দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির দিনই বিশ্ববাজারে নিম্নমুখী দর
Bangladesh

দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির দিনই বিশ্ববাজারে নিম্নমুখী দর

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের দিনে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যে পতন লক্ষ্য করা গেছে।

Sangbad/national • 23d ago, Sep 21, 2026 5:56 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

জাতিসংঘে সফর বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষায়: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাতিসংঘ সফর কোনো আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্য কাজ এবং ক্ষমতা প্রদর্শনের বদলে দেশের স্বার্থরক্ষার মিশন বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

Sangbad/national • 23d ago, Sep 21, 2026 4:58 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজ করা হয়েছে: ভারতের উপহাইকমিশনার

বাংলাদেশিদের জন্য ভারতে ভ্রমণের সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির উপহাইকমিশনার পবনকুমার তুলসীদাস বাধে। তিনি জানান, বর্তমানে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের কার্যালয়ে সংস্থাটির প্রশাসক মো. ফজলুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এসব কথা জানান উপহাইকমিশনার। সোমবার এফবিসিসিআইয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের এই তথ্য জানানো হয়েছে।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিদ্যমান শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূরীকরণ এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার তাগিদ দেন ভারতীয় উপহাইকমিশনার।বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজীকরণের লক্ষ্যে একটি ‘বিজনেস-টু-বিজনেস’ (বিটুবি) টাস্কফোর্স গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন পবনকুমার বাধে। তিনি জানান, এই যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের কাজ দ্রুত করতে উভয় দেশের সরকারের সঙ্গে তার দপ্তর নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে এফবিসিসিআইয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের সহযোগিতা চান তিনি।বৈঠকে এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে যৌথ টাস্কফোর্স অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। উদীয়মান ও সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।\

Sangbad/national • 23d ago, Sep 21, 2026 12:37 AM
0
• 0 min read
Bangla

লিটারে ২০ টাকা বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম

​মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েল ও ফ্রেইট চার্জ বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বৃদ্ধি করেছে সরকার। র‌বিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। নতুন এই বর্ধিত দর র‌বিবার দিবাগত রাত ১২টার পর (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর।​নতুন মূল্যসূচি অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।​বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, "মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্য ও ফ্রেইট চার্জ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থে দেশে এতদিন দাম বাড়ানো হয়নি।"​মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, মূল্য না বাড়ানোর ফলে গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। এর আগে গত ১৮ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়েছিল, যার পর গত পাঁচ মাস আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যের ব্যাপক অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও দেশে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল।​সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশের অভ্যন্তরে তেলের মূল্য প্রতিবেশী দেশগুলোর চেয়ে কম থাকার বিষয়টি তুলে ধরে পাচারের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়, "দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য অন্যান্য দেশের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে তেল পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় কেনা জ্বালানি তেল পাচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"একই সাথে যুদ্ধের প্রভাবে এলএনজি খাতে বিপুল ভর্তুকি দিয়ে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ সচল রাখা, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বজায় রাখা এবং তেল পাচার ঠেকাতে এই মূল্যবৃদ্ধি ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়।

