হবে।গিজার ব্যবহারে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উপায়গরম পানি ব্যবহারের আগে প্রয়োজন অনুযায়ী গিজার চালু করুন। গোসল বা অন্যান্য কাজ শেষ হলে সুইচ বন্ধ করে দিন। অপ্রয়োজনে সারাক্ষণ চালু রাখা থেকে বিরত থাকুন। পানির তাপমাত্রা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি না বাড়িয়ে নির্ধারণ করুন। এ ছাড়া নিয়মিত ট্যাঙ্ক ও হিটিং এলিমেন্ট পরীক্ষা করানোও জরুরি।সব মিলিয়ে, দু’জনের পরিবারের জন্য ১০ থেকে ১৫ লিটারের স্টোরেজ গিজার অনেক ক্ষেত্রে উপযোগী হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পরিবারের গোসলের অভ্যাস, গরম পানির চাহিদা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের রেটিং, ইনসুলেশন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা বিবেচনা করুন। প্রয়োজনের সঙ্গে মানানসই গিজার বেছে নিলেই অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়ানো সহজ হবে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪২ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) ভোর আনুমানিক চারটার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বাটিকামারা এলাকায়
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭০০ ফুট উঁচুতে মেঘের ভেলায় ভেসে বেড়ানো একটি গ্রাম, নাম পাসিংপাড়া। বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলার কেওক্রাডং
Discussion
Please Sign In to join the discussion.