Bangladesh
রংপুরে ৪ খুন, তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে যা জানালেন পুলিশ কমিশনার
মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়, অন্য কারও শ্বাসকষ্টে ভোগার প্রয়োজন নেই
৬৪ জেলার তদারকিতে ৩০ মন্ত্রী-হুইপ, কার কোন জেলা
নেপালে বন্যা ও ভূমিধস : কোনো বাংলাদেশি হতাহতের খবর নেই
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে এখনো কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। কাঠমান্ডুতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান জানান, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং কাঠমান্ডুর বাংলাদেশ দূতাবাস নেপাল সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশির নিহত বা আহত হওয়ার তথ্য মিলেনি।এদিকে কাঠমান্ডু-পোখারা মহাসড়কে সাময়িকভাবে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় গতকাল কিছু বাংলাদেশি পর্যটক আটকে পড়েছিলেন। পরে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হলে তারা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে।বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এবং উদ্ধারকাজে সহায়তার লক্ষ্যে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানালের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তা দ্রুত বাংলাদেশকে জানাতে নেপাল সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।নেপালে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপুল প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি আহত ও নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার কামনা করেছে বাংলাদেশ সরকার। উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ঢাকা প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নেপাল-তিব্বত সীমান্তে এই ভয়াবহ দুর্যোগে এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ, যাদের মধ্যে অনেক বিদেশি পর্যটকও রয়েছেন।\
অবকাঠামো ও জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশে অবকাঠামো, বন্দর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা আরও বাড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
নেপালে ১৬২ মৃত্যু: শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতির
নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক শোকবার্তায় তিনি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।এর আগে নেপালে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। নেপালের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনো ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি পর্যটক ও নিরাপত্তাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ রয়েছেন।প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে লহেন্দে নদীর প্রবাহ তুষারধসে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপে আটকে গিয়ে একটি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হয়। পরে সেই হ্রদ ভেঙে পানি ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত ভোতেকোশি নদীতে নেমে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে। এতে নদীসংলগ্ন তিনটি জেলা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই এলাকায় স্থানীয়ভাবে কোনো বৃষ্টিপাত না থাকায় বাসিন্দারা বন্যার বিষয়ে আগাম কোনো সতর্কবার্তা পাননি।ভয়াবহ এই বন্যায় দেশটিতে অন্তত নয়টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকের নয়টি শাখা ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া ১৯টি সেতু এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার মহাসড়ক বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো না পাওয়া গেলেও উদ্ধারকারী দলগুলো নিখোঁজদের সন্ধানে সর্বাত্মক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ১৬২ মৃত্যু, স্পিকারের শোক
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে এক শোকবার্তায় তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।নেপালের মধ্যাঞ্চলীয় বাগমাতি প্রদেশের রাসুয়া ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েক শ মানুষ। নেপালের পর্যটন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৭৯ জন পর্যটক রয়েছেন, যাদের ৪০০ জনের বেশি বিদেশি নাগরিক।এদিকে নেপালে অন্তত ৫৪ জন মার্কিন পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। দেশটি বন্যায় নিহতদের স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি নেপালকে জরুরি আশ্রয়, পানি ও স্যানিটেশন সহায়তায় ৫ লাখ ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে আকস্মিক বন্যায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে নিখোঁজ রয়েছেন ৫৫৮ জন, যাঁদের মধ্যে অন্তত ২৬০ জন বিদেশি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে ‘সর্বাত্মক’ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।গিরং সীমান্তপথটি চীন ও নেপালের মধ্যে পর্যটক ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা ও যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
চট্টগ্রামে গ্যাসের উন্নতি, তবুও সংকটে শিল্প-আবাসিক
প্রতিশোধ ও বিভেদ জাতিকে শক্তিশালী করে না : রাষ্ট্রপতি
বিভেদ, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব মসজিদ ও ধর্মীয় উপাসনালয় এই ভাতার আওতায় আসবে।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.)-এর বিদায় হজের ভাষণ আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রাসঙ্গিক। সেই ভাষণে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়বিচারের যে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল, বর্তমান বিশ্বের সংঘাত ও অসহিষ্ণুতা থেকে উত্তরণে তা অনুসরণের বিকল্প নেই।অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অতীতের কর্তৃত্ববাদ, ফ্যাসিবাদ ও অন্যায় যেন আর কখনো ফিরে না আসে। ধর্মের শান্তি ও সম্প্রীতির মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণ করে আমাদের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’বাংলাদেশের ইসলামী সংস্কৃতির উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে মহানবী (সা.) যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা আমাদের জাতীয় জীবনে অনুসরণীয়।আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সমাজ থেকে দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস দূর করতে আপনাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও নৈতিকতায় উদ্বুদ্ধ করতে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা তুলে ধরতে হবে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার ও সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি ‘সিরাত স্মরণিকা’র মোড়ক উন্মোচন করেন।/
