ফিলিপাইনে কমতে পারে চাল ও ভুট্টা উৎপাদন
বিডিবিএল ভবন (লেভেল ১৭), ১২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
বিডিবিএল ভবন (লেভেল ১৭), ১২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
সম্প্রতি সখিপুর বাজারের মোল্লা মার্কেটসংলগ্ন আবু তালেব প্লাজার দ্বিতীয় তলায় শাখাটি ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করেছে।
২০৩০ সালের মধ্যে এ অঞ্চলে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার নতুন হোটেল কক্ষ যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে মোট কক্ষের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬ লাখ ১৬ হাজারে দাঁড়াবে।
তথ্যানুসারে, পুনর্মূল্যায়নের জন্য ভ্যালুয়ার হিসেবে ম্যাবস অ্যান্ড জে পার্টনার্স চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে নিয়োগ দিয়েছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের পর্ষদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজাউল করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম মজিবুর রহমান।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি দেশে আসতে শুরু করেছে। রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম ফুয়েল অ্যাসেম্বলি পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি এখন নির্মাণপর্ব পেরিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনা ও কমিশনিং পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু জ্বালানি পৌঁছানো মানেই বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু নয়। প্রথম ইউনিটকে নিরাপদে ক্রিটিক্যালিটিতে নেয়া, জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা এবং ধাপে ধাপে পূর্ণ উৎপাদন ক্ষমতায় নিয়ে যাওয়ার আগে আরো বেশ কিছু কারিগরি ও নিয়ন্ত্রক ধাপ অতিক্রম করতে হবে। সর্বশেষ সরকারি উপস্থাপনা অনুযায়ী, প্রথম ইউনিটের কমিশনিং অগ্রগতি ৯৮ শতাংশ। ইতোমধ্যে প্রাথমিক কমিশনিংয়ের বড় অংশ শেষ হয়েছে এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি-সংক্রান্ত ধাপও সম্পন্ন হয়েছে। ফলে রূপপুরের প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ গ্রিডে দেয়ার প্রস্তুতি এখন অনেকটাই এগিয়ে। রূপপুরের একজন কর্মকর্তা জানান, ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৯৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এরপর গত দেড় বছরে মোট খরচের আর কোনো হিসাব করা হয়নি। এর মধ্যে রূপপুরের বিদ্যুৎ গ্রিডে সঞ্চালনের কথা থাকলেও ঠিক কবে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে তা কেউ এখনো নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না। এই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প, যার লক্ষ্য ছিল দুই ইউনিটে ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন। প্রকল্পটির মূল মেয়াদ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। একই সাথে মোট অনুমোদিত ব্যয় ১ লাখ ১৩ হাজার ৯২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে— প্রায় ২৫ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা বেশি। প্রকল্প কর্তৃপক্ষের মতে, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নই ব্যয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ; রাশিয়ার সাথে ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলারের মূল চুক্তিমূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে।
সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।
এ অংশীদারত্বের আওতায় সম্ভাবনাময় রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তুলনামূলক সাশ্রয়ী শর্তে অর্থায়ন সুবিধা দেবে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকটি।
এ স্কিমের আওতায় দেশের রফতানিমুখী শিল্পে বার্ষিক ৭ শতাংশ সুদে অর্থায়ন সুবিধা দেবে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকটি।
বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর, ইলেকট্রনিকস, জাহাজ নির্মাণ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হাই-এন্ড তৈরি পোশাক, আইসিটি ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতে কোরীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
বিডিবিএল ভবন (লেভেল ১৭), ১২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গ্রাহকদের দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে বীমা দাবি পরিশোধে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করছে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের গ্রাহকদের মাঝে নয় কোটি ৬৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
