স্কুলে স্মার্ট গ্লাস নিষিদ্ধ করল ওসলো
Technology

স্কুলে স্মার্ট গ্লাস নিষিদ্ধ করল ওসলো

সাধারণ চশমার মতো দেখতে হলেও স্মার্ট গ্লাসে থাকা ক্যামেরা, মাইক্রোফোন ও এআই প্রযুক্তি দিয়ে ছবি তোলা, ভিডিও ধারণ, ফোনে কথা বলা থেকে শুরু করে নানা ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব। প্রযুক্তির এমন ব্যবহার নিয়ে শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার প্রশ্নে নরওয়ের রাজধানী ওসলোর স্কুলগুলোতে স্মার্ট গ্লাস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।শহরটির সব স্তরের শিক্ষার্থীর জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য। স্কুলে অবস্থানের পুরো সময়ই স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার করা যাবে না।গোপন রেকর্ডিং নিয়ে মূল উদ্বেগওসলোর প্রশাসনের প্রধান উদ্বেগ, স্মার্ট গ্লাসের মাধ্যমে আশপাশের মানুষ তাদের অজান্তেই রেকর্ড হয়ে যেতে পারেন। চশমার ফ্রেমে ক্যামেরা থাকায় কেউ ছবি বা ভিডিও ধারণ করছে কি না, তা সাধারণ ক্যামেরার তুলনায় সহজে বোঝা যায় না।এর ফলে স্কুলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত, কথাবার্তা কিংবা শ্রেণিকক্ষের কার্যক্রম অনুমতি ছাড়াই ধারণ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।মেটার স্মার্ট গ্লাস নিয়েও আলোচনাওসলোর শিক্ষাবিষয়ক ডেপুটি মেয়র জুলি রেমেন মিডটগার্ডেন নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, মেটার তৈরি কিছু স্মার্ট গ্লাসে কোনো ব্যক্তিকে কখন রেকর্ড করা হচ্ছে, তা তার পক্ষে সবসময় বুঝে ওঠা সম্ভব নয়।স্কুলের পরিবেশে এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করলে তাই ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন।স্মার্ট গ্লাসে যেসব সুবিধাস্মার্ট গ্লাসের সক্ষমতা শুধু ছবি বা ভিডিও ধারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মডেলভেদে এসব ডিভাইসে পাওয়া যেতে পারে-ছবি তোলার সুবিধাভিডিও রেকর্ডগান শোনাফোন কল করাএআই অ্যাসিস্ট্যান্টবিদেশি ভাষার লেখা অনুবাদতথ্য খোঁজার সুবিধানির্দিষ্ট তথ্য বা নেভিগেশন নির্দেশ দেখানোপরীক্ষায় অসদুপায়ের আশঙ্কাশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্মার্ট গ্লাস নিষিদ্ধ করার আলোচনায় পরীক্ষায় নকলের বিষয়টিও উঠে এসেছে। ক্যামেরা ও এআই সুবিধা ব্যবহার করে কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষার সময় বাইরের সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে।একই সঙ্গে মুখ শনাক্তকরণ এবং আশপাশের মানুষের ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের সক্ষমতাও শিশুদের তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। এসব তথ্য কোথায় যাচ্ছে এবং কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে, সেই বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।২৭ আগস্ট থেকে নিষেধাজ্ঞাওসলোর স্কুলগুলোতে স্মার্ট গ্লাস ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। প্রশাসনের ভাষ্য, শিশুদের ব্যক্তিগত পরিসর ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য।প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষাক্ষেত্রে বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর সঙ্গে যুক্ত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিষয়গুলোও সামনে আসছে। ওসলোর স্কুলে স্মার্ট গ্লাস নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত সেই আলোচনাকে নতুন করে সামনে এনেছে।

Sangbad • 26 Days, Oct 6, 2026 7:44 PM
0
• 0 min read
Technology

একদিনে ৬৫ বিলিয়ন ডলার সম্পদ বেড়ে ফের ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কআবারও ট্রিলিয়নিয়ার হয়েছেন ইলন মাস্ক। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের সম্পদ ৬৫ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ১ দশমিক ০৪ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তিন মাসের মধ্যে এই প্রথম ৫৫ বছর বয়সী এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তার সম্পদের অঙ্ক ১৩ সংখ্যায় পৌঁছাল।

আবারও ট্রিলিয়নিয়ার হয়েছেন ইলন মাস্ক। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন মাস্কের সম্পদ ৬৫ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ১ দশমিক ০৪ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তিন মাসের মধ্যে এই প্রথম ৫৫ বছর বয়সী এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তার সম্পদের অঙ্ক ১৩ সংখ্যায় পৌঁছাল।

Ajkerpatrika • 26 Days, Oct 6, 2026 12:05 PM
0
• 0 min read
Technology

চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির তিন বিজ্ঞানী

এবার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা। আগামী শুক্রবারের মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

Sangram • 26 Days, Oct 6, 2026 10:21 AM
0
• 0 min read
Technology

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এআই ব্যবহার, কোন দেশ কোথায় দাঁড়িয়েকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডিতে থেমে নেই। ভ্রমণ পরিকল্পনা করিয়ে নেওয়া থেকে শুরু

করে গবেষণার কাজ—সব ক্ষেত্রে এর ব্যবহার বাড়ছে বহুমাত্রিকভাবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এআইয়ের ব্যবহারও নতুন নয়। যা এখন চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন প্যাড ও রোগীদের ডিজিটাল পর্দা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