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানালেন রাজা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরার পথে ঢাকায় সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগ্যে ওয়াংচুক। এ সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টার এই যাত্রাবিরতিকালে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ভুটানের রাজাও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান ভুটানের রাজা। এ সময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ভুটানের বিশেষ অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থানে রয়েছে।’ তিনি বর্তমান রাজার পিতা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের মমত্ববোধের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে উল্লেখ করেন।বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ভুটানের রাজা তার উচ্চাভিলাষী ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এই উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি এই প্রকল্পের প্রশংসা করে জানান, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ ধরনের রূপান্তরমূলক উদ্যোগে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি থিম্পুর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে।/
মহানবীর (সা.) আদর্শে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবিকতার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মহানবীর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করেই একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাণীতে তিনি বাংলাদেশের সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর শুভাগমন মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য ও মহিমান্বিত ঘটনা। তিনি মানুষকে তাওহিদের পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা দিয়েছেন। তার পবিত্র জীবন ও কর্ম সমগ্র মানবজাতির জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ।পবিত্র কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে বাণীতে বলা হয়, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ মহানবী (সা.) জাতি, বর্ণ ও গোত্র নির্বিশেষে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে এতিম, অসহায় ও নারীদের অধিকার রক্ষায় তার শিক্ষা অপরিসীম।বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ, সংঘাত ও নৈতিক অবক্ষয়ের এই সময়ে মহানবীর ক্ষমা ও মানবিকতার শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের তরুণ প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের মাদক, সন্ত্রাস ও উগ্রতা থেকে দূরে রেখে নীতি-নৈতিকতা ও দেশপ্রেমের চেতনায় গড়ে তুলতে মহানবীর জীবন হতে পারে শ্রেষ্ঠ প্রেরণা।’পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও ন্যায়বোধের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।সূত্র: বাসস/
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পেলেন আশিক চৌধুরী
ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন। মূলত বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সহজীকরণে কর্তৃপক্ষের ভূমিকা আরও জোরালো করতে এবং চেয়ারম্যানকে তার দায়িত্ব পালনে বিশেষ সহায়তা দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ২৩ আগস্ট চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনকে নবগঠিত ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি সংস্থা, যা দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করার ক্ষেত্রে কাজ করে থাকে।আশিক চৌধুরী এর আগে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।/
স্থানীয় সরকার নির্বাচন পেছালো, শুরু ইউপি নির্বাচনে
রংপুরের পুলিশ কমিশনারকে সরিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন
রংপুরে ৪ খুনের পেছনে বড় শক্তি: মামলার বাদি
চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা চলছে
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), ফাইটার এয়ারক্রাফট, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, চীনের জে-১০সিই ফাইটার বিমান কেনার বিষয়ে আলোচনা ও দর-কষাকষি এগিয়ে চলছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।জাহেদ উর রহমান বলেন, "বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিভিন্ন মডেলের চতুর্থ প্রজন্মের এমআরসিএ, ফাইটার এয়ারক্রাফট, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান। চলতি অর্থবছরে প্রয়োজনীয় বাজেট পাওয়া গেলে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তা সম্ভব না হলে পরবর্তী বাজেটে এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।" তিনি আরও যোগ করেন, "এমআরসিএ, জে-১০সিই এবং অ্যাটাক হেলিকপ্টার সংগ্রহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে নেগোসিয়েশন মিটিংয়ের খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। অর্থাৎ জে-১০ ফাইটার কেনার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং বাংলাদেশ এ বিষয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।"চীনের তৈরি জে-১০ ফাইটারের সক্ষমতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের বাস্তব অভিজ্ঞতায় চীনের জে-১০ ফাইটারের কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার দাবি, ওই সংঘাতে ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় জে-১০ ফাইটারের ভূমিকা ছিল। তিনি বলেন, "রাফালকে ৪.৫ প্রজন্মের আধুনিক ফাইটারগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর বিপরীতে চীনের তৈরি মাল্টি রোল ফাইটার জে-১০ বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ বিষয়টির দিকে গুরুত্ব দিয়ে এগোচ্ছে।" ব্যয়ের দিকটি তুলে ধরে তিনি জানান, রাফাল কিংবা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় ফাইটারগুলোর তুলনায় একই ধরনের সক্ষমতার চীনা ফাইটারের দাম তুলনামূলকভাবে কম, ফলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যয় ও কার্যকারিতা দুই দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতির স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ এখন তার নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে বৈদেশিক ও সামরিক নীতিতে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে পারছে। তিনি বলেন, "অতীতে ৫ আগস্টের আগে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব ছিল না। এখন বাংলাদেশ তার নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থকে সামনে রেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে এই অর্থেই অনেকে বর্তমান সময়কে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।" তবে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার সঙ্গে এর কোনো তুলনা চলে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুত নীতিমালা করছে সরকার
ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল সুশৃঙ্খল করতে দ্রুত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এই নীতিমালার মাধ্যমে রিকশা চলাচলের এলাকা নির্ধারণ, যানবাহনের কারিগরি মান নিশ্চিতকরণ এবং চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এসব তথ্য জানান। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কিছুটা সুবিধা হলেও তীব্র যানজট ও নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে চালকদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ না থাকা এবং যানবাহনের কারিগরি সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।উপদেষ্টা আরও জানান, সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নীতিমালা চূড়ান্ত করবে। এতে কোন এলাকায় রিকশা চলবে এবং কোন মানের যানবাহন সড়কে নামতে পারবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর ফলে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।একই সংবাদ সম্মেলনে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, কিশোরগঞ্জের লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪১ লাখ পরিবারের জন্য এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে এই প্রকল্পে সরকারের মোট ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।ফ্যামিলি কার্ডের গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের হাতে অর্থ পৌঁছালে তা বাজারে চাহিদা তৈরি করবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অর্থের এই প্রবাহ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও সহায়ক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।/
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা প্রয়োজনমতো টাকা তুলতে পারবেন
একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী আমানতের মূল টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। একই সঙ্গে আমানতের মুনাফার ওপর কোনো ধরনের ‘হেয়ারকাট’ বা কর্তন করা হবে না বলেও নিশ্চিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী শায়রুল হাসান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদারের এক বিশেষ বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠিত হয়েছে সেগুলো হলো– ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক।বৈঠকে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানান, জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আগেই ঘোষণা দিয়েছেন যে আমানতকারীদের মুনাফায় কোনো ‘হেয়ারকাট’ রাখা হবে না। তবে আমানতকারীদের মধ্যে এই বিষয়ে এখনো বিভ্রান্তি থাকায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি স্পষ্টভাবে প্রচার করার নির্দেশ দেন তিনি। এর ফলে আমানতকারীদের আগের পাওনা বা মুনাফা থেকে কোনো টাকা কেটে রাখা হবে না।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ঘোষিত স্কিম অনুযায়ী আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি আমানতকারীরা তাদের আল-ওয়াদিয়াহ চলতি হিসাব, মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাব ও মুদারাবা মেয়াদি আমানত থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী টাকা তুলতে পারবেন।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি একীভূত হওয়া এই ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মুনাফার ওপর ‘হেয়ারকাট’ বা কর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে গ্রাহকদের প্রবল আপত্তি ও সমালোচনার মুখে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল কর্তৃপক্ষ।প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা মূলধন নিয়ে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ বর্তমানে দেশের সর্ববৃহৎ এবং একমাত্র সরকারি মালিকানাধীন ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।\
লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হলেন আব্দুল মুহিত
লন্ডনে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক এই স্থায়ী প্রতিনিধিকে দুই বছরের চুক্তিতে এই পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।বর্তমানে মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত ফরেন সার্ভিস একাডেমির রেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সোমবার (২৪ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তার এই নতুন দায়িত্বের কথা জানানো হয়।বিসিএস (পররাষ্ট্র ক্যাডার) ১১তম ব্যাচের এই চৌকস কর্মকর্তা তার সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মিশনে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার আগে তিনি অস্ট্রিয়া ও ডেনমার্কে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, কাতার ও কুয়েতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এই পেশাদার কূটনীতিক গ্রেড-১ মর্যাদায় লন্ডনের মিশনে যোগ দেবেন। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তার নিয়োগের মেয়াদ হবে দুই বছর। এই সময়ে তার অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) ও এ-সংক্রান্ত সুবিধাদি স্থগিত থাকবে।চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, নতুন এই পদে থাকাকালীন তিনি অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্মসম্পর্ক রাখতে পারবেন না। যোগদানের তারিখ থেকেই তার এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
Discussion
Please Sign In to join the discussion.