Sangbad/national • 23d ago, Sep 20, 2026 11:42 PM
0
• 0 min read
Bangla

গাজী নজরুলের বাসায় মিলল মরিয়মের হাতে লেখা চিঠি

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) হাতে লেখা বেশ কয়েকটি আবেগঘন শেষ চিঠি ও নোটবুক উদ্ধার করেছে পুলিশ। জাতীয় সংসদের অফিশিয়াল প্যাড থেকে শুরু করে সাধারণ সাদা কাগজে লেখা এই চিঠিগুলোতে ভালোবাসা, মান-অভিমান, প্রতারণার অভিযোগ, তীব্র মানসিক যন্ত্রণা এবং বিশ্বাসভঙ্গের গভীর ক্ষত ফুটে উঠেছে।পুলিশের তদন্তে উদ্ধার হওয়া চিঠি ও নোটবুক বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মরিয়ম নিজেকে একটি প্রতারণামূলক সম্পর্কের শিকার বলে মনে করতেন। চিঠিতে উঠে আসা বিভিন্ন বাক্যে স্বামীর প্রতি তার গভীর ক্ষোভ ও আক্ষেপ ফুটে উঠেছে। বিদায়কালের এক চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে। জিততে পারিনি। জিতবই বা কেমনে? যুদ্ধের শেষপ্রান্তে গিয়ে দেখি–তুমি ছিলে বিপক্ষের সেনাপতি!’আরেকটি সাধারণ কাগজের পাতায় তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে এবং ভালোবাসার ভাগ না নেওয়ার মনোভাব ব্যক্ত করে লেখেন, ‘সে ছিল অন্য নারীর স্বামী। কাগজে, কলমে, অধিকারে ছিল তার বউয়ের। আর আমি ছিলাম বোকা। অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। কারণ, ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়। ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ না হয় অপূর্ণ।’সংসদের প্যাডে লেখা চিঠিতে স্বামীকে চরম সতর্কবার্তা ও উপহাস করে তিনি লিখেছেন, ‘আমি হেরেছি, তুমি জিতেছো, কারণ, তোমাকে আমি বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো–আমাকে ঠকিয়ে তুমি জিততে পেরেছো। আমি ধ্বংসের শেষে দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। ভেবে নাও, এই হাসিই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ!’ অন্য একটি চিঠিতে নিজের আত্মসম্মান প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলে বারবার তোমার কাছে নত হই। তা না হলে, যতটা সস্তা ভাবছো, ততটা সস্তা আমি নই।’এ ছাড়া, একটি পাতায় নিজের সাথে ঘটে যাওয়া ছলনা নিয়ে লিখেছেন, ‘সে বলেছিল–আজ থেকে আমরা বন্ধু, চলো একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো–আমিই ছিলাম তোমার গেমসের দাবার এক গুটি।’ তবে চিঠির মানসিক জটিলতার বিপরীত চিত্রও মিলেছে মরিয়মের নোটবুকের অন্য এক পৃষ্ঠায়, যেখানে রাতে ঘুমানোর আগে পড়ার জন্য কালেমা, ২১ বার দরুদ শরিফ, আয়াতুল কুরসি ও নির্দিষ্ট কিছু জিকিরসহ ৬টি ধর্মীয় আমলের তালিকা হাতে লেখা ছিল।উল্লেখ্য, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর নিহতের বাবার দায়ের করা আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে মধ্যরাতে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

