Business
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর বাজার মূলধন কমল সাত হাজার কোটি টাকা
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই মূল্যসূচকের বড় পতন ঘটেছে। সূচকের পাশাপাশি পতন হয়েছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দামে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন প্রায় ৭ হাজার ১১১ কোটি টাকা কমে গেছে। তবে এই মন্দাভাবের মধ্যেও আশার আলো দেখা গেছে লেনদেনের গতিতে, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে।বিদায়ী সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১০৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ২৫০টি প্রতিষ্ঠান এবং ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর অপরিবর্তিত রয়েছে। দরপতনের এ ধাক্কায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকায়। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধনের পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৮১ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা।মূলধন কমার পাশাপাশি বাজারে প্রতিনিয়ত কমেছে সূচকের অবস্থান। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩৩.১৯ পয়েন্ট বা দশমিক ৬১ শতাংশ কমেছে। অন্যান্য সূচকের মধ্যে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৯.৭৩ পয়েন্ট বা ১.৮৪ শতাংশ এবং বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৬.৫৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।তবে দরপতনের মধ্যেও শেয়ারবাজারে লেনদেনের সার্বিক পরিধি ও গতি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে ৪৫০ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৩৮৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৬৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বা ১৬.৮৪ শতাংশ।টাকার অঙ্কে গত সপ্তাহে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) শেয়ার। কোম্পানিটির দৈনিক গড়ে ২০ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৪.৬৬ শতাংশ। প্রতিদিন গড়ে ২০ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করে দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক এবং ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকার লেনদেন নিয়ে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে প্রাইম ব্যাংক।এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ তালিকার অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: সিটি ব্যাংক, সায়হাম টেক্সটাইল, মতিন স্পিনিং, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, বেক্সিমকো ফার্মা এবং শাহজিবাজার পাওয়ার।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.