Business
সংবাদ সম্মেলনে অ্যামচেম সভাপতি /
গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটি ডলার। আগামী ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে এ দেশে মার্কিন উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ আরও ৫০০
Business
গত ১৫ বছরে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটি ডলার। আগামী ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে এ দেশে মার্কিন উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ আরও ৫০০
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (১ জুলাই থেকে ১ নভেম্বর) দেশে ১১ হাজার ৬৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১০ হাজার ১৯২ মিলিয়ন ডলার।\r\n\r\nসে হিসাবে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি
সংবাদ সম্মেলনে অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল জানান, আগামী চার বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করছে সংগঠনটি।
আগামী চার বছরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৫ বিলিয়ন ডলারের বেসরকারি বিদেশি বিনিয়োগ
হ্যাকিংয়ের ঘটনায় চুরি হওয়া ৬৩০ কোটি ডলার মূল্যের সম্পদের ৯০ শতাংশ ক্ষতিপূরণ দিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্স। রোববার প্ল্যাটফর্মটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১ দশমিক ৫১ শতাংশ। এ সময়ে দেশটিতে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৩৩৫ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয়ের পরিমাণ ছিল ৩০০ কোটি ডলার।\r\n\r\nরপ্তানি উন্নয়ন
চার মাসে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় ১ হাজার ৭০৪ কোটি ডলার
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে গত ১২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পণ্য রপ্তানি আয় করেছিল বাংলাদেশ। তবে পরের মাস আগস্টে সেই ধারা ধরে রাখা যায়নি। জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে পণ্য রপ্তানি আয় কমেছে ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ। এ সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৪৪২ কোটি ডলারের পণ্য, যা জুলাইয়ে ছিল ৪৭২ কোটি...
দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া অক্টোবর মাসে প্রবাসীরা ২৮৭ কোটি ৩৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই মাসে এসেছিল ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ১ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে...
সদ্যবিদায়ী অক্টোবরে ২৮৭ কোটি ৩৬ লাখ ৩০ হাজার বা ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ৩৫ হাজার ৩৪৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য উঠে এসেছে।ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, অক্টোবরে ২৮৭ কোটি ৩৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যেখানে আগের মাস সেপ্টেম্বরে এসেছিল ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার। এছাড়া গত বছরের একই সময়ের চেয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৭৬ লাখ ডলার বেশি এসেছে এখন পর্যন্ত।তবে অক্টোবর নিয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের টানা চার মাসসহ গত টানা পাঁচ মাস তিন বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এলো রেমিট্যান্স। এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থ
চলতি বছরের জুলাই-অক্টোবর সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৬ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ।
চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশের পণ্য রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭০৪ কোটি ডলারে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১ হাজার ৬০৮ কোটি ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ। রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে...
গত অক্টোবর মাসে দেশে এসেছে ২৮৭ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি
চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–অক্টোবর) সময়ে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে তুলনায় বেড়েছে ৬ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময় এসেছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ।
দেশের পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে প্রায় ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ। রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছে...
বিডিবিএল ভবন (লেভেল ১৭), ১২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশের পণ্য রফতানি থেকে আয় হয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে রফতানি আয় বেড়েছে ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.