Ajkerpatrika • 26 Days, Oct 6, 2026 9:00 AM
0
• 0 min read
Technology

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন

আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন।

JanaKantha • 27 Days, Oct 6, 2026 5:19 AM
0
• 0 min read
Technology

ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সেতুবন্ধন করবে ‘লগইন ইনটু ইন্ডাস্ট্রি নেক্সট’শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কিং শিল্পের বাস্তব অভিজ্ঞতার সংযোগ ঘটাতে আজ সোমবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘লগইন ইনটু ইন্ডাস্ট্রি নেক্সট’ শীর্ষক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশনস লিমিটেডের উদ্যোগে

শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কিং শিল্পের বাস্তব অভিজ্ঞতার সংযোগ ঘটাতে আজ সোমবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘লগইন ইনটু ইন্ডাস্ট্রি নেক্সট’ শীর্ষক ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ান স্কাই কমিউনিকেশনস লিমিটেডের উদ্যোগে

Ajkerpatrika • 27 Days, Oct 5, 2026 8:51 PM
0
• 0 min read
Technology

পৃথিবী ধ্বংসের ভবিষ্যদ্বাণী, নাকি জনসংখ্যার গাণিতিক হিসাব?

২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে- এমন একটি দাবি সম্প্রতি আবার আলোচনায় এসেছে। এর পেছনে রয়েছে ১৯৬০ সালে বিজ্ঞান সাময়িকী Science-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র। ‘Doomsday: Friday, 13 November, A.D. 2026’ শিরোনামের ওই গবেষণায় মানবজাতির জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট একটি তারিখের কথা বলা হয়েছিল।গবেষণাপত্রটির লেখক ছিলেন অস্ট্রিয়ার বংশোদ্ভূত মার্কিন অধ্যাপক ও সাইবারনেটিকস বিশেষজ্ঞ হাইঞ্জ ফন ফোরস্টার এবং তাঁর দুই শিক্ষার্থী প্যাট্রিসিয়া এম. মোরা ও লরেন্স ডব্লিউ. আমিট।কী বলা হয়েছিল সেই গবেষণায়?গবেষকেরা প্রায় দুই হাজার বছরের জনসংখ্যার তথ্য বিশ্লেষণ করে মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি গাণিতিক মডেল তৈরি করেছিলেন। সেই প্রবণতা ভবিষ্যতেও একইভাবে চলতে থাকলে জনসংখ্যা ২০২৬ সালের ১৩ নভেম্বর অসীমের কাছাকাছি পৌঁছাবে বলে মডেলটি দেখিয়েছিল।অর্থাৎ গবেষণাটির মূল বক্তব্য ছিল পৃথিবী বা গ্রহটি হঠাৎ ধ্বংস হয়ে যাবে- এমন কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস নয়। বরং জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক প্রবণতাকে ভবিষ্যতে টেনে নিয়ে গেলে কী পরিণতি হতে পারে, সেটিই গবেষণার বিষয় ছিল।কেন ১৩ নভেম্বরের কথা বলা হয়েছিল?গবেষণায় অতীতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে এমন একটি গাণিতিক সূত্রে বসানো হয়েছিল, যেখানে বৃদ্ধির গতি ক্রমেই বাড়তে থাকে। সেই মডেল অনুসারে ১৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে জনসংখ্যা অসীমের দিকে চলে যাওয়ার একটি বিন্দু তৈরি হয়।এই অস্বাভাবিক ফলের কারণেই গবেষণাপত্রটির শিরোনামে ‘Doomsday’ বা ‘বিচারের দিন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল। পরে এটি ‘Doomsday Equation’ নামেও পরিচিত হয়।বাস্তব জনসংখ্যা কি সেই পথে এগিয়েছে?বাস্তব পরিস্থিতি গবেষণার সেই পূর্বাভাসের সঙ্গে মেলেনি। ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালান ম্যাকইচার্নের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ১৯৬০ সালের পর বিশ্ব জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ওই মডেলের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক ধীর হয়ে গেছে।বিশেষ করে ১৯৯৩ সালের পর বাস্তব জনসংখ্যার তথ্যের সঙ্গে ওই পূর্বাভাসের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বর্তমানে বৈশ্বিক জন্মহার ১৯৬০ সালের তুলনায় অর্ধেকেরও কম বলে ম্যাকইচার্ন উল্লেখ করেছেন।ফলে ১৯৬০ সালের মডেল অনুযায়ী ১৩ নভেম্বর পৃথিবীর মানুষ অসীম সংখ্যায় পৌঁছে যাবে- এমন ধারণার সঙ্গে বর্তমান জনমিতিক বাস্তবতার মিল নেই।গবেষণাটির পেছনে ছিল ব্যঙ্গওহাইঞ্জ ফন ফোরস্টারের কাজ নিয়ে আলোচনায় আরেকটি বিষয় সামনে আসে। তিনি জীবনের একটি পর্যায়ে মঞ্চে জাদুকর হিসেবেও কাজ করেছিলেন। তাঁর এই পটভূমির সঙ্গে গবেষণাটির উপস্থাপনার ধরনকে অনেকে যুক্ত করেছেন।অস্বাভাবিক একটি ভবিষ্যৎ তারিখ নির্ধারণ করে গবেষণাটি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। ফলে নিছক জনসংখ্যার গাণিতিক হিসাবের বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।ষাটের দশকে আরও ছিল নানা ‘শেষের’ পূর্বাভাসষাটের দশকে পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন অস্বাভাবিক পূর্বাভাস আরও ছিল। মার্কিন বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মী ও ইউএফও গবেষক চ্যান থমাসের ‘দ্য অ্যাডাম অ্যান্ড ইভ স্টোরি’ বইয়েও পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল।বইটি বহু বছর গোপন থাকার পর ২০১৩ সালে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ তা অবমুক্ত করে।তবে ১৯৬০ সালের ফন ফোরস্টারদের গবেষণার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- সেটি মূলত জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি গাণিতিক মডেল ও তার চরম পরিণতি নিয়ে আলোচনা করেছিল। বর্তমান জনসংখ্যার প্রবণতা সেই মডেলের পূর্বাভাসের সঙ্গে আর সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