নাটোরের গুরুদাসপুরে ধার দেওয়া ১০ হাজার টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় রফিকুলের বিরুদ্ধে মারধর ও ভাঙচুরের পাল্টা অভিযোগ করেছেন অভিযুক্ত রুহুল আমিন।
চট্টগ্রামের বাজারে হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে আমদানি করা বিদেশি ফলের দাম। বিশেষ করে ডেঙ্গুর এই ভরা মৌসুমে চাহিদা বাড়াকে কাজে লাগিয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাল্টা। এক মাসের ব্যবধানে চট্টগ্রামে মাল্টার দাম কেজিতে প্রায় দুই শত টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা আমদানি ও সরবরাহ সংকটের দোহাই দিলেও কাস্টমসের তথ্যে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ফলের দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি।বাজার ঘুরে দেখা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে এখন এক কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগেও এর দাম ছিল ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা এবং এক মাস আগে তা বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজিতে।ফল ব্যবসায়ীরা জানান, দেশে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ কনটেইনার মাল্টার চাহিদা রয়েছে। তবে গত ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে বাজারে দিনে মাত্র ৬ থেকে ৭ কনটেইনার মাল্টা পৌঁছাচ্ছে। সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসা এবং একই সময়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির কারণে বাজারে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।চট্টগ্রামের ফল আমদানিকারক মো. শহিদ উল্লাহ বলেন, “জাহাজ সংকট এবং ফলের মৌসুম শেষ হয়ে আসার কারণে মাল্টা ও কমলার সরবরাহ কমেছে। তাছাড়া এক মাস আগে কম দামে বিক্রি করতে গিয়ে আমদানিকারকদের লোকসান গুনতে হয়েছে। এখন বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম খানিকটা চড়া।”তবে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে নতুন চালান এলে দ্রুতই মাল্টার দাম কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ব্যবসায়ীরা বিদেশি ফলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য উচ্চ শুল্ক-কর, বাড়তি জ্বালানি খরচ এবং বন্দরের অতিরিক্ত চার্জকেও অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।তবে আন্তর্জাতিক বাজার বা শুল্কায়নের ক্ষেত্রে দাম বাড়ার এমন কোনো চিত্র মিলেনি। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে ফলের আমদানি মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি। বর্তমানে মাল্টার আমদানি মূল্য কেজিতে মাত্র ১ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ টাকায়। অন্যদিকে আঙ্গুরের আমদানি মূল্য কেজিতে ২ টাকা কমে ১০৫ টাকা হয়েছে এবং আপেল ও কমলার আমদানি মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বিদেশি ফল আমদানিতে সব মিলিয়ে প্রায় ১২২ শতাংশ শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয়।কাস্টমসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৫ সালে আপেল, কমলা, মাল্টা ও আঙ্গুরসহ বিভিন্ন ফল আমদানি হয়েছিল ৫৩ কোটি ৮৩ লাখ কেজি। অন্যদিকে চলতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গত নয় মাসে ফল আমদানি হয়েছে ৪১ কোটি ২০ লাখ কেজি।সাধারণ ক্রেতা ও কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) নেতারা একে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বলেই মনে করছেন। ক্যাবের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, “ডেঙ্গুর কারণে বাজারে মাল্টার চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। আর এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের একটি চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছে।”এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ জানান, ফলের বাজারে অস্থিরতার বিষয়টি তাঁদের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে ফলমন্ডিসহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করছি। গত বুধবার নিয়ম না মানায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অসাধু কারসাজি বন্ধে বাজার মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল পর্যন্ত ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে জি৭ দেশগুলো। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সমন্বয়ে আগামী চার মাসে ধাপে ধাপে এসব জ্বালানি বাজারে সরবরাহ করা হবে। বাজারে স্থিতিশীলতা