Sangbad/national • 23d ago, Sep 20, 2026 10:40 PM
0
• 0 min read
Bangla

জামায়াতের এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর লাশ উদ্ধার

Sangbad/national • 23d ago, Sep 20, 2026 7:24 PM
0
• 0 min read
Bangla

আমৃত্যু পেনশন পাবেন সরকারি কর্মচারীর স্ত্রীরা

মৃত সরকারি কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করার শর্তে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। এ জন্য বছরে একবার পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে। তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে এ অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার শর্ত প্রযোজ্য হবে না।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে, যেগুলো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধায় নতুন হিসাব নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন নিয়মে চাকরিকালের ভিত্তিতে পেনশনের হার হবে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ। আর বিদ্যমান পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন ব্যবস্থায় পেনশনযোগ্য চাকরিকাল পাঁচ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করে পেনশনের হার নির্ধারণ করা হবে। পাঁচ বছর চাকরি হলে পেনশনের হার হবে মূল বেতনের ২১ শতাংশ। এরপর প্রতিবছর চাকরিকালের সঙ্গে হার বাড়বে। ১০ বছর চাকরিতে হার হবে ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ।২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ এবং ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ পেনশন পাওয়া যাবে। ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।নিট পেনশনে সর্বোচ্চ ৭০,২০০ টাকাবিদ্যমান পেনশনভোগীদের জন্য ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পাওয়া নিট পেনশনের ওপর ভিত্তি করে নতুন পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে। নিট পেনশন ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে নতুন নিট পেনশন হবে ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা।এভাবে ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৭৫ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ১৮ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা। ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৬৫ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ৩৫ হাজার ১ টাকা থেকে ৪৯ হাজার টাকা। ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৬০ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ৪৯ হাজার ১ টাকা থেকে ৬২ হাজার টাকা।আর ৮০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি হবে ৫৫ শতাংশ। এ শ্রেণিতে নতুন নিট পেনশন হবে ৬২ হাজার ১ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা। তবে বর্তমানে যারা ৭০ হাজার ২০০ টাকার বেশি নিট পেনশন পাচ্ছেন, তাঁরা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বর্তমান হারেই পেনশনই পাবেন। এরপর প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বার্ষিক বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) কার্যকর করা হবে।নতুন প্রজ্ঞাপনে আনুতোষিকের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। পাঁচ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১০ বছরের কম চাকরির ক্ষেত্রে প্রতি টাকায় আনুতোষিক হবে ২৬৫ টাকা। ১০ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১৫ বছরের কম চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৬০ টাকা। ১৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ২০ বছরের কম চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৪৫ টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৩০ টাকা আনুতোষিক পাওয়া যাবে।অবসর গ্রহণের সময় সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন করা যাবে। অর্থাৎ ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অবসর-উত্তর ছুটি বা পিআরএল এবং ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে দুই দিনের অর্জিত ছুটিকে এক দিনের গড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তর করা যাবে। পিআরএল ভোগ না করলেও নির্ধারিত শর্তে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে কোনো কর্মচারী স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষম হয়ে পড়লে বা মারা গেলে নির্ধারিত শর্তে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধানও রাখা হয়েছে।পেনশনের পরিধি

Sangbad/national • 23d ago, Sep 20, 2026 9:03 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

জাতিসংঘের অধিবেশনে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামীকাল সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Sangbad/national • 23d ago, Sep 20, 2026 8:03 AM
0
• 0 min read
Bangla

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সরকারি কেনাকাটায় আরও প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।র‌বিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২১তম বৈঠকে এ অধ্যাদেশের অনুমোদন দেওয়া হয়।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিদ্যমান সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সংগতি রেখে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালি আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার করার উদ্দেশ্যে অধ্যাদেশটি আনা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুমোদিত খসড়া অধ্যাদেশে সরকারি ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান বিধানাবলি আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প ও কেনাকাটায় দীর্ঘসূত্রিতা হ্রাস পাবে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও সহজ হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়। একইসঙ্গে রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন কিংবা বিশেষ পরিস্থিতিতে বিকল্প কেনাকাটার ক্ষেত্রে আধুনিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের প্রয়োজনীয় ভেটিং (পরীক্ষা-নিরীক্ষা) সাপেক্ষে অধ্যাদেশের খসড়াটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপিত হলে তা চূড়ান্তভাবে অনুমোদন লাভ করে। মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের পর প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে খুব শিগগিরই অধ্যাদেশটি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ আকারে জারির মাধ্যমে কার্যকরের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

Sangbad/national • 23d ago, Sep 20, 2026 6:56 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে দায়িত্বপালন শেষে বিদায় নিতে যাওয়া চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ে তাদের এই দ্বিপক্ষীয় বিদায়ী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠককালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যবর্তী কূটনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদান ও সক্রিয় ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি উল্লেখ করেন, ইয়াও ওয়েনের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে বাংলাদেশ-চীন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে ‘শেয়ার্ড কমিউনিটি’ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ত্বরান্বিত করতে শিগগিরই প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২ মেকানিজম’ চালু হতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।বাংলাদেশে তিন বছর নয় মাসের কর্মকালকে অত্যন্ত সম্মানের ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান তিনি।রাষ্ট্রদূত আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন অভিযাত্রায় চীনের কারিগরি ও অর্থনৈতিক সমর্থন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি তিনি জানান, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান চলতি বছরের শেষভাগে বাংলাদেশ সফরে আসার আন্তরিক ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।সাক্ষাৎ শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য ও শুভকামনা জানান।