Sangbad • 27 Days, Oct 5, 2026 8:26 PM
0
• 0 min read
Technology

২২ হাজার রুপিতেই মিলছে রে-ব্যান মেটা স্মার্ট চশমা

সাধারণ চশমার মতো নকশা হলেও রে-ব্যান মেটা স্মার্ট চশমায় রয়েছে ক্যামেরা, স্পিকার, মাইক্রোফোন এবং মেটা এআইসহ বিভিন্ন স্মার্ট সুবিধা। নতুন মডেল বাজারে আসার পর এবার প্রথম প্রজন্মের এই স্মার্ট চশমার দামেও বড় ধরনের ছাড় দেখা যাচ্ছে।ক্যামেরায় ছবি-ভিডিও ধারণরে-ব্যান মেটার অন্যতম প্রধান সুবিধা এর ক্যামেরা। চশমাটিতে ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৩০২৪ × ৪০৩২ পিক্সেল রেজল্যুশনে ছবি তোলা যায়।ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ১০৮০পি মানে সর্বোচ্চ ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভিডিও ধারণ করা সম্ভব।রেকর্ডিং চলার সময় চশমার এলইডি আলো সংকেত দেয়। ফলে চশমাটি দিয়ে ভিডিও ধারণ করা হচ্ছে কি না, তা বোঝার জন্য দৃশ্যমান একটি ইন্ডিকেটর থাকে।ফোন ছাড়াই বিভিন্ন কাজক্যামেরার পাশাপাশি স্মার্ট চশমাটিতে রয়েছে বিল্ট-ইন স্পিকার ও মাইক্রোফোন। ফলে বিভিন্ন কাজের জন্য সবসময় ফোন বের করার প্রয়োজন হয় না।মেটার বিভিন্ন অ্যাপের সঙ্গেও চশমাটি ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে চশমায় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার সুবিধাও রয়েছে।ভারতে কমেছে দামভারতের প্রযুক্তি বাজারে রে-ব্যান মেটা আসে ২০২৫ সালে। তখন নির্বাচিত মডেলগুলোর দাম শুরু হয়েছিল ২৯ হাজার ৯০০ রুপি থেকে। ম্যাট ব্ল্যাকসহ বিভিন্ন ফ্রেম ও লেন্সের সংস্করণের দাম ছিল আরও বেশি।তবে বর্তমানে অ্যামাজনে চশমাটির দাম নেমে এসেছে ২২ হাজার ৪২৫ রুপিতে।অর্থাৎ আগের দামের তুলনায় সরাসরি ৭ হাজার ৪৭৫ রুপি কমে পাওয়া যাচ্ছে এটি।অফারটি কতদিন থাকবে?বর্তমান ছাড়টি সীমিত সময়ের জন্য হতে পারে। তাই কেনার আগে চেকআউট পেজে গিয়ে চূড়ান্ত দাম, ব্যাংক অফার এবং স্টকের তথ্য দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Sangbad • 27 Days, Oct 5, 2026 8:07 PM
0
• 0 min read
Technology

বিকল্প স্টোরেজ পাবেন যেভাবে

ফুরিয়ে গেছে গুগল ড্রাইভের ১৫ জিবি ফ্রি স্টোরেজ। ভাবছেন বিকল্প কিছু। স্মার্টফোনে ছবি, ভিডিও, পিডিএফ বা জরুরি ডকুমেন্ট সংরক্ষণে দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। এ ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে টেলিগ্রাম।

Samakal • 27 Days, Oct 5, 2026 3:26 PM
0
• 0 min read
Technology

স্মার্টফোনের গণ্ডি পেরিয়ে বৃহৎ কানেক্টেড ইকোসিস্টেমে অনার

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও কানেক্টেড টেকনোলজি নিয়ে নিজেদের নতুন পরিকল্পনা ও কাজের অগ্রগতি তুলে ধরেছে অনার বাংলাদেশ। ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘অনার কানেক্ট’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। আয়োজনে স্মার্টফোনের পাশাপাশি বড় পরিসরে একটি কানেক্টেড ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

JanaKantha • 28 Days, Oct 5, 2026 5:52 AM
0
• 0 min read
Technology

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাথে পাচঁটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