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরে পদ্মা নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধের ৪৮ মিটার অংশ ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী সুরেশ্বর মাছ ঘাট। ভাঙন আতঙ্কে ঘাটের ১৮টি মাছের আড়ত সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা।এ ঘটনায় সুরেশ্বর বাজারের দুই শতাধিক ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দার মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। ভাঙন মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।পাউবো জানায়, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাতটার দিকে হঠাৎ পদ্মার ডানতীর রক্ষা বাঁধের সুরেশ্বর মাছ ঘাটসংলগ্ন প্রায় ৪৮ মিটার অংশ ধসে পড়ে। মুহূর্তেই নদীতীরবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভাঙনের আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা দ্রুত দোকানপাট ও আড়তের মালামাল সরিয়ে নিতে শুরু করেন। অনেকেই নিজেদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রক্ষায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোরের আলো ফোটার আগেই আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে সুরেশ্বর মাছ ঘাটে। খোলা আকাশের নিচে শুরু হয় মাছের কেনাবেচা। একদিকে চলছে মাছের দরদাম, অন্যদিকে ভাঙন আতঙ্কে আড়তঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার ব্যস্ততা। অনিশ্চয়তার মধ্যেই জীবিকার তাগিদে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন ঘাটের ব্যবসায়ীরা।তাদেরই একজন শফিকুল ইসলাম। ভাঙন আতঙ্কে নিজের দোকানঘরের মালামাল সরিয়ে নিতে ব্যস্ত তিনি। দীর্ঘদিনের ব্যবসা ও আয়ের শেষ সম্বল হারানোর আশঙ্কায় দিশেহারা এই ব্যবসায়ী। কোথায় যাবেন, কীভাবে জীবিকা চালাবেন—এমন দুশ্চিন্তায় কাটছে তার সময়।শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জীবনে অনেকবার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাতে হয়েছে। বাঁধ দেওয়ার পর স্বস্তি পেয়েছিলাম, ভেবেছিলাম আর বুঝি ভাঙবে না। আজ সেই বাঁধেই ভেঙে গেছে। হুমকিতে রয়েছে পাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও। মালামাল নিয়ে কোথায় যাব, কী করব, তা ভেবে পাচ্ছি না।’শুধু শফিকুল ইসলাম নন, সুরেশ্বর বাজারের দুই শতাধিক ব্যবসায়ী এখন ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। স্থানীয়দের অনেকেই জীবনে একাধিকবার নদীভাঙনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। পদ্মার ভাঙনে হারিয়েছেন বসতভিটা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও জীবিকার অবলম্বন। ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর নদীতীরবর্তী এই বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু নতুন করে বাঁধ ধসে পড়ায় সেই স্বস্তি আবারও অনিশ্চয়তায় পরিণত হয়েছে।সুরেশ্বর এলাকার বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ‘বাজারের সঙ্গেই আমাদের ঘরবাড়ি। বাজার ভেঙে গেলে আমরাও বাড়িতে থাকতে পারব না। পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ দিয়েছে, কিন্তু তারা বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকমতো করছে না বলেই আজ এই পরিণতি। আমরা বাঁধ রক্ষার জন্য জোরালো দাবি করছি।’এদিকে, ভাঙন মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।পানি উন্নয়ন বোর্ডের শরীয়তপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মিল্টন হোসেন জানিয়েছেন, সুরেশ্বর এলাকায় বাঁধের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ভাঙন প্রতিরোধে জরুরি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে এক হাজার ৪০৩ কোটি টাকা ব্যয়ে শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীর ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ১০ দশমিক ২ কিলোমিটার অংশের কাজ শেষ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে নতুন করে বাঁধ ধসে পড়ায় সুরেশ্বর মাছ ঘাটের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নদীভাঙনের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকারি দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। কিন্তু রাজধানীর অনেক এলাকায় একই সিলিন্ডারের জন্য ভোক্তাকে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। কোথাও আবার এই বাড়তি দামেও গ্যাস মিলছে না। অর্থাৎ কাগজে-কলমে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও বাস্তব বাজারে তৈরি হয়েছে সংকট।আর সেই সংকটকে কেন্দ্র করে কোথাও কোথাও চলছে অতিরিক্ত দাম আদায়।
গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সারাদেশে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
এখন থেকে গ্রাহকরা রূপালী ই-ব্যাংক অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে কোনো ধরনের চার্জ ছাড়াই মাত্র ২ মিনিটে নগদ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে ফুটপাতে দোকান বসানোর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক সবজি বিক্রেতার চালানে মধু (৬০) নামের এক
Discussion
Please Sign In to join the discussion.