Sangbad/national • 24d ago, Sep 20, 2026 1:25 AM
0
• 0 min read
Bangla

মাতারবাড়ী ও পায়রায় অনুমোদন পেল ২৬৪০ মেগাওয়াটের দুই বিদ্যুৎকেন্দ্র

বিশ্ববাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আকাশচুম্বী দাম এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতায় জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় আবারও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঝুঁকছে সরকার। কক্সবাজারের মাতারবাড়ী ও পটুয়াখালীর পায়রায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট করে মোট ২ হাজার ৬৪০ মেগাওয়াট সক্ষমতার দুটি নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে প্রাথমিক ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি (প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা)। এর মধ্যে মাতারবাড়ীর ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটি নির্মাণে আনুমানিক খরচ ধরা হয়েছে ১.৫৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল) ইতিমধ্যে এই প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) চূড়ান্ত করেছে।মাতারবাড়ীকে বেছে নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, ওই এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালনের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আগে থেকেই প্রস্তুত রয়েছে। বিদেশি অর্থায়ন পাওয়া না গেলেও প্রয়োজনে নিজস্ব বা সরকারি অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হতে পারে। অন্যদিকে, পায়রায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় পর্যায়ের কেন্দ্রের জন্য চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের (এক্সিম ব্যাংক) কাছ থেকে ঋণ সহায়তার চেষ্টা করছে সরকার।বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজারে গ্যাসের অস্থিতিশীল সরবরাহের তুলনায় কয়লাকে তুলনামূলক বেশি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিপিডিবির তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৬ হাজার ৬৯০ মেগাওয়াট। নতুন দুটি কেন্দ্র উৎপাদনে এলে মোট ক্ষমতা দাঁড়িয়ে যাবে ৯ হাজার ৩৩০ মেগাওয়াটে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জরুরি চাহিদা মেটাতে কয়লার ওপর নির্ভরতা বাড়লেও পরিবেশগত ঝুঁকি এবং ভবিষ্যতে অলস সক্ষমতা তৈরির বিষয়টি খেয়াল রাখা জরুরি।

Sangbad/national • 24d ago, Sep 20, 2026 12:14 AM
0
• 0 min read
Bangla

রোববার সকালে রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি, ভোগান্তিতে কর্মজীবীরা

ভোরের আলো ফুটতেই হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে যায় রাজধানীর আকাশ। কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া, আর তার পরপরই নেমে আসে মুষলধারে বৃষ্টি। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রামপুরা, বনশ্রী, নতুন বাজার, মিরপুর ও পল্লবীসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালিয়েছে এই বৃষ্টি। ছুটির দিন শেষে সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে সকালে এমন ঝুম বৃষ্টিতে চরম বিপাকে পড়েছেন অফিসগামী ও সাধারণ মানুষ।পথচারীরা জানান, বৃষ্টি শুরুর আগে নগরজুড়ে তীব্র ঝোড়ো বাতাস বয়ে যায়। বৃষ্টির দাপটে বাতাসের গতি কিছুটা কমলেও থেমে থেমে বিজলি চমকানো আর বিকট বজ্রপাতে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। হঠাৎ এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং গণপরিবহনের সংকটে অনেককে রাস্তায় দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র আগেই এই বৃষ্টির আভাস দিয়েছিল। পূর্বাভাসে জানানো হয়, রোববার দিবাগত রাত ১২টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকার কথা বলা হয়।আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.৫ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হলেও আগের ছয় ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। আবহাওয়ার এমন আকস্মিক পরিবর্তনে গরমের তীব্রতা কিছুটা কমলেও সকালের তুমুল বৃষ্টিতে ভোগান্তি পেোহাতে হয়েছে নগরের বাসিন্দাদের।

Sangbad/national • 24d ago, Sep 19, 2026 9:32 PM
0
• 0 min read
Bangla

একদিনে পাঁচ জেলার ভয়াবহ চিত্র, বাড়ছে নৃশংসতা

Sangbad/national • 24d ago, Sep 19, 2026 3:50 PM
0
• 0 min read
Bangla

এলজিইডি কর্মকর্তাদের প্রতি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কড়া নির্দেশ