Ajkalerkhobor • 28 Days, Oct 4, 2026 9:23 PM
0
• 0 min read
Technology

২৪ ঘণ্টায় মাস্কের সম্পদ বাড়ল ৬১ বিলিয়ন ডলার

এক দিনেই ইলন মাস্কের নিট সম্পত্তি বেড়েছে ৬১ বিলিয়ন ডলার। এতে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৭৯.৭ বিলিয়ন ডলারে। ফলে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক থেকে খুব বেশি দূরে নেই এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা।ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকায় এই হিসাব উঠে এসেছে।স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারে উত্থানশুক্রবার (২ অক্টোবর) স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে মাস্কের সম্পদে।একাধিক সফল উৎক্ষেপণের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ৭ শতাংশের বেশি বেড়ে ১৫৮.৮৪ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে টেসলার শেয়ারের দামও প্রায় ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭১.৩২ ডলারে।টেসলার গাড়ি সরবরাহেও ইতিবাচক পরিসংখ্যানএই প্রান্তিকে টেসলা গ্রাহকদের কাছে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩২টি গাড়ি পৌঁছে দিয়েছে। প্রত্যাশার তুলনায় এই পরিসংখ্যান শক্তিশালী হওয়ায় বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়তে সহায়তা করেছে।৯৭৯.৭ বিলিয়ন ডলারে মাস্কফোর্বসের প্রাক্কলন অনুযায়ী, শুক্রবার ইডিটি সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ছিল ৯৭৯.৭ বিলিয়ন ডলার। আগের দিনের তুলনায় এই বৃদ্ধি ৬.৬৪ শতাংশ।এর মধ্য দিয়ে ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নিয়ার্স তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। প্রায় ৩৭০.৭ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস।এর আগেও ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলকফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে অল্প সময়ের জন্য বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন মাস্ক। সে সময় তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১.৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল।এরপর স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারের দামের ওঠানামার সঙ্গে তাঁর নিট সম্পত্তিতেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে।

Sangbad • 28 Days, Oct 4, 2026 8:57 PM
0
• 0 min read
Technology

৫৩ ঘণ্টা পর্যন্ত প্লেব্যাক, অপোর নতুন ইয়ারবাডে যেসব সুবিধা

ট্রু ওয়্যারলেস স্টেরিও ইয়ারবাডের বাজারে নতুন মডেল এনেছে অপো। চীনের বাজারে ফাইন্ড এক্স১০ সিরিজের সঙ্গে ‘অপো ইনকো এক্স৪’ উন্মোচন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। নয়েজ ক্যানসেলেশন, স্পেশাল অডিও, একসঙ্গে দুটি ডিভাইস সংযোগ এবং দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপের মতো সুবিধা রাখা হয়েছে এতে।অডিওতে ডুয়াল ড্রাইভারঅপো ইনকো এক্স৪-এ রয়েছে ১১ মিমি ডায়নামিক উফার ও ৬ মিমি টুইটার। ইয়ারবাডটির ফ্রিকোয়েন্সি রেসপন্স ১০ হার্জ থেকে ৪০ কিলোহার্জ।এতে এএসি, এসবিসি, এলএইচডিসি ও এলসি৩ অডিও কোডেক সমর্থন রয়েছে। পাশাপাশি ৪৮ কিলোহার্জ/২৪-বিট লসলেস অডিও এবং স্পেশাল অডিও ব্যবহারের সুবিধাও থাকছে।তিন স্তরের নয়েজ ক্যানসেলেশনব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নয়েজ ক্যানসেলেশনের তিনটি স্তর বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে - ডিপ, মিডিয়াম ও লাইট। এর সঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ও অ্যাডাপটিভ মোডও থাকছে।অপোর দাবি, ইয়ারবাডটির নয়েজ ক্যানসেলেশন প্রযুক্তি দৈনন্দিন জীবনের ৯৯.৮ শতাংশ পর্যন্ত শব্দ দমন করতে পারে।চার মাইক্রোফোনে কলের শব্দকলের সময় আশপাশের শব্দ কমিয়ে কথোপকথন পরিষ্কার রাখতে ইয়ারবাডটিতে চারটি মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সিলিকন মাইক্রোফোন এবং একটি ভিপিইউ মাইক্রোফোন।এ ছাড়া চার-মাইক্রোফোনভিত্তিক এআই কল নয়েজ রিডাকশন প্রযুক্তি রয়েছে, যা কলের সময় পারিপার্শ্বিক শব্দ কমাতে সাহায্য করবে।একসঙ্গে দুই ডিভাইসে সংযোগঅপো ইনকো এক্স৪-এ ব্লুটুথ ৬.১ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে দুটি ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগ রাখা যাবে। ফলে ফোন ও ল্যাপটপের মতো দুই ডিভাইসের মধ্যে ব্যবহারের সময় বারবার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রয়োজন হবে না।ইয়ারবাডটি অ্যান্ড্রোয়েড ও আইওএস উভয় প্ল্যাটফর্মেই ব্যবহার করা যাবে।এক চার্জে ১৩ ঘণ্টা পর্যন্তব্যাটারির দিক থেকেও একাধিক সুবিধা রেখেছে অপো। প্রতিটি ইয়ারবাডে রয়েছে ৬৫এমএএইচ ব্যাটারি এবং চার্জিং কেসে ৫৭৬এমএএইচ ব্যাটারি।এএনসি ও এএসি বন্ধ থাকলে একবার চার্জে ইয়ারবাডে সর্বোচ্চ ১৩ ঘণ্টা এবং চার্জিং কেসসহ মোট ৫৩ ঘণ্টা পর্যন্ত প্লেব্যাক পাওয়া যাবে বলে দাবি করেছে অপো।এলএইচডিসি ব্যবহার করলে ব্যাটারি ব্যাকআপ কমে ইয়ারবাডে ১০ ঘণ্টা এবং কেসসহ ৪২ ঘণ্টা পর্যন্ত হবে।চার্জিংয়ের জন্য রয়েছে ইউএসবি টাইপ-সি ও ওয়্যারলেস চার্জিং। তারযুক্ত চার্জিংয়ে ইয়ারবাড পুরোপুরি চার্জ হতে প্রায় ৫৫ মিনিট এবং কেসে প্রায় ৬৫ মিনিট সময় লাগে। ওয়্যারলেস চার্জিংয়ে সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা।ওজন ও সুরক্ষাপ্রতিটি ইয়ারবাডের ওজন ৫.৬ গ্রাম। চার্জিং কেসসহ মোট ওজন ৫৩ গ্রাম। ধুলো ও পানির ছিটেফোঁটা থেকে সুরক্ষার জন্য এতে রয়েছে IP55 রেটিং।দাম ও রঙচীনের বাজারে অপো ইনকো এক্স৪-এর দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ১৯৯ চীনা ইউয়ান। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর দাম প্রায় ২১ হাজার ৮০০ টাকা।ইয়ারবাডটি পাওয়া যাবে তিনটি রঙে - পিঙ্ক গোল্ড, সফট হোয়াইট ও টাইটেনিয়াম গ্রে।

