Bangladesh
নিউইয়র্কে বোয়িংয়ের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত চুক্তি সই
দেশের বিমান পরিবহন (এভিয়েশন) খাতের পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের লবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বোয়িংয়ের মধ্যে এই ঐতিহাসিক চুক্তি সই অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক, উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লান্ডাউ, আন্ডার সেক্রেটারি অব কমার্স উইলিয়াম কিমিট এবং দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরসহ মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশে নতুন নতুন আকাশপথ বা রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক এভিয়েশন খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটছে। মূলত চাহিদার ওপর ভিত্তি করেই এই উড়োজাহাজগুলো কেনা হচ্ছে। চুক্তি সই শেষে বোয়িংয়ের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী ইউরোপীয় বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনার সম্ভাবনা উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সফরের সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, সফরের দ্বিতীয় দিনে স্বাস্থ্য, কৃষি, রোহিঙ্গা সংকট, মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।মাহদী আমিন বলেন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে ভ্যাকসিন বা টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃষিতে প্রযুক্তির প্রসার ও ফলন বৃদ্ধির বিষয়ে ইতিবাচক কথা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ক আন্তর্জাতিক ইভেন্টে ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গার নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনা নিরসনে নিরপেক্ষ থেকে বাংলাদেশ শান্তি আলোচনার সুযোগ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে রাজি বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রেস উইংয়ের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। জাতিসংঘ অধিবেশনে আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী বাংলায় দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন।/
Discussion
Please Sign In to join the discussion.