দেশের সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তাদের প্রতি কঠোর আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি ভবনে অধিদপ্তরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।মন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, দেশের সম্পদ সীমিত হওয়ায় আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রয়োজন ও সক্ষমতার মধ্যে সবসময় সঠিক সমন্বয় তৈরি করতে হবে। জনগণের সত্যিকারের সেবা প্রদান এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র বিবেচনায় নিয়েই সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।সরকারি কর্মকর্তারা হলেন জনগণের আমানত ও সম্পদের কাস্টোডিয়ান, এমন মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, শুধু দাপ্তরিক নথিপত্র বা কাগজে-কলমে পরিকল্পনা গ্রহণ করলেই সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না, বরং সেই গৃহীত পরিকল্পনার যথার্থ বাস্তবায়নই হলো সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা, সঠিক পরিকল্পনা এবং কাজের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।তিনি আরও যোগ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী উদ্যোগে এলজিইডি দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সম্পূর্ণ নতুন ধারার সূচনা করেছিল, যার ফলে আজকের বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামোগত চিত্রে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে বর্তমানে যেসব সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দেশের সাধারণ মানুষ তার অভাবনীয় সুফল ভোগ করবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, দেশের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং হাটবাজারসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বহুগুণ বাড়াতে হবে। উৎপাদিত এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে একদিকে যেমন প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যুৎ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব, অন্যদিকে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব আয়ও বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব।তিনি সকল কর্মকর্তাকে নিজ নিজ দপ্তরে সোলার প্যানেল স্থাপন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের কড়া নির্দেশনা দেন।গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে নতুন প্রযুক্তির কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সড়ক নির্মাণে প্রথাগত ইটের ব্যবহার কমিয়ে এখন থেকে আধুনিক ইউনি ব্লক ও সিসি ব্লকের ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিশেষ করে ছয় থেকে নয় ফুট প্রশস্ত ছোট সড়কগুলোতে ইটের পরিবর্তে এসব টেকসই উপকরণ ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি, ভারী যানবাহন চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রয়োজন অনুযায়ী আরসিসি বা কার্পেটিং এবং মানসম্মত দেশীয় পাথর ব্যবহারের ওপর তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেন।এছাড়া নদী তীরবর্তী এবং বন্যাপ্রবণ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর সড়কে মাটির ক্ষয়রোধে বিশেষ প্রজাতির ‘বিন্যা ঘাস’ রোপণ করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন প্রতিমন্ত্রী।সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দেশের বিভিন্ন জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী, এলজিইডির চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং উপজেলা প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

Sangbad/national • 24d ago, Sep 19, 2026 11:11 AM
0
• 0 min read
Bangla

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে ২০২৯ সালের জুনে

গুরুত্বপূর্ণ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক চার লেনের পরিবর্তে ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণকাজের বর্তমান অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।তিনি জানান, বহু কাঙ্ক্ষিত এই মেগা প্রকল্পটি দীর্ঘ সাড়ে চার বছর ধরে কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোয়নি এবং বিগত সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন এটি নিয়ে তেমন আন্তরিক মনোযোগ দেয়নি। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে জোরদার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।যার ফলে ইতিমধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ প্রায় ৫৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দীর্ঘ কালক্ষেপণের পর বর্তমানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পের সামগ্রিক ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই পুরো প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের কাজের মধ্যে ৫টির অগ্রগতি আশানুরূপ না হলেও বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ অত্যন্ত সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলেছে।যেসব প্যাকেজের কাজে বিচ্যুতি বা শ্লথগতি রয়েছে, তা কঠোরভাবে তদারকি করে দ্রুত গতিশীল করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।দীর্ঘদিনের এই স্থবিরতার কারণে সাধারণ মানুষকে সাময়িক জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার এই দুর্ভোগ লাঘবে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করতে বদ্ধপরিকর।প্রকল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সুনির্দিষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেন, চুক্তিভিত্তিক দরপত্র অনুসারে ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি সম্পন্ন করে তা সর্বসাধারণের যাতায়াতের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। মহাসড়কটি দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কৌশলগত ভূমিকা পালন করায় সরকার এর মান ও সময়সীমার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই মহাসড়কের কাজ শেষ হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