Sangbad • 28 Days, Oct 4, 2026 8:53 PM
0
• 0 min read
Technology

২৬ লাখ টাকার বেশি দামের আইফোন ডুও, তৈরি হয়েছে মাত্র ১৭টি

অ্যাপলের ভাঁজযোগ্য আইফোন ডুও বাজারে আসার পর এর নকশা ও দাম নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এবার সেই ফোনের আরও বিলাসবহুল সংস্করণ তৈরি করেছে পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যাভিয়ার। ‘লিকুইড মেটাল’ নামের বিশেষ সংস্করণের সর্বোচ্চ দাম ২১ হাজার ৩৪০ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৬ লাখ টাকার বেশি।সীমিত সংখ্যায় তৈরি এই ফোনে সাধারণ স্মার্টফোনের পরিবর্তে ধাতব ভাস্কর্যের আদল ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছে ক্যাভিয়ার।স্টার্লিং সিলভারে তৈরি বাইরের কাঠামো‘লিকুইড মেটাল’ সংস্করণের প্রধান বৈশিষ্ট্য এর নকশা ও নির্মাণ উপকরণ। ফোনটির বাইরের কাঠামোতে ব্যবহার করা হয়েছে স্টার্লিং সিলভার। এরপর এতে দেওয়া হয়েছে চকচকে পালিশ, যার ফলে ফোনের পৃষ্ঠ আয়নার মতো প্রতিফলিত হয়।ক্যাভিয়ার জানিয়েছে, ফোনটি ভাঁজ ও খোলার সময় এর আকৃতিতে যে পরিবর্তন ঘটে, সেখান থেকেই বিশেষ নকশার ধারণা নেওয়া হয়েছে। বাঁকানো ও প্রবহমান রেখার মাধ্যমে ভাঁজযোগ্য ফোনটিকে ধাতব ভাস্কর্যের মতো করে উপস্থাপন করা হয়েছে।ফোন খোলা কিংবা বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে বাইরের নকশায়ও যাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে, সেভাবেই পুরো কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।মাত্র ১৭টি ইউনিটসবার জন্য বাজারে থাকা সাধারণ সংস্করণের মতো নয় ক্যাভিয়ারের এই বিশেষ সংস্করণ। ‘লিকুইড মেটাল’ আইফোন ডুও তৈরি করা হয়েছে মাত্র ১৭টি।স্টোরেজের ওপর ভিত্তি করে এর দামও আলাদা। সংস্করণভেদে মূল্য হলো:২৫৬ জিবি - ১৮ হাজার ৮৪০ ডলার৫১২ জিবি - ১৯ হাজার ২০০ ডলার১ টেরাবাইট - ১৯ হাজার ৯১০ ডলার২ টেরাবাইট - ২১ হাজার ৩৪০ ডলারযুক্তরাজ্যের বাজারে সাধারণ আইফোন ডুওর দাম ১ হাজার ৯৯৯ থেকে ৩ হাজার ১৯৯ পাউন্ড। সেখানে ২ টেরাবাইটের ‘লিকুইড মেটাল’ সংস্করণের দাম ১৬ হাজার পাউন্ডেরও বেশি।শুধু আইফোন ডুও নয়আইফোন ডুওর পাশাপাশি অ্যাপলের আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের জন্যও বিশেষ সংস্করণ তৈরি করেছে ক্যাভিয়ার। এসব মডেলের মোট ৭৬টি ইউনিট তৈরি করা হয়েছে।নকশা ও ব্যবহৃত উপকরণের ওপর নির্ভর করে এসব ফোনের দাম ৭ হাজার ১৩০ ডলার থেকে ৮৮ হাজার ২৯০ ডলার পর্যন্ত।সোনা-হীরায় তৈরি বিশেষ সংস্করণএই সিরিজের অন্যতম দামি সংস্করণ ‘পালমেট ১৮কে’। ফোনটির বিশেষ কাঠামো তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১৮ ক্যারেট সোনা ও হীরা।নকশায় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতীকী খেজুরগাছের পাতার আদল। এর ওপর হাতে বসানো হয়েছে শতাধিক হীরা। এমনকি অ্যাপলের লোগোতেও ব্যবহার করা হয়েছে মূল্যবান পাথর।প্রযুক্তির সঙ্গে বিলাসিতার মেলবন্ধনঅ্যাপলের ফোনকে বিলাসবহুল সংস্করণে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে ক্যাভিয়ারের এটি প্রথম উদ্যোগ নয়। এর আগেও বিশেষ নকশা ও দুর্লভ উপকরণ ব্যবহার করে আইফোনের বিভিন্ন সংস্করণ তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।চলতি বছরের এপ্রিলেও আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সের একটি বিশেষ সংস্করণ বাজারে এনেছিল ক্যাভিয়ার। ওই ফোনে অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের পরিচিত কালো টার্টলনেক পোশাকের একটি অংশের কাপড় ব্যবহার করা হয়েছিল।ক্যাভিয়ারের এসব উদ্যোগে প্রযুক্তিপণ্যের সঙ্গে বিলাসিতার সংযোগই সামনে আসে। নতুন ‘লিকুইড মেটাল’ আইফোন ডুওও সেই ধারার আরেকটি উদাহরণ।

Sangbad • 28 Days, Oct 4, 2026 8:45 PM
0
• 0 min read
Technology

নিরাপত্তা ত্রুটি ঠেকাতে আইফোন-আইপ্যাডে নতুন সফটওয়্যার আপডেট

আইফোন ও আইপ্যাডের পুরোনো সফটওয়্যারে থাকা একটি নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালানোর আশঙ্কার কথা জানিয়েছে অ্যাপল। এ কারণে ব্যবহারকারীদের দ্রুত নতুন নিরাপত্তা হালনাগাদ ইনস্টল করার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।এরই মধ্যে আইফোন ১১ ও পরবর্তী মডেলের জন্য আইওএস ২৬.৭.১ এবং আইপ্যাডের জন্য আইপ্যাডওএস ২৬.৭.১ উন্মুক্ত করা হয়েছে।যেভাবে কাজে লাগানো হতে পারে ত্রুটিটিঅ্যাপলের তথ্যমতে, আইওএসের ‘কোরগ্রাফিকস’ অংশে থাকা ত্রুটিটি ব্যবহার করে বিশেষভাবে তৈরি ফাইলের মাধ্যমে ডিভাইসে ক্ষতিকর কোড চালানো সম্ভব।ডিভাইসে ছবি ও বিভিন্ন গ্রাফিক উপাদান প্রদর্শনের কাজে কোরগ্রাফিকস ব্যবহৃত হয়। অ্যাপল জানিয়েছে, আইওএস ২৭-এর আগের সংস্করণ ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে চালানো ‘অত্যন্ত জটিল’ হামলায় এই ত্রুটি কাজে লাগানো হয়ে থাকতে পারে।তবে এসব হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি প্রতিষ্ঠানটি।আপডেটের আগে যা করতে হবেনিরাপত্তা হালনাগাদ ইনস্টলের আগে আইফোনের তথ্যের ব্যাকআপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে অ্যাপল। এ জন্য আইক্লাউড বা কম্পিউটারে ব্যাকআপ রাখা যাবে।এরপর ফোনটি চার্জে যুক্ত করে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করতে হবে। হালনাগাদ ইনস্টলের ধাপগুলো হলো:আইফোনের ‘সেটিংস’ খুলতে হবে।এরপর ‘জেনারেল’ অপশনে যেতে হবে।‘সফটওয়্যার আপডেট’ নির্বাচন করতে হবে।সেখানে নতুন হালনাগাদ দেখা গেলে ‘ডাউনলোড অ্যান্ড ইনস্টল’ অথবা ‘আপডেট নাও’ নির্বাচন করতে হবে।প্রয়োজন হলে ফোনের পাসকোড দিতে হবে।চাইলে ব্যবহারকারীরা স্বয়ংক্রিয় হালনাগাদ সুবিধাও চালু রাখতে পারবেন।নিজের সুবিধামতো ইনস্টলের সুযোগযাঁরা নিজের পছন্দের সময়ে আপডেট ইনস্টল করতে চান, তাঁরা ‘অটোমেটিক্যালি ইনস্টল’ সুবিধা বন্ধ রেখে শুধু ‘অটোমেটিক্যালি ডাউনলোড’ চালু রাখতে পারেন।এ ক্ষেত্রে ফোন লক থাকা, চার্জে যুক্ত থাকা এবং ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত অবস্থায় হালনাগাদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হবে। পরে ব্যবহারকারী নিজের সুবিধামতো সেটি ইনস্টল করতে পারবেন।আইফোন ১৮ প্রো সিরিজেও নতুন আপডেটএদিকে আইফোন ১৮ প্রো ও ১৮ প্রো ম্যাক্সের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আইওএস ২৭.০.১ প্রকাশ করেছে অ্যাপল।নতুন মডেল দুটি বাজারে আসার পর ব্যবহারকারীদের কেউ কেউ অভিযোগ করেছিলেন, ফেস আইডি দিয়ে পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যর্থ হলে ফোন হঠাৎ পুনরায় চালু হয়ে যাচ্ছে। নতুন হালনাগাদে এ সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।এ ছাড়া নোটিফিকেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল সেন্টার একই সময়ে খোলার পর টাচস্ক্রিন অচল হয়ে যাওয়ার সমস্যাও নতুন হালনাগাদে ঠিক করা হয়েছে।

Sangbad • 28 Days, Oct 4, 2026 8:38 PM
0
• 0 min read
Technology

চুল পাকার সঙ্গে ক্যানসার প্রতিরোধের যোগসূত্র খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা

Bd-Pratidin • 28 Days, Oct 4, 2026 10:57 AM
0
• 0 min read
Technology

বাজারে আসছে ৮ হাজার এমএএইচ ব্যাটারির নতুন ফোন

দীর্ঘ সময় ব্যাটারি ব্যাকআপের সুবিধা দিতে ৮,০০০ এমএএইচ ব্লুভোল্ট ব্যাটারি নিয়ে বাংলাদেশের বাজারে আসছে ভিভোর নতুন স্মার্টফোন ওয়াই৩২। ‘পাওয়ার লং, গ্রো অন’ ধারণাকে সামনে রেখে তৈরি ডিভাইসটি বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ফোনে কাজ করা ব্যবহারকারীদের কথা বিবেচনা করে বাজারে আনা হচ্ছে।

JanaKantha • 29 Days, Oct 4, 2026 12:54 AM
0
• 0 min read
Technology

পুরোনো সৌর প্যানেলের ভবিষ্যৎ কী, বাড়ছে বর্জ্যের উদ্বেগ

সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বাড়ির ছাদ থেকে শুরু করে বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র—বিভিন্ন জায়গায় স্থাপিত প্যানেল বছরের পর বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। তবে এসব প্যানেলের কার্যকাল শেষ হওয়ার পর সেগুলোর ব্যবস্থাপনা নিয়েও এখন গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হচ্ছে।যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার (ইপিএ) তথ্য অনুযায়ী, একটি সৌর প্যানেল সাধারণত ২৫ বছরের বেশি সময় কার্যকর থাকতে পারে। এরপর সেটি বর্জ্যে পরিণত হলে সংগ্রহ, পুনর্ব্যবহার ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হয়।বাড়ছে সৌর প্যানেলের বর্জ্যগত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১০ সালে দেশটির নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৪ শতাংশ এসেছিল সৌরবিদ্যুৎ থেকে। ২০২০ সালে এই হার বেড়ে প্রায় ৪০ শতাংশে পৌঁছায়। একই বছরে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৩ দশমিক ৩ শতাংশ এসেছিল সৌরপ্রযুক্তি থেকে।সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে ভবিষ্যতে পুরোনো প্যানেলের সংখ্যাও বাড়বে। ইপিএর হিসাবে, ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সৌর প্যানেল বর্জ্য প্রায় ১০ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে। ২০৫০ সালের মধ্যে সেই পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টনে দাঁড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।প্যানেলে থাকে বিভিন্ন ধাতুসৌর প্যানেল ব্যবহারের সময় সাধারণত বায়ুতে দূষণকারী পদার্থ নির্গত হয় না। কিন্তু ব্যবহারের শেষ পর্যায়ে সেগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কারণ প্যানেলের ভেতরে থাকা বিভিন্ন ধাতু ও অন্যান্য উপাদান সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা প্রয়োজন।বর্তমানে ব্যবহৃত সৌর প্যানেলের ৯৫ শতাংশের বেশি ক্রিস্টালাইন-সিলিকন প্রযুক্তির। এতে সিলিকনের পাশাপাশি অল্প পরিমাণে রুপা ও তামার মতো মূল্যবান ধাতু থাকে। এসব প্যানেলের সাধারণ আয়ু ২৫ বছর বা তার বেশি।অন্যদিকে থিন-ফিল্ম বা পাতলা স্তরের সৌর প্যানেলে ক্যাডমিয়াম টেলুরাইড কিংবা কপার ইন্ডিয়াম গ্যালিয়াম ডিসেলেনাইডের মতো অর্ধপরিবাহী উপাদান ব্যবহৃত হয়।সব পুরোনো প্যানেল একই ধরনের বর্জ্য নয়ব্যবহারের মেয়াদ শেষ হওয়া সব সৌর প্যানেলকে একই ধরনের বর্জ্য হিসেবে দেখা যায় না। ইপিএর পরীক্ষায় বিভিন্ন মডেল ও নির্মাতার প্যানেলে ধাতু ও অন্যান্য উপাদানের পরিমাণে পার্থক্য পাওয়া গেছে।কিছু প্যানেলে সিসা বা ক্যাডমিয়ামের মতো ভারী ধাতু এমন মাত্রায় থাকতে পারে, যা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আইনে কোনো কোনো ব্যবহৃত সৌর প্যানেল বিপজ্জনক বর্জ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। আবার একই ধরনের অন্য প্যানেল সেই শ্রেণিতে নাও পড়তে পারে।এমনকি একই নির্মাতা ও মডেলের প্যানেলের ক্ষেত্রেও পরীক্ষার ফল ভিন্ন হতে পারে।কীভাবে নির্ধারিত হয় ঝুঁকিযুক্তরাষ্ট্রে কোনো সৌর প্যানেল ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পরিত্যক্ত হলে সেটিকে বর্জ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরপর সেটির ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য রয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করা হয়।সিসা ও ক্যাডমিয়ামের মতো ভারী ধাতু বর্জ্য থেকে বেরিয়ে আসতে পারে কি না, তা যাচাইয়ে ‘টক্সিসিটি ক্যারেক্টারিস্টিক লিচিং প্রসিডিউর’ পরীক্ষা ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষায় নির্ধারিত মাত্রার বেশি ক্ষতিকর উপাদান বেরিয়ে এলে সেটিকে বিপজ্জনক বর্জ্য হিসেবে ব্যবস্থাপনা করতে হয়।তবে পুরোনো সৌর প্যানেল মানেই বিপজ্জনক বর্জ্য—এমন নয়। প্যানেলের নকশা, উপাদান ও নির্মাণপ্রক্রিয়ার ভিন্নতার কারণে ঝুঁকিও আলাদা হতে পারে।পুনর্ব্যবহারে গুরুত্ব ইপিএরপুরোনো প্যানেল ফেলে না দিয়ে এর ব্যবহারযোগ্য উপাদান উদ্ধার করা গেলে নতুন প্যানেল তৈরিতে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও শক্তির ওপর চাপ কমানো সম্ভব। তাই সৌর প্যানেলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পুনর্ব্যবহারকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে ইপিএ।বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত কিছু সৌর প্যানেলও নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে পুনর্ব্যবহার-সংক্রান্ত কিছু নিয়ন্ত্রক সুবিধার আওতায় আসতে পারে। এর মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি মূল্যবান উপাদানগুলোকে আবার অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি হয়।‘ইউনিভার্সাল ওয়েস্ট’ ব্যবস্থায় আনার উদ্যোগসৌর প্যানেলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সহজ ও কার্যকর করতে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইপিএ সৌর প্যানেলকে ‘ইউনিভার্সাল ওয়েস্ট’ ব্যবস্থার আওতায় আনার জন্য নতুন নিয়ম তৈরির উদ্যোগের কথা জানায়।এই ব্যবস্থার লক্ষ্য নির্দিষ্ট ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনর্ব্যবহারের প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ করা এবং একই সঙ্গে নিরাপদ ব্যবস্থাপনার কাঠামো তৈরি করা।যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্যও এ বিষয়ে নিজস্ব উদ্যোগ নিয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া, হাওয়াই, নিউ জার্সি, নর্থ ক্যারোলাইনা ও ওয়াশিংটনে সৌর প্যানেলের ব্যবহার শেষে ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহার বা নির্মাতার কাছে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন আইন, কর্মসূচি ও নীতিমালা রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগ পুরো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অভিন্ন ব্যবস্থা নয়।সৌরশক্তির টেকসই ভবিষ্যতের প্রশ্নসৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি পুরোনো প্যানেলের ভবিষ্যৎ নিয়েও পরিকল্পনা প্রয়োজন। প্যানেল যতদিন বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, ততদিন এর পরিবেশগত সুবিধা পাওয়া যায়। কিন্তু কার্যকাল শেষ হওয়ার পর সেটি যেন নতুন পরিবেশগত সমস্যার কারণ না হয়, সে জন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত সংগ্রহ, নিরাপদ পরিবহন, পুনর্ব্যবহার ও যথাযথ নিষ্পত্তি।সৌরশক্তির টেকসই ভবিষ্যৎ তাই শুধু সূর্যের আলোকে বিদ্যুতে রূপান্তরের ওপর নির্ভর করছে না; ব্যবহৃত প্রযুক্তির পুরো জীবনচক্র কতটা দায়িত্বশীলভাবে পরিচালনা করা যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