Sangbad/national • 24d ago, Sep 19, 2026 11:10 AM
0
• 0 min read
Bangla

নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ, ১ জুলাই থেকে কার্যকর

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতার কাঠামো কার্যকর করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে জারি করা আদেশটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এ আদেশ জারি করেছে।নতুন বেতনকাঠামো গত ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। তবে নতুন মূল বেতনের পুরোটা একবারে পাচ্ছেন না সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গ্রেডভেদে ধাপে ধাপে বর্ধিত অংশ যোগ হবে। এর ফলে জুলাই থেকে গেজেট জারির আগপর্যন্ত সময়ের প্রাপ্য অর্থও বকেয়া হিসেবে পাবেন তারা।গেজেট অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুরোনো ও নতুন মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ পাবেন। অন্যদিকে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন বর্ধিত অংশের ৫০ শতাংশ। ওই অর্থ ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে আহরিত বা প্রাপ্য মূল বেতনের সঙ্গে যোগ হবে।দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডের জন্য বর্ধিত অংশের মোট ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য মোট ৭৫ শতাংশ কার্যকর হবে। এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধিসহ নতুন মূল বেতনের শতভাগ দেওয়া হবে।প্রথম ছয় মাসে তুলনামূলক কম বেতনের কর্মচারীদের জন্য বর্ধিত অংশের অর্ধেক কার্যকর হচ্ছে। আর উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে তা ৪০ শতাংশ। পরের বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় ধাপ এবং জুলাইয়ে গিয়ে নতুন মূল বেতন পুরোপুরি কার্যকর হবে।নতুন বেতনকাঠামোয় প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে গ্রেডভেদে মূল বেতন বৃদ্ধির হার প্রায় ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ।তবে মূল বেতন পুরোপুরি কার্যকর হলেও বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, উৎসব, বাংলা নববর্ষসহ অন্যান্য ভাতার নতুন হার সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যাবে না। গেজেট অনুযায়ী, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত এসব ভাতা বিদ্যমান হারে দেওয়া হবে। ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত হারে ভাতা কার্যকর হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত বাস্তবায়ন কাঠামোতেও একই সময়সূচি রাখা হয়েছিল।নতুন কাঠামোর সঙ্গে পেনশনভোগীদের সুবিধাও ধাপে ধাপে সমন্বয় করা হচ্ছে। গেজেটে নিট পেনশনের স্তর অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে বর্ধিত অংশের ৪০ বা ৫০ শতাংশ এবং পরবর্তী পর্যায়ে ৭০ বা ৭৫ শতাংশ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে তাদের ক্ষেত্রেও নতুন কাঠামো অনুযায়ী পূর্ণ নিট পেনশন কার্যকর হবে।জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের দেওয়া আগের ‘বিশেষ সুবিধা’ বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে। ১ জুলাই থেকে গেজেট জারির সময় পর্যন্ত কেউ ওই বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকলে তা নতুন বেতনকাঠামোর অধীনে প্রাপ্য বকেয়ার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন করা হয়। অনুমোদিত কাঠামোতে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের জন্য ৪০, ৩০ ও ৩০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য ৫০, ২৫ ও ২৫ শতাংশ হারে তিন ধাপে বর্ধিত মূল বেতন কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।অষ্টম জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রায় এক যুগ পর নতুন বেতনকাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন ২৩ সদস্যের জাতীয় বেতন কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে বাস্তবায়নের পদ্ধতি ও আর্থিক প্রভাব পর্যালোচনা শেষে সরকার ধাপে ধাপে নতুন কাঠামো কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেয়।সংক্ষেপে বাস্তবায়নের সময়সূচি: ১ জুলাই ২০২৬ থেকে প্রথম–নবম গ্রেডে বর্ধিত অংশের ৪০ শতাংশ ও ১০ম–২০তম গ্রেডে ৫০ শতাংশ; ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে যথাক্রমে মোট ৭০ ও ৭৫ শতাংশ; ১ জুলাই ২০২৭ থেকে নতুন মূল বেতনের শতভাগ এবং ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে নতুন হারে অন্যান্য ভাতা কার্যকর হবে।

Sangbad/national • 24d ago, Sep 19, 2026 6:38 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকারের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু হতে যাচ্ছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এক অনুষ্ঠানে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।প্রতিমন্ত্রী জানান, কেবল প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনই নয়, পর্যায়ক্রমে জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশ সচিবালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘জনগণকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে হলে আগে নিজেদেরই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। আমরা নিজেরা বাস্তবায়ন করলেই সাধারণ মানুষ উৎসাহিত হবে।’গ্রাসরুট পর্যায়ে এর আলো পৌঁছে দিতে দেশের ৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিটির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যেখানে মোট খরচ ধরা হয়েছে ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। ৫.৫ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এসব সৌর প্যানেল থেকে এক ঘণ্টার পাওয়ার ব্যাকআপ পাওয়া যাবে। প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় প্রকৌশলীদের এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন।সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিধি আরও বাড়ানো হবে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) তথ্যমতে, বেসরকারি খাতের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ১২টি প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে আরও ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ। এর মধ্যে ফটিকছড়িতে ২০০ মেগাওয়াট এবং ঈশ্বরদী, কক্সবাজার ও মোংলায় বড় মাপের সোলার পার্ক স্থাপন অন্তর্ভুক্ত।জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশল ২০২৬-২০৩০-এর আওতায় আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার পাওয়ার থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বর্তমানে দেশে ১ হাজার ৮৫২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

Sangbad/national • 25d ago, Sep 19, 2026 2:14 AM
0
• 0 min read
Bangladesh

দাবি না মানলে ৮ দফা ১ দফায় রূপ নেবে: ডা. শফিকুর রহমান

জনগণের মৌলিক অধিকার আদায় না হলে ৮ দফা আন্দোলন যেকোনো মুহূর্তে ১ দফার একদফা আন্দোলনে পরিণত হবে বলে হুঙ্কার দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাসে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের প্রথম পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। নির্ধারিত পথসভাটি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে একপর্যায়ে বিশাল জনসভায় রূপ নেয়।জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘আমরা কোনো দলীয় এজেন্ডা নিয়ে রাজপথে নামিনি, কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা ও অধিকার আদায়ে নেমেছি। ঘরে ঘরে গ্যাস পৌঁছানো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, শিল্পের চাকা সচল রাখা, চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধ এবং ছিনতাই হওয়া ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না।’গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় জোটের অন্য শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের জোর দাবি জানান। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।শনিবার সকাল ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হওয়া ১১ দলীয় জোটের লংমার্চটি গাজীপুরের কর্মসূচি শেষে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধা হয়ে রংপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

Sangbad/national • 25d ago, Sep 19, 2026 12:08 AM
0
• 0 min read
Bangla

কিশোরগঞ্জকে ময়মনসিংহ থেকে আলাদা করায় ক্ষোভ ঝাড়লেন বিএনপি নেতা

ময়মনসিংহ বিভাগ গঠনের সময় কিশোরগঞ্জ জেলাকে ঢাকা বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের সরাসরি অভিশাপ দিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরাম’-এর নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি ফজলুর রহমান নিজের এই অবস্থানের কথা জানান।বক্তব্যে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি কিশোরগঞ্জের মানুষ হলেও অন্তরে নিজেকে খাঁটি ময়মনসিংহের অংশ মনে করি। ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ কিংবা টাঙ্গাইলকে যারা বের করে পৃথক করেছে, তাদের প্রতি আমি অভিশাপ দিচ্ছি। আমি দেশের জাতীয় সংসদেও এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তব্য রেখেছি।’আঞ্চলিক পরিচয় ও ঐতিহ্যের টান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি ব্রহ্মপুত্র নদের তীরের মানুষ। ময়মনসিংহ গীতিকা, ফকির মজনু শাহ, গীতিকার রশীদ উদ্দীন, জালাল খাঁ কিংবা উকিল মুন্সীর ঐতিহ্য ছেড়ে আমি কেন অন্য পরিচয়ে যাব? ঢাকায় গিয়ে বললেই তো আর আমি “ঢাকাইয়া” হয়ে যাব না; সেখানে গিয়ে নতুন পরিচয় কেন নিতে হবে? সুতরাং আমার মূল পরিচয় আমি ময়মনসিংহের মানুষ। বিভাগীয় বিন্যাসে কিশোরগঞ্জকে আলাদা করায় আমার হৃদয়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে।’বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথির মধ্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার খন্দকার নাজমুল হাসান এবং কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান উপস্থিত ছিলেন।

Sangbad/national • 25d ago, Sep 18, 2026 11:45 PM
0
• 0 min read
Bangladesh

বিমানবন্দর থেকেই ফিরতে হলো ৮১ হাজার মানুষকে

ভিসা ও জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্রে অনিয়ম, ভুয়া কাগজপত্র, ইমিগ্রেশনে ভুল তথ্য এবং মানবপাচারের আশঙ্কায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেই আটকে যাচ্ছে হাজার হাজার বিদেশগামী বাংলাদেশির স্বপ্ন। পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) হিসাব অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত গত সাড়ে পাঁচ বছরে দেশের বিমানবন্দরগুলো থেকে ৮১ হাজার ৫০০ যাত্রীর বিদেশযাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এই সময়ে বিভিন্ন ভিসায় প্রায় ২ কোটি ৯১ লাখ কর্মী বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই ইমিগ্রেশনে নানা অসংগতির কারণে ৭ হাজার ৮১৯ জনকে বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে ২০২৫ সালে ১৫ হাজার ৫১৬ জন, ২০২৪ সালে ১৮ হাজার ৯ জন এবং ২০২৩ সালে ৯ হাজার ৮৭২ জনকে আটকে দেওয়া হয়েছিল।ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্র জানায়, মূলত বন্ধ থাকা শ্রমবাজারে বিকল্প উপায়ে প্রবেশের চেষ্টা, ভিসা জালিয়াতি এবং অবৈধ অভিবাসন রুখতে কঠোর ডিজিটাল যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সম্প্রতি এক নারী ওমানে স্বামী থাকার কথা বলে ভুয়া বিয়ের ছবি ও ডিজিটাল তথ্য ব্যবহার করে বিএমইটি ছাড়পত্র নেন। পরে তদন্তে দেখা যায়, একই স্পাউস ভিসা ব্যবহার করে ভিন্ন পাসপোর্টে আরও পাঁচ নারীকে ওমানে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এছাড়া নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের কিছু তরুণদের মেক্সিকো ও ব্রাজিল হয়ে ৫০ লাখ টাকা খরচে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টার মতো ঘটনার কারণে ২৩টি ঝুঁকিপূর্ণ দেশের রুটে অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হচ্ছে।তবে এসব নজরদারির মাঝে বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও অনেক সাধারণ যাত্রী ও শিক্ষার্থী ইমিগ্রেশনে অনাকাঙ্ক্ষিত হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ জানান, অনিয়ম ও মানবপাচার রুখতে পুলিশ সক্রিয় থাকলেও কিছু যাত্রীকে অন্যায্যভাবে আটকে দেওয়ার অভিযোগ সত্য। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক জানিয়েছেন, নকল নথিপত্রে বিএমইটি ছাড়পত্র দেওয়ার সঙ্গে জড়িত অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সার্বিয়া, লিবিয়া, ভিয়েতনাম ও লাওসের মতো দেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভিসা যাচাই ব্যবস্থা আরও কঠোর করার প্রক্রিয়া চলছে।

Sangbad/national • 25d ago, Sep 18, 2026 10:35 PM
0
• 0 min read
Thu ☀️ 31°
Fri ⛅ 30°
Sat 🌧️ 28°
Sun ⛅ 29°
Mon ☀️ 32°

Trending Stories

Daily Newspaper