Sangbad • 29 Days, Oct 3, 2026 8:45 PM
0
• 0 min read
Technology

বিশ্বের দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজির জায়গা দখল করে নিচ্ছে এআইদীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সফল হওয়ার অন্যতম শর্ত হিসেবে ইংরেজি ভাষা শেখার কথা বলা হয়েছে। সিউলের একজন প্রকৌশলী, আবুধাবির উদ্যোক্তা, সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মকর্তা কিংবা প্যারিসের ব্যাংকার—নিজের মাতৃভাষা যা-ই হোক, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও কূটনীতিতে প্রতিযোগিতা করতে ইংরেজি...

দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সফল হওয়ার অন্যতম শর্ত হিসেবে ইংরেজি ভাষা শেখার কথা বলা হয়েছে। সিউলের একজন প্রকৌশলী, আবুধাবির উদ্যোক্তা, সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মকর্তা কিংবা প্যারিসের ব্যাংকার—নিজের মাতৃভাষা যা-ই হোক, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও কূটনীতিতে প্রতিযোগিতা করতে ইংরেজি...

Ajkerpatrika • 30 Days, Oct 2, 2026 9:48 PM
0
• 0 min read
Technology

নিকনের প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়া ছবি ও ভিডিওতে এআই ব্যবহারের অভিযোগমাইক্রোস্কোপে ধারণ করা বৈজ্ঞানিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ নিকন ‘স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন’ প্রতিযোগিতার এবারের বিজয়ী ছবি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিযোগিতার অন্য কয়েকজন বিজ্ঞানী অভিযোগ করেছেন, বিজয়ী ভিডিওটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের এমন ব্যবহার হয়েছে, যা প্রতিযোগিতার নিয়মের...

মাইক্রোস্কোপে ধারণ করা বৈজ্ঞানিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে আয়োজিত মর্যাদাপূর্ণ নিকন ‘স্মল ওয়ার্ল্ড ইন মোশন’ প্রতিযোগিতার এবারের বিজয়ী ছবি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রতিযোগিতার অন্য কয়েকজন বিজ্ঞানী অভিযোগ করেছেন, বিজয়ী ভিডিওটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের এমন ব্যবহার হয়েছে, যা প্রতিযোগিতার নিয়মের...

Ajkerpatrika • 31 Days, Oct 1, 2026 11:12 PM
0
• 0 min read
Tue ☀️ 31°
Wed ⛅ 30°
Thu 🌧️ 28°
Fri ⛅ 29°
Sat ☀️ 32°

Trending News

Daily